মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রাম এর রৌমারী-রাজিবপুরসহ উত্তর পূর্বাঞ্চলের ঘনো কুয়াষার চিত্র। রাত্রদিন সমানে সমান গড়ম এর প্রচন্ড তাপচাপ। অপরদিকে সার্জ সকালে ঘুম থেকে জেগে উঠার পর দেখা যায়। বিকট ভাবে ঘনো কুয়াষার চাপে ঢেকে ফেলেছে সার্জ সকালের সুর্যটাকে। তখন কীৎ আর ঘুমিয়ে থাকা যায়। বিছানা থেকে নেমেই ক্যামারাটা হাতে নিয়ে। ঘর থেকে বাহীরে বেরিয়েই দেখলাম, যেন ওবাক হবার মতো কুয়াষার চিত্র। কাজদিয়ে মানুষ চলাছল করছে কিন্তু কেউ কাউকে চিনতেও পারছে না। এমতাবস্থায় এলাকার অনেকেই ওবাক হয়েছেন। এমন ঘনো কুয়াষার কারনটা যেমন বঝতেই পারছে না অনেকেই। এমন কুয়াষাই পড়েছেন আজ উত্তরপূর্বাঞ্চলের সীমান্তাঘেষা এলাকাজুড়েই। খেটে খাওয়া মানুষ গুলো সকাল হলেই রোজি রোজগারের জন্য বিভিন্ন স্থানে চলে যায়। কিন্তু ঘুম থেকে উঠেই রাস্তা হারিয়েছেন অনেকেই এতো কুয়াষা আর দেখি নাই। অনেকের সঙ্গে কথা বলে দেখা ও সোনা যায়, যাচ্ছি ডানে কিন্তু হয়ে যায় বাম। এই অবস্থায় সকাল ৮টার দিকে ধীরে ধীরে সুর্যর একটু একটু করে আব্রা গুলো কেটে যাওয়ার পর সুর্যর মুখ পরিস্কার হয়। পরিস্কার হওয়ার সাথে সাথে প্রচন্ড রোদের তাপদাহ দেখা দিয়েছে। অপরদিকে বিভিন্ন রোগেরও চাপ বেরেছে রৌমারী ও রাজিবপুরের প্রতিটি হাসপাতাল ও ক্লিনিক গুলো ঘুরে দেখা যায় বিভিন্ন রোগের হাট। আর ঔ রোগির হাটে বিক্রয় হচ্ছে বিভিন্ন কম্পানির বৈধ, অবৈধ জাতের ঔষধ। ওই অবৈধ কোম্পানির ঔষধ খেয়ে প্রায় দেখা যায় আরগ্য না হওয়ার চিত্র, তখন এভালো না ওভালো। যে ডাঃ ভালো কম্পানির প্যাক্সিশন রোগীদে দেয় সেরোগী অবশ্যই আরগ্য হয়।
এবিষয় রৌমারী উপজেলা হাসপাতালের সাস্থবিষয় কর্মকর্তার মোঃ মাফুজুর রহমান (মুকুল) এর সঙ্গে অতিরিক্ত গরম এর চাপে রোগিদের সংখ্যা ও রোগীদের হালচাল বিষয়টি জানতে চাইলে পোপো কর্মকর্তা জানান আমাদের রোগিরা সাভাবিক রয়েছে।
