মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা, জঙ্গি কর্মকাণ্ড, পেশাদার অপরাধী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে এসব বিক্রি ব্যবহার করা হত

0
622

নগরের একটি দোকানে অভিযান চালিয়ে ৫০০টি সচল মোবাইল সিম জব্দ করেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অবৈধভাবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে এসব সিম নিবন্ধন করে দোকানটিতে চড়াদামে বিক্রি করা হচ্ছিল।

Advertisement

রবিবার রাতে নগরের রিয়াজউদ্দিন বাজারের বাহার মার্কেটের সিদ্দিক এন্টারপ্রাইজ থেকে এসব অবৈধ সিম জব্দ করা হয়। আটক করা হয় দোকান মালিক মিজানুর রহমান (২৭)। তাঁর বাড়ি সাতকানিয়া উপজেলার জনার কেওচিয়া গ্রামে। পুলিশের ধারণা, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা, জঙ্গি কর্মকাণ্ড, পেশাদার অপরাধী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে এসব বিক্রি ব্যবহার করা হত। কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক আফতাব হোসাইন বলেন, ‘আমাদের কাছে সংবাদ ছিল দোকানটিতে ভুয়া নিবন্ধিত বিভিন্ন অপারেটরের সচল সিম বিক্রি করা হয়। সেই প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে ৩০০টি গ্রামীণফোন ও ২০০টি টেলিটক অপারেটরের সচল সিম পাওয়া যায়।’ আফতাব হোসাইন বলেন, ‘সিমগুলো বিভিন্নজনের জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি ব্যবহার করে আগেই চালু করা হয়েছে। এর পর বিক্রির জন্য রাখা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া মিজানুর একই পদ্ধতিতে আগেও অনেকের কাছে সিম বিক্রি করেছেন।’ পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, এসব সিমের ক্রেতা হল যাদের এনআইডি নেই তারা অথবা পেশাদার অপরাধীরা। রোহিঙ্গারা এই পদ্ধতিতে সহজেই সিম পেয়ে যাচ্ছে এবং মোবাইল ব্যবহার করছে। জঙ্গি কিংবা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীও নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই ধরনের সিম ব্যবহার করতে পারে। কারণ অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড করার পর এই সিমের সূত্র ধরে কখনো এর প্রকৃত ব্যবহারকারীকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। আর এই ধরনের সিম ব্যবহার আইনত দণ্ডনীয়। মিজানুরের বিরুদ্ধে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনে কোতোয়ালী থানায় মামলা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়া গেছে, রিয়াজউদ্দিন বাজারে এই ধরনের প্রি অ্যাকটিভ সিম বিক্রির অনেক দোকান রয়েছে। মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তারের পর তারা গা ঢাকা দিয়েছে।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here