মানবাধিকার ফাউন্ডেশন সাধারণ সম্পাদক উজ্জল জামিনে এসে বাদিকে মেরে ফেলার হুমকি

0
739

স্টাফ রিপোর্টারঃ যাকে নিয়ে এই প্রতিবেদন তিনি কখনো রাজনীতির বড় নেতা, কখনো মানবাধিকার কর্মী, কখনো সাংবাদিক, আবার মাঝে মাঝে হয়ে যায় প্রথম আলো পত্রিকার সম্পাদক। দেখতে সুন্দর তাই নিজের কি পরিচয় দিবে তা সেই নিজেই জানে না। এই মহান নেতার বিষয়ে সরজমিনে অনুসন্ধানে দেখা গেছে এক বউ বিদেশে থেকে যে টাকা পাঠায় সেই টাকার দাপটে নিজেকে মহান নেতা ভাবে। এখানে শেষ নয়। জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক থাকায় কাকলি, বনানী, কড়াইল, এলাকায় ভিবিন্ন ভাবে চাঁদাবাজি করে লক্ষ টাকার মালিক হয়ে গেছে। জোসনা ওরফে নেত্রী জোসনা, নারী লোভী শেখ জাকারিয়া উজ্জলের দুই নাম্বার বউ সবাইকে পরিচয় দেয় মানব অধিকার কর্মী। এভাবে নিজের পরিচয় দিয়ে থাকেন।

Advertisement

এলাকায় চালায় চাঁদাবাজির তা-ব, কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না। তাদের আছে বিশাল ক্যাডার বাহিনী গত ইং ২৯/৫/২০১৮/তারিখ রাত অনুমান ১২. ১৫ ঘটিকার সময় উজ্জল তার বাহিনী নিয়ে চাঁদার জন্য সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এই নিয়ে চা ব্যবসায়ী মোঃ হেলাল প্রতিবাদ করলে ছুড়ি দিয়ে তাকে পেটে আঘাত করে বলে আমি জাতীয় শ্রমিক লীগের থানার সাধারণ সম্পাদক, পুলিশ আমার কিছুই করতে পারবে না। আমার হাত অনেক উপরে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে বর্তমান উজ্জল কোন দলের পদবী নেই। চাঁদাবাজ উজ্জলের চাঁদাবাজি তা-ব নেতারা তদন্ত করে সঠিক পেয়েছে। সেই জন্য তাকে বনানী থানার সাধারণ সম্পাদক পদবী থেকে বরিষ্কার করেন। তবু তার চাঁদাবাজির তা-ব থামছে না। পুলিশ তাকে কিছুই করতে পারবে না বলে মামলার বাদী হেলাল কে হুমকি দেন। এই নিয়ে উজ্জলের সাথে কথা হলে বলে আপনি আমার নামে লিখালেখি করে কিছুই করতে পারবেন না। আমি কিন্তু বড় নেতা। এলাকাবাসীর দাবি উজ্জল অনেক মানুষকে নাকি সিনেমার গল্পের মত ফাঁসিয়ে লাঞ্চিত করেছেন শেখ জাকারিয়া উজ্জল। এলাকাবাসী বলে উজ্জল নাকি বলে তার কথায় পুলিশ চলে। কিন্ত কেন…? অপরাধ বিচিত্রাকে জোসনা ফোন করে বলেন আমরা চাঁদাবাজি করি কিন্ত একা খাই না। ভাগ দিতে হয়। প্রশ্ন কাকে দেন তখন চুপ থাকে। কড়াইলের ভুক্তভোগী এলাকাবাসী বলেন বনানী থানার অফিসার ইন চার্জ বি এম ফরমান আলীর সু-দৃস্টি কামনা করছি। এই নেতা পরিচয় দানকার্রী উজ্জলকে আইনের কাঠ গড়ায় দাড় করানো হোক, তার নামে বনানী থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলা নং ০১ তারিখ ১/৬/১৮/ দঃ বি আইন ধারা ১৪৩/ ৩২৩/ ৩২৪/৩২৫/৩০৭/৩৮৫/৫০৬/ পেনাল কোড রজু করা হয়। অপরাধ বিচিত্রাকে হেলাল বলেন, (ওসি) সাহেব আছেন তাই এই মামলায় আমি সঠিক বিচার পাবো। (ইনশাআল্লাহ) তিনি আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন। আমি অনেক খুশী, সত্যিই পুলিশ জনগনের বন্ধু যা থানার অফিসার ইন চার্জের ভুমিকা থেকে প্রমাণ।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here