রৗমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
এমন মর্মান্তিক ঘটনার জন্ম দিলেন এক পরকীয়ায় হাবুডুবতে নদীতে ছুড়ে হত্যার করল গর্ভের দুই শিশুকে। ঘটনাটি ঘটেছে কুড়িগ্রামের রৌমারী সদর ইউনিয়নের পাটাধোয়াপাড়া গ্রামে। শিরিনা ওই গ্রামেরমৃত্যু মোকছেদ আলীর পুত্র ওমান প্রবাসী মোঃ আব্দুর রহমানের স্ত্রী। সুত্রে জানাযায়, ৮ বছর আগে শিরিনা (১৮) পাটা-ধোয়া গ্রামের ওমান প্রবাসী আব্দুর রহমানের সাথে বিয়ে হয়।এদিকে আব্দুর রহমান রুজি-রোজগারের উদ্দেশ্যে ১৮মাস আগে বিদেশে পাড়ি জমায়। এ সুযোগে আব্দুর রহমানের মামাতো ভাই কলাবাড়ী গ্রামের হাসেন আলীর পুত্র মোঃ ফরহাদ হোসেন(১৯) এ সাথে শিরিনা পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে। ফরহাদ শিরিনার বাড়িতে যাতায়াতে আশ-পাশের লোকের চোখে দৃষ্ঠি কঠু মনে হয়। এতে বাড়ির আশপাশের অনেকেই ওত পেতে থাকে। সেদিন ছিল সোমবার ২ সেপ্টম্বর রাতে ফরহাদ শিরিনার বাড়িতে গেলে লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে সটকে পড়ার চেষ্টা করে।এসময় স্থানীয়জনতা ফরহাদকে আটক করে। পরে ওই রাতে শিরিনার বাড়ির পার্শ্বে সামছুলের বাড়িতে শালিসি বৈঠক বসে। এসময় উপস্থিত স্থানীয় শতাধিক মানুষ।শালিসী বৈঠকে নেতৃত্ব দেন সামছুল ও আশরাফ আলী। শালিসে ফরহাদকে মারপিটের এক পর্যায়ে শিরিনাকে বিভিন্ন কর্নার থেকে নানা প্রকার ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। এতে শিরিনা আতংকিত হয়।তিনি কোন কুলকিনারা না পেয়ে শালিস চলাকালীন অবস্থায় কোলের শিশু সন্তান ২টি নিয়ে চুপিসারে পিতার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পাশ্বেই নদী কুল কিনারা না পেয়ে নদী পাড়ি দেওয়ার উদ্দেশ্যে বাচ্চা ২টি কাধে নিয়ে নদী সাতরিয়ে পাড়ি দেওয়র চেষ্টা করেন। বিধি বাম , নদীর প্রচন্ড ¯্রােত আর নদীর গভীরতা ওই পারিস্থিতিতে তার বোধ গর্ম্যরে বাইরে ছিল বলে শিরিনার বিভিন্ন সময়ের বক্তব্যের বিশ্লেষনে ধারনা করা হয়। যারফলে মা সন্তান উভয়ই পানির ¯্রােতে ভেসে যায়। এতে মা প্রাণে বেঁচে গেলেও শিশু সন্তান ২টির সন্ধান পাওয়া যায়না। পরে গত ৫সেপ্টস্বর ৩বছর বয়সের মেয়ে আয়শার লাশ উদ্ধার পরদিন ৬ সেপ্টম্বর ৭ মাসের শিশু রাকিবুলসহ দুই জনের গলিত লাশ জিনজিরাম নদী থেকে পুলিশ উদ্ধার করেন।
এ প্রসঙ্গে রৌমারী থানার (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম জানান, দুই শিশু হত্যার বিষয় ১২ জন আসামী করে অগ্যাত আর ২০/২৫ জন এর নামে হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে বলে তিনি জানান। এবং ঔ ঘটনায় দুই শিশুর মা শিরিনাকে কুড়িগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়েছে সেই সাথে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। অপরদিকে আসামীদের আটক এর জন্যেও জোড় তৎপরতা চালাচ্ছে।
