নজির আহাম্মদঃ বিশ্বমুক্ত গণমাধ্যম দিবস ২০১৭ উপলক্ষে সাংবাদিকদের বৃহৎ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অর্গানাইজেশন (এফ.বি.জে.ও) এর আহ্বায়ক এস. এম মোরশেদ এর নেতৃত্বে সকল সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে সাথে নিয়ে মতিঝিল, শাপলা চত্বর থেকে ৩রা মে জাতীয় প্রেস ক্লাবের উদ্দেশ্যে বর্ণাঢ্য র্যালী বাহির করা হলে সাংবাদিক সংগঠনগুলির মধ্যে ব্যাপক উৎসব মুখর পরিবেশ সৃষ্ঠি হয়। এতে অংশগ্রহণ করে সারা দেশ থেকে আগত ফেডারেশন অব বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অর্গানাইজেশন (এফ.বি.জে.ও) অধিভুক্ত সংগঠনগুলির মধ্যে সাপ্তাহিক পত্রিকা পরিষদ, ঢাকা পূর্বাঞ্চল সাংবাদিক ইউনিটি, ইকোনমিক মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন, ডেমরা প্রেসক্লাব, ঢাকা জার্নালিস্ট সেন্টার, এশিয়ান জার্নালিস্ট চ্যারিটেবল সোসাইটি, জাতীয় সংবাদ সংস্থা, রুর্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আর.জে.এফ) সহ অন্যান্য সংগঠনগুলো। এবারের প্রতিবাদ্য বিষয় গণমাধ্যমের ভূমিকাই সমাজের অপরাধমূলক কর্মকান্ড নিবৃত্ত করতে পারে। র্যালী শেষে সাপ্তাহিক পত্রিকা পরিষদের মহাসচিব এস এম মোরশেদ এর সভাপতিত্বে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অর্গানাইজেশন (এফ.বি.জে.ও) বক্তব্য রাখেন, ঢাকা পূর্বাঞ্চল সাংবাদিক ইউনিটি সভাপতি নজির আহাম্মদ, সিনিয়র সহÑসভাপতি ওমর ফারুক জালাল, দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হাসান, ইকোনমিক মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন এর চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বক্তব্য শেষে সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলে আলোচনা সভায় যোগদান করেন। ডঃ উৎপল কুমার সরকার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এর সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সাপ্তাহিক পত্রিকা পরিষদের মহাসচিব এস এম মোরশেদ, ঢাকা পূর্বাঞ্চল সাংবাদিক ইউনিটি সভাপতি নজির আহাম¥দ, সিনিয়র সহÑসভাপতি ওমর ফারুক জালাল, ইকোনমিক মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন এর চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামানসহ অন্যান্য সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সভায় বক্তারা সাংবাদিকদের অধিকার আদায় ও সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানান অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দের নিকট। নজির আহাম¥দ বলেন তৃণমূল ও মধ্যমসারির সাংবাদিকসহ সকল সাংবাদিকদের জন্য অর্থ মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে বাজেট ঘোষণার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ওমর ফারুক জালাল বলেন আমার বাংলাদেশের সকল সাংবাদিকদের স্বাধীনতা চাই। আমরা যারা সম্পাদক আছি আমরা সাংবাদিকদের প্রতি টর্চার না করে বন্ধু ভেবে আপন করে সুশৃঙ্খলভাবে সাংবাদিকতার সুযোগ করে দিতে চাই। তিনি আরো বলেন আজকে আমাদের সাংবাদিকতা কোথায় চলে গেছে? শিল্পপতিদের হাতে গণমাধ্যম নির্ভর হয়ে যাচ্ছে। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আকর্ষন করে বলেন গণমাধ্যমকে শিল্পপতিদের হাতে আর নয়। গণমাধ্যমকে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান। শিল্পপতিরা গণমাধ্যম দখল করে ফেলছে এটা দেশের জন্য ভালো লক্ষন হতে পারে না বলে অভিযোগ করেন।

