প্রশাসন ও দলীয় লোকের ছত্র ছায়ায় চলছে অটো রিক্সার কার্ড বানিজ্য

0
666

সাংবাদদাতা: রাজধানীতে বেড়ে উঠেছে ব্যাটারী চালিত অটো রিক্সার চাঁদা বাজি, যে সকল যান বাহন চলাচলের কোন অনুমতি নেই ঐ সকল যানবাহন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে টাকা ও কিছু অসাধু দলীয় লোকের প্রভাবে সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায় রাজধানী ওয়ারী বিভাগ জুড়ে চলছে অনুমোদনহীন ব্যাটারী চালিত অটো রিক্সা। আর এ সকল যান বাহন চলছে কিছু দলীয় লোকের কার্ড বানিজ্যের মাধ্যমে। প্রতিটি ব্যাটারী চালিত অটো রিক্সার গায়ে লাগানো থাকে অনেক ধরনের বিচিত্রময়ী মার্কাকার্ড। কোন কার্ডে দেখা যায় প্রজাপতি, কোনটায় হাঁস আবার কোনটায় গোলাপ ফুল আর মাছ মার্কা।

Advertisement

এর মাঝে চোখ পড়ে আরো একটি কার্ডের উপর। যার একটির গায়ে লেখা জাতীয় দৃষ্টিহীন ও প্রতিবন্ধী সংস্থা। যার ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রেশন নং ১৫৫৮। এ সকল কার্ডের বিষয় জানতে চাইলে চালকরা জানায় প্রতি কার্ডের জন্য নেওয়া হয় ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা। এ কার্ড ব্যবহার করে তাড়া পুরো ওয়ারী বিভাগে চলতে পারবে। এটাই তাদের চলাচলের লাইসেন্স। কে বা কারা এ কার্ড বিক্রি করছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা গ্যারেজ মালিকের কাছ থেকে কার্ড নেই।

আবার কেউ বলে সরাসরি কার্ডের মালিকের কাছ থেকে সংগ্রহ করি। অবশেষে অনুসন্ধানে বেড়িয়ে আসে কার্ড মালিকের নাম। হাঁস মার্কার মালিক শরীফ, এটা দেখাশুনা করে মনির নামের এক ব্যক্তি। প্রজাপতির মালিক আলমগীর, এটা দেখা শুনা করে মনির নামের এক ব্যক্তি। অন্ধ প্রতিবন্ধি কার্ডের মালিক মামুন। এক পর্যায় প্রজাপতি মার্কার মনির গণ মাধ্যমকে জানায় তাদের ২৫০-৩০০ গাড়ী চলে। প্রতিটি গাড়ী থেকে নেওয়া হয় ৭০০ টাকা।

আর চালক জানায় তাদের কাছ থেকে ১০০০ টাকা নেওয়া হয়। ঠিক একই অবস্থায় এই কার্ড বানিজ্য করে আসছে অন্য সকল কার্ড মালিকরা। প্রজাপতি মার্কা কার্ডের মালিক আলমগীর জানান সে প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই তার এই কার্ড বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি নিজেকে ঢাকা মহানগর যুব লীগের সদস্য বলে পরিচয় দেন।

অন্যদিকে দেখা যায় হাঁস মার্কা গোলাপ ফুল অন্ধ প্রতিবন্ধি কার্ড দলীয় পরিচয়ে চলছে। এ সকল জান বাহন প্রশাসনের সামনে দিয়ে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। প্রশাসন দেখেও না দেখার বান করে বসে আছে। এতে বুঝা যায় আইনের চোখ অন্ধ। বিস্তারিত আসছে আগামী সংখ্যায়।

আর চালক জানায় তাদের কাছ থেকে ১০০০ টাকা নেওয়া হয়। ঠিক একই অবস্থায় এই কার্ড বানিজ্য করে আসছে অন্য সকল কার্ড মালিকরা। প্রজাপতি মার্কা কার্ডের মালিক আলমগীর জানান সে প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই তার এই কার্ড বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি নিজেকে ঢাকা মহানগর যুব লীগের সদস্য বলে পরিচয় দেন।

অন্যদিকে দেখা যায় হাঁস মার্কা গোলাপ ফুল অন্ধ প্রতিবন্ধি কার্ড দলীয় পরিচয়ে চলছে। এ সকল জান বাহন প্রশাসনের সামনে দিয়ে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। প্রশাসন দেখেও না দেখার বান করে বসে আছে। এতে বুঝা যায় আইনের চোখ অন্ধ। বিস্তারিত আসছে আগামী সংখ্যায়।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here