ধামরাইয়ে ঘুুুমন্ত মাকে গলা কেটে হত্যা

0
692

কামরুল হাসানঃ

Advertisement

ঢাকার ধামরাইয়ে ঘুমন্ত বৃদ্ধা মাকে গলা কেটে হত্যার করার পর তার মায়ের চিৎকারে ছুটে আসা বাবা ও ভাইকে কুপিয়ে জখম করেছে মানসিক ভারসাম্যহীন ঘাতক ছেলে।  নিহত মায়ের নাম জামিনা বেগম (৫৮)। আহত বাবার নামে আব্দুল বাসের (৬২) এবং বড় ভাইয়ের নাম মাহমুদুল ইসলাম রতন (৩০)। গতকাল রবিবার (২৯ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে ধামরাইয়ের রোয়াইল ইউনিয়নের খরারচর পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

রোয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম শামসুদ্দিন মিন্টু জানান, রায়হান স্থানীয় খরারচর আলিয়া মাদ্রাসায় লেখাপড়া করার সময় ২বছর আগে হঠাৎ মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। তবে মাঝে মধ্যে সে আবার স্বাভাবিক আচরণও করে। রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে ভারসাম্যহীন রায়হান ঘরে থাকা দা দিয়ে তার ঘুমন্ত মা জামিনা বেগমের গলা কাটে। জামিনা বেগমের চিৎকার শুনে তার স্বামী বাসের ও বড় ছেলে রতন ঘুম থেকে উঠে এসে রায়হানের হাতে রক্তমাখা দা দেখে তাকে থামানোর চেষ্টা করলে এ সময় তাদের ও কুপিয়ে জখম করা হয়। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে জামিনা বেগমকে রক্তাক্ত ও মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। তারা মুমূর্ষু অবস্থায় পড়ে থাকা বৃদ্ধ বাসেদ ও তার ছেলে রতনকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ সময় ভারসাম্যহীন রায়হানকে আটক করে প্রতিবেশীরা ধামরাই থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। বৃদ্ধ আব্দুল বাসেদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে। তবে আহত রতন আশঙ্কামুক্ত।
ধামরাই থানার এসআই কামাল হোসেন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে রায়হান মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ার কারণেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে এর পেছনে অন্য কোনো বিষয় রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here