আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিলেন আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হয় তখন, যখন আমার বান্দা আমাকে সিজদা করেঅতঃপর জিবরাইল (আ:) আল্লাহ কে সিজদা করলেন ৩০ হাজার বছর ধরে। জিবরাইল (আ:) মনে মনে খেয়াল করলেন আমার থেকে এত বড় দামি সিজদা দুনিয়ায় আর কেউ করতে পারবে না আল্লাহ তায়ালা নিশ্চয়ই আমার প্রতি খুশি হবেন। জিবরাইল (আ:) আল্লাহ তায়ালার দিকে মতাজ্জির হয়ে রইলেন। কিন্তু আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে কোন সংবাদ জানানো হলো না। জিবরাইল (আ:) আল্লাহ তায়ালা কে জিজ্ঞেসা করলেন? আল্লাহ আমি যে এত বড় সিজদা করলাম আপনি কি আমার সিজদার প্রতি খুশি হন নাই। আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিলেন আমি তোমার প্রশ্নের জবাব দেবো। তার আগে তুমি একটু আমার আরশে আজিমের দিকে তাকাও। জিবরাইল (আ:) তাকিয়ে দেখলেন আল্লাহর – কুদরতি নূর দ্বারা লিখা রয়েছে। ❝লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ❞ জিবরাইল (আ:) আল্লাহ তায়ালা কে জিজ্ঞেসা করলেন!! হে আল্লাহ, আমার সিজদার সঙ্গে ওই কালেমার কি সম্পর্ক?আল্লাহ তায়ালা বললেন ও জিবরাইল আমি আল্লাহ এই দুনিয়া তৈরি করব। ওই দুনিয়ায় মানবজাতি ও জ্বীন জাতি হেদায়েতের জন্য লক্ষাধিক নবী ও রাসুল কে পাঠাব। সর্বশ্রেষ্ট ও সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (স:) কে পাঠাব। ওই নবীর উম্মতের উপর আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করব। আর প্রতি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে ১৭ টা রাকাত আমার জন্য ফরজ করব। প্রত্যেক টা রাকাতের মধ্যে দুটি করে সিজদা হবে। আর প্রত্যেকটা সিজদার মধ্যে তিনবার করে ” সুবহানা রাব্বিয়াল আলা ” পাঠ করবে। জিবরাইল তুমি জেনে রাখো আমার ওই মাহাবুব নবীর উম্মত যখন সিজদায় গিয়ে ❝সুবহানা রাব্বিয়াল আলা❞ বলে আমাকে ডাক দিবে। জিবরাইল তুমি ৩০ হাজার বছর সিজদা করে যে নেকি পেয়েছো। আমি আল্লাহ আমার বান্দার আমল নামায় তার থেকে ৪০ হাজার গুন বেশি নেকি লিখে দিব।

