চট্টগ্রাম লালখান বাজারের নির্ভরযোগ্য অভিভাবকের নাম কাউন্সিলর মানিক

0
643

রাশেদুল ইসলাম: চট্টগ্রাম ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মানিক সৎ ও যোগ্য হওয়ায় একাধিকবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। ১৪ নং ওয়ার্ড লালখান বাজার আজ উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে, এমনটাই বললো ১৪ নং ওয়ার্ডের সাধারণ জনগণ। মরহুম আলহাজ্ব মকবুল আহম্মেদের সুযোগ্য ছোট সন্তান কাউন্সিলর মানিক। ছোট বেলা থেকে বাবার আদর্শে আদর্শিত বাবা ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী। বাবার হাত ধরে ব্যবসায়ে মনোনিবেশ হন কাউন্সিলর মানিক। ১৯৮২ সালে ঠিকাদারী পেশায় যুক্ত হন। তখন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে রাজনীতিতে হাতে খড়ি দেন। ঠিকাদারী ব্যবসার ফাকে দলের সাংগঠনিক কাজে ও সময় দিয়েছেন। ব্যাক্তি উদ্যোগে মানুষকে নিজস্বার্থ ভাবে সেবা দিয়ে গিয়েছেন। সব শ্রেণী পেশার মানুষের সমর্থন নিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচন করেন। শর্তস্ফুর্তভাবে ১৪ নং ওয়ার্ডবাসী ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন মানিককে। ভাল কাজের প্রতিদানতো থাকবেই উন্নয়ন মূলক কাজ অব্যাহত থাকার কারণে বার বার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। টাকা ১৪ বছর কাউন্সিলরের দায়িত্বে আছেন। একান্ত সাক্ষাতে অপরাধ বিচিত্রাকে বলেন, ১৪ নং ওয়ার্ডবাসীর ভালবাসা পেয়ে আজ আমি কাউন্সিলর মানিক, সকল শ্রেণী পেশায় মানুষের ভালবাসায় আজ আমি এতোদূর আসতে পেরেছি। জনগনই আমার প্রান তাদের আমানত তাদের অধিকার খর্ব করার আমার কাজ না, জনগণের জন্য রাষ্ট্রের সকল বরাদ্দ সঠিকভাবে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কতোটুকু পেরেছি জানিনা, জনগণ এবং আপনারাই মূল্যায়ন করুন। ১৪ নং ওয়ার্ডে সকল রাস্তাঘাট ড্রেন, কালর্ভাট, মসজিদ, মন্দির এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারী এবং নিজ উদ্দ্যোগে বরাদ্দ দিয়ে আসছি। আর উন্নয়ন মূলক কাজ চলছে এবং আগামীতে ও চলবে।

Advertisement

তবে কিছু সন্ত্রাসী বাহিনীর কারণে উন্নয়ন মূলক কাজে কিছুটা হলেও ব্যাহত হয়। শুধু কাজে ব্যাহত হয়না। রীতিমতো এদের প্রাননাশের হুমকি ধামকি আছে। আল্লাহর রহমতে মানুষের ভালবাসা পেলে বর্তমানে আছি এবং আগামীতেও জনগনের পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ। লালখান বাজারে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে অস্থীতিশীল পরিবেশ বিরাজ করছে বিভন্ন গ্রুপের নাম শোনা যাচ্ছে আর আপনার গ্রুপের নাম কি? উত্তরে তিনি বলেন আপনার যা জানেন আমি ও তো জানি তবে যতোটুকু শুনেছি এবং দেখতে পাচ্ছি মাছুম গ্রুপ, বেলাল গ্রুপ এই দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে এলাকায় মারামারি কাটাকাটি চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।

আর প্রশাসন সুযোগে ফায়দা লুটে যাচ্ছে। আজ জনগণ এদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। তিনি আরো বলেন কিশোর গ্যাংয়ের গড ফাদার দিদারুল আলম মাছুম সমাজের যতোরকম অনিয়ম দুর্নীতি আছে সব কিছুর গড ফাদার মাছুম ও বেলাল, খুন, ধর্ষন, মাদক চোরা কারবারী, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, সব কিছুর মূল নায়ক দিদারুল আলম মাছুম।

আরো স্পর্শ কাতর করার কিছু বিষয় আছে জাতিকে আপনাদের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া দরকার তবে এরা যে কোন সময় আমাকে মেরে ফেলতে পারে।

* মুজীব হত্যার এক নাম্বার আসামী মাছুম

* রিপন হত্যার এক নাম্বার আসামী মাছুম

*মমিন হত্যার হত্যার এক নাম্বার সাজাপ্রাপ্ত আসামী মাছুম। কমার্স কলেজের ছাত্র ছিল মমিন। বাসা ছিল মোগলটুলী।

* দশ অস্ত্র মামলার আসামী মাছুম ।

* মাছুমের সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিল সাজ্জাদ ঢাকায় মার্ডার করেছিল এই মাছুম।

*এক রিক্সাওয়ালাকে ভাড়া টাকার জের ধরে মার্ডার করেছিল। মাছুমের ছোট ভাই সুমন ও মাছুম। সেই মামলার মূল আসামী মাছুম ও সুমন। কিন্তু সেখানে মিথ্যা মামলার স্বীকার হয়ে শওকত ও আমিন আজ আসামী।

* খোকন শরিফ মাছুমের নির্দেশেই মার্ডার হয়।

* হাই লেবেল রোডে টেম্পু শরিফকে কুপিয়েছে মাছুম ও তার গ্যাং বাহিনী।

* দিদারকে ছুরি মেরে হত্যা করে এই মাছুম।

* শংকরকে কুপিয়ে মেরেছে এই মাছুম।

* মাছুমের গ্যাং বাহিনীর সদস্য সুদীপ্ত হত্যা মামলার আসামী বাপ্পীকে দিয়ে আরিফকে কুপিয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের গড ফাদার দিদারুল আলম মাছুমের নির্দেশে।

* সিদ্দিক পাগলকে মেরে ফেলেছে এই মাছুম।

* সুদীপ্তকে গুলি করে মেরে ফেলেছে কিশোর গ্যাংয়ের গড ফাদার দিদারুল আলম মাছুম। তার গ্যাংবাহিনীর কিছু সদস্যদের নাম, হানিফ, ওয়াসিম, বাপ্পী, রহমত (পকেটমার), আল-আমিন, ইয়াবা সোহেল, আরো অনেক সন্ত্রাসী আছে। যাদেরকে বিভিন্ন অপরাধ মূলক কাজে বিভিন্ন সময়ে  ব্যবহার করে থাকে।

১৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আক্ষেপ করে বলেন, এতোগুলো মার্ডার মামলার আসামী কিভাবে ছাড়া পায় এবং দলে জায়গা পায়। সেটাই জাতি এবং রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন রইলো। মাছুমের ভয়েতে এলাকাবাসী তার অপরাধমুলক কর্মকান্ডের কথা জন সম্মুখে কিম্বা মিডিয়ার সামনে বলতে নারাজ। আর আমার কোনো গ্রুপ নাই আমার গ্রুপ ১৪ নং ওয়ার্ডের সকল শ্রেণীর পেশায় নিরীহ জনগণ।

তারা আমার পাশে আছে আর আগামীতে ও থাকবে ইনশাল্লাহ আর বেলালের বিষয় নিয়ে পরবর্তীতে মুখ খুলবে। তাই পরবর্তীতে মাছুম ও বেলালের স্পর্শকাতর কিছু বিষয় নিয়ে আসবে পরবর্তী সংখ্যায়।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here