রোকসানা আক্তার মজুমদার :
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার পশ্চিম জোড়কানন ইউনিয়নের সুয়াগাজী বাজারে আটটি রোডে চলাচলকারী সিএনজি-অটো ও মাইক্রোবাসের স্টেশন। টিএ হাই স্কুল গেইট থেকে চকবাজার, কাশিনগর রোড, পিপুলিয়া রোড, সাতবাড়িয়া রোড, পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড সহ মোট আটটি লাইনে সিএনজি অটো ও মাইক্রোবাসের চলাচল করে। চলাচলকারী ছোট বড় যানবাহন থেকে স্হানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাসমত উল্লা হাসুর যোগসাজশে তার বড় ছেলে লিটনের নিয়ন্ত্রণে ও মুচি পট্টির পাশের বাড়ি নেশাখোর দালাল রহমানের পরিচালনায় বেপরোয়া চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, সুয়াগাজী বাজারে অটো-সিএনজি চালক স্থানীয়দের বক্তব্যে উঠে আসে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজির ভয়াবহ তথ্য।
২সিএনজি চালক জানান যদি জিবির দৈনিক ৩০ টাকা না দেই তাহলে আমাদের টাঙ্গিয়ে মেরে টাকা বের করবেন। জিবি দেওয়ার আগ পর্যন্ত আমরা গাড়ি নিয়ে সূয়াগাজী বাজারে উঠতে পারবো না। আরেক ড্রাইভার জানান এই সব জিবি তুলেন বেতনভুক্ত কর্মচারীরা আর সবটাকা হিসেবনিকেশ রাখেন লিটন ও সহকারী রহমান। অনুসন্ধানে আরেক অটো চালক জানান দৈনিক ২০ টাকার জিবি কিন্তু তারা ৩০ টাকা আবার কখনও কখনও ৪০ টাকাও দিতে হয় তাদেরকে । আরও কয়েকজন সরজমিনের অজান্তে সব কিছুর কলকাঠিতে চাঁদাবাজির গডফাদার হিসেবে উল্লেখ করেন এলাকার গন্যমান্য চেয়ারম্যান হাসুকে। সুয়াগাজী টু দাতামার জিবি সংগ্রহ কারী হারুণকে জিজ্ঞেসবাদে হারুন বলেন ২০ টাকা জিবি আর ১০ টাকা আমি মসজিদে দেই তাই প্রতিগাড়ি ৩০ টাক করে জিবি নেই।
এই যানবাহনের জিবি ছাড়াও বের হয়ে আসে বাজারের আরও বেশকিছু ক্রাইমের ভয়াবহ চিত্র…
ধারাবাহিক ভাবে চলবে

