ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ৪ নং কাঠালিয়া সদর ইউনিয়নে চলছে জমজমাট মাদক ব্যবসা, গোপন তথ্যে পাওয়া গেছে, ১, দক্ষিণ আউরা বেলি ব্রিজ সংলগ্ন রয়েছে বড় একটি ইয়াবা গাজার স্পোর্ট।২, কাঠালিয়া বাইপাস মোড়ে প্রতিদিন সন্ধায় বসে একটি মাধক বিক্রর আড্ডা, ৩, দক্ষিণা আউরা জমাদ্দার বাড়ির এলাকায় সন্ধান রয়েছে আরও একটি মাদকের স্পর্ট, ৪, বাসস্ট্যান্ড রাড়ী সুমনের বাড়ির সামনে বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা। ৫, পশ্চিম আউড়া বালাবাড়ী রোডে নয়ন বালার বাড়ির পাশে বিক্রি হচ্ছে ফেন্সিডিল ও ইয়াবা, ৬,ফাজিল মাদ্রাসা সংলগ্ন কালা মামুনের বাড়ির সামনে রয়েছে একটি গাজার ষ্পর্ট। ৭, কলেজ রোড সিনেমাহলের সামনে মৃত্যু সন্ত্রাস করিমের বাড়ির পাশে চলছে জমজমাট গাজার ব্যবসা, ৮, কাঠালিয়া টিএন্ডটি অফিসের সামনে একটি প্রভাবশালী মহল চিপস খাওয়ার ছলে বিক্রি করছে, ইয়াবা। ৯, উত্তর আউড়া আকন পাড়ায় সৈকতের বাড়ির পাশে জমজমাট চলছে ইয়াবা ব্যবসা, ১০, কাঠালিয়া লঞ্চঘাটের রোডে ইদগা ময়দান সংলগ্ন খায়রুলের বাড়ির পাশে চলছে গাজা, ডেন্ডরাইট গামের ব্যবসা ।
১১, কাঠালিয়া গার্লস স্কুলের পিছনে রোডে মৃত্যু সোহানের বাড়িতে চলছে গাঁজা ইয়াবা, ১২, গার্লস স্কুলের পূর্ব পার্শ্বে মৃধার বাগানে, পিনিক মৃধার বাড়ির সাথে চলছে ইয়াবা, গাজা, এরা কখনো কখনো ইয়াবা ট্যাবলেটের নামে চালিয়ে দিচ্ছেন ব্যাথার ট্যাবলেট । কাঠালিয়া স্কুল রোডে সুরিদের বাড়ির সামনে রয়েছে একটি ইয়াবার স্পর্ট।
১৩ থানাপাড়া রোডে বড় কাঠালিয়া সংলগ্ন স্বপন মিয়ার বাড়ির সামনে বড় ধরনের একটি গাজা ও ইয়াবার ডিলার রয়েছে। ১৪, হাসপাতাল বাউন্ডারির পাশে তনু ও মেহেদির বাসার পাশে ফেনসিডিল, ইয়াবা, ঠোঙ্গা, নামের নেশার আস্তানা রয়েছে সেখানে।
১৪। ১ নং চেচরীরামপুর ইউনিয়নের বানাই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভিতরে সন্ধ্যায় তরুণ স্কুল পড়ুয়া ছাত্ররা এই গাজার আড্ডা জামায়।
এ বিষয়ে কাঠালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহমুদুল হক নাহিদ সিকদার বলেন, বিষয়টি আমরাও জানি এবং মানুষের কাছে শুনতে পাই, কিন্তু হাতেনাতে না ধরতে পাড়ায়, পুলিশ এদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারছেন না।
এ বিষয়ে কাঠালিয়া থানার অফিসার্স ইনচার্জ মুরাদ আলী জানান আমার কোনো স্পটের কথা জানা নাই। এ ব্যাপারে এক ব্যক্তি বলেন আমার নাম প্রকাশ করবে না, তিনি জানান এ বিষয়ে আমি বহু দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েও এখন প্রজন্ত কোন ফল পাইনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন আমরা মাদক ব্যবসায়ীদের ধরলেও আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে জামিন নিয়ে আসেন তারা।

