ষ্টাফ রিপোর্টঃ এলাকাবাসী জানান কমলাপুর বিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত পূনঃবাসন এলাকার লিফটবিহীন-সিঁড়ির রেলিংবিহীন ৪৩/২৫, অতীশ দিপাঙ্কর সড়ক এ সিলেটবাসী মোঃ দেলোয়ার হোসেন সর্বোচ্চ ভবনটির মালিক। ভবনটির ১ম তলায নয়েছে ৩টিঁ দোকান, ১টি অফিস ও ১ ঘর ভাড়াটিয়া, ২য় ও ৩য় তলার পুরোটা রমনা চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টার, ৪র্থ তলার ৩ ইউনিট জুড়ে আছেন বাড়িওয়াণা নিজে আর ১টি ইউনিট এখনো ভাড়া দেননি, ৫ম থেকে ৮ম তলা পর্যন্ত ১৬ ঘর ভাড়াটিয়া, ৯ম ও ১০ম তলা এখনও অসম্পূর্ন। সাদা কাগজের সিøপের মাধ্যমে বাড়িওয়ালা ম্যানেজার মিঃ রয়েল ও কেয়ারটেকার মিঃ সত্তার -এর মাধ্যমে প্রতিমাসে ভাড়া আদায় করছেন, দিচ্ছেন সরকারী ট্যাক্স ফাঁকি। পাশাপাশি ভাড়াটিয়াদেও করছেন নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত। বহুদিন যাবৎ অপরিষ্কার ও সুয়ারেজ ময়লা যুক্ত পানি ব্যবহার করতে বাধ্য করছেন ভাড়াটিয়াদেরকে। ভূক্তভুগিরা জানান পানি ফুঁটালে সাদা গ্যাঁজায় পাত্র ভরে যাচ্ছে। পানি ফুঁটানোর পরও সেই সাদা গ্যাঁজা বিদ্যমান থাকছে পাত্র। মজার ব্যপার হলো, রমনা চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টার ও এই পানি দিয়ে রান্না করে ভোক্তা বিদায় করে চলেছেন। কেউতো কিছু বলছেন না কারণ দাপট রয়েছে দেলোয়ার-রয়েল-সত্তার চক্রের-যেন গণতান্ত্রিক দেশে এক নায়কদের বাহাদুরী। সচেতন মহলের দাবী, বন্ধ হোক দেলোয়ার-রয়েল-সত্তার চক্রের সকল হয়রানি, নির্যাতন ও আইন বিরোধী কার্যকলাপ
