আদাবরে যুবলীগ নেতার সাফ কথা-যোগ্য কর্মীর যোগ্য নেতা

0
1234

এস.ডি-বাবু:“এ টিচার ইজ এ গুড এসেট অব পিউপিলস্ মাইন্ড” অর্থাৎ একজন শিক্ষক ছাত্রদের মাথার সম্পদ। রাজনৈতিক মাঠেও একজন নেতা একজন কর্মীর শিক্ষক। যদি নেতা কিèন ইমেজের রাজনীতি করে তাহলে তার কর্মীরাও ক্লিন রাজনীতি করতে বাধ্য। আমাদের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাদেক খাঁন রাজনীতির শুরু থেকেই ক্লিন রাজনীতি করতেন বিধায় আজ তার এত জনপ্রিয়তা। কথাগুলো বলছিলেন-আদাবর থানার যুবলীগের আহবায়ক: আরিফুর রহমান তুহিন। বিগত রমজানে আদাবর থানার যুবলীগের কর্মীরা সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাদেক খাঁনের সুস্থতা ও মঙ্গল কামনার জন্য ১০০ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: বাচ্চু মিয়ার ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক অফিসে দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন। কিন্তু এই প্রতিবেদকের অসুস্থতার কারণে ঐ সময় প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়নি। বর্তমানে ৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও বহিস্কৃত যুবলীগ নেতা রাজীবের কুকৃর্তির কথা আরিফুর রহমান তুহিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন লোকমুখে শুনেছি রাজিবের পাশে অসংখ্য খারাপ লোক ছিল বিধায় আজওর এই করুন পরিনতি আমাদের সংসদ সদস্য এক সময়ে ছাত্রলীগের তুখোর নেতা ছিলেন এবং পূর্ব থেকেই তারা উচ্চবংশের এবং দানবীর পরিবার হিসাবে পরিচিত। বর্তমানে আমাদের শিক্ষাগুরু, আমাদের অভিভাবক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাদেক খাঁন, এতে আমাদের কারো মনে বিন্দুমাত্র দ্বিমত নেই।

Advertisement

১০০ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: বাচ্চু মিয়ার কাছে জননন্দিত এই নেতার এত জনপ্রিয়তার কারণ জানতে চাইলে তিনি হাসিমুখে বলেন-ভাই আমরা তৃণমূলের রাজনীতি করি।

সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষের সাথে আমাদের যোগাযোগ আছে। সর্ব মহলেই এই সংসদ সদস্য অত্যন্ত জনপ্রিয়। সরকারের নিকট তার কিছু নেওয়া বা চাওয়ার নেই, তিনি পূর্বেই সরকারকে অনেক কিছু দিয়ে দিয়েছেন।

রাজধানী মোহাম্মদপুরের বৃহৎ বুদ্ধিজীবি কবরস্থানের বৃহৎ অংশই এই সংসদ সদস্যের দান করা জমি। স্কুলের শিক্ষক ছাত্রদের ভুলত্রুটি হলে যেভাবে শিক্ষা দেয়, ঠিক সেভাবেই আমাদের শিক্ষাগুরু আমাদের ভুলত্রুটি হলে আমাদের যে শিক্ষা দেবে তা আমরা মাথা পেতেই নিবো।

সদা হাস্যেজ্বল বাচ্চু মিয়া আমাদের সংসদ সদস্যের আরেকটি জনপ্রিয়তার কারণে দেখালেন-তার ছেলে উত্তর আওয়ামীলীগের নেতা ফাহিম খানের স্বচ্ছতা ও বিচক্ষণতার রাজনীতির কারণে। তরুণ প্রজম্মের কাছে ফাহিম খান অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন নেতা। সংসারের পিতা যদি সৎ ও ন্যায়পরায়ন হয় তাহলে তার সন্তানও তার মতোই হবে-এটাই স্বাভাবিক। ফাহিম খানই তার দৃষ্টান্ত।

আমি বাচ্চু মিয়ার এই কথার সাথে একমত-কারণ আমি ফাহিম খানকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি। বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৬/৭ মাস পূর্বে আমার পেশাগত দায়িত্ব পালনের স্বার্থে আমি  রায়ের বাজার এলাকায় অবস্থান করি। আমার সাথে সেদিন র‌্যাব-২ এর সিনিয়র ডিএডি জাহিদ সাহেব ও আরও ৮/১০ জন র‌্যাব কর্মকর্তা ঐ এলাকায় উপস্থিত ছিল। ফাহিম খান আমাদের সবাইকে তার অফিসে চায়ের আমন্ত্রণ জানান।

সেদিন তিনি র‌্যাব কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন-আমার এলাকায় কোন মাদক ব্যবসায়ী এবং সন্ত্রাসী যাতে থাকতে না পারে। আমার পিতা বা আমার নাম ভাঙ্গিয়ে কেউ যদি মাদক ব্যবসা সহ সন্ত্রসী কর্মকান্ড করে তাহলে তাকে আরও বেশী করে শায়েস্তা প্রদান করিবেন। এমনকি আমাদের আত্মীয়তার পরিচয় দিলে তাকেও কোন ছাড় দিবেন না।

সেদিন ফাহিম খানের সেই উক্তিগুলো আমাদের সকলের হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছিল এবং আমাদের ধারণা হয়েছিল যে, ভবিষ্যতে যদি ফাহিম খান তার পিতার যোগ্য উত্তরসূরী হয় তাহলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাদেক খান এবং তার যোগ্য উত্তরসূরী পুত্র ফাহিম খানের মত নেতা পেয়ে আরিফুর রহমান তুহিন এবং মো: বাচ্চু মিয়া নিজেদেরকে ভাগ্যবান বলে মনে করছেন।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here