আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সিলেটে জনসভার অনুমতি পাওয়ার ইশারা পেয়েও নাটক করছে।
এর আগেও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেও সমাবেশের অনুমতি পেয়ে একই কাজ করেছিল তারা আজ রবিবার দুপুরে রাজধানীর কলাবাগানে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটিতে ‘কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা: দেশের সার্বিক উন্নয়নের অনুঘটক’ শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ দাবি করেন। গত ১৩ অক্টোবর প্রথম কর্মসূচি হিসেবে সিলেট সফরের ঘোষণা দেয় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। তবে ২৩ অক্টোবর সিলেটে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে না পাওয়ার কথা জানিয়ে কর্মসূচি একদিন পিছায় তারা। তবে ২৪ অক্টোবরের সমাবেশের অনুমতিও এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন ফ্রন্ট নেতারা। প্রধানমন্ত্রী সব দলকে সমাবেশের অনুমতি দেয়ার নির্দেশ দিলেও পুলিশ কেন সিলেটে ঐক্যফ্রন্টকে সমাবেশের অনুমতি দিচ্ছে না- এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অনুমতি নিয়ে নাটক করা তাদের পুরানো অভ্যাস। এর আগে তাঁরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঠিকই অনুমতি পেয়েছিল। কিন্তু এটা নিয়ে নাটক করতে দ্বিধা করেনি। অনুমতির ইশারা পুলিশ তাদের অলরেডি দিয়ে দিয়েছে।’ সিলেটে সমাবেশের অনুমতির ইশারা দেওয়া হলেও সরাসরি কিছু জানানো হয়নি কেন- এমন প্রশ্নে কাদের বলেন, ‘এখানে বড় বড় নেতারা যাবেন, তাদের নিরাপত্তার বিষয় রয়েছে। পুলিশ একটু খতিয়ে দেখছেন। কিন্তু অনুমতির বিষয়ে তাঁরা কিন্তু ইঙ্গিতও পেয়েছেন। অফিসিয়াল চিঠি দেয়ার আগ পর্যন্ত অহেতুক তাঁরা নাটক করবে। এটা তাদের পুরানো অভ্যাস।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমার তো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন- সভা-সমাবেশ তারা যেখানেই করতে চায় তাদের কোনও বাধা নিষেধ থাকবে না, থাকার কথাও না।’ এ ছাড়াও নির্বাচন কমিশনে বিভক্তির বিষয়ে বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য নিয়েও প্রতিক্রিয়া জানান আওয়ামী লীগের এই সিনিয়র নেতা। তিনি বলেন, ‘কমিশনের ভেতরে মতামতের বিষয়টি গোপনীয়। তারপরও তাদের মধ্যে মতবিরোধ থাকতে পারে। এটাই তো গণতন্ত্রের বিউটি। নির্বাচন কমিশন বিভক্ত বিষয়টি একেবারেই হাস্যকর।’

