৩৭টি মধ্যে ৩২টি চালকল বন্ধ রৌমারীতে খাদ্যগুদামে চাল সংগ্রহে অনিয়ম

0
636

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় চলতি ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে আমন মৌসুমে খাদ্যগুদামে চাল সংগ্রহে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অনিয়ম দুর্নীতির প্রতিকার চেয়ে চলমান চালকল মালিকগণ অভিযোগ তুলে ধরেন। উপজেলার খাদ্যকর্মকর্তার কার্যলয় সুত্রে জানা গেছে, উপজেলায় চলতি আমন মৌসুমে ৩ধাপে ৬শ’ ৫৫.৯৮ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৩৭ টি চালকল থেকে এই চাল সংগ্রহের চুক্তি করা হয়। প্রতিটি চুক্তিবদ্ধ চালকল সমুহের সর্বনি¤œ পাক্ষিক ছাটাই ক্ষমতার ভিত্তিতে সর্বনি¤œ ১৪ মেট্রিকটন সর্বোচ্চ ৩৫ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে।

Advertisement

গত ০১ ডিসেম্বর ২০১৮ শুরু থেকে ২৮ফেব্রুয়ারী ২০১৯ শেষ তারিখ পর্যন্ত ৩ ধাপে চাল সংগ্রহ শেষ করেছেন। খাদ্যগুদামের চাল সরবরাহের নীতিমালা অনুযায়ী চলমান চালকল, আলাদা চাতাল, আলাদা বিদ্যুৎ, ধান সিদ্ধ করার দুটি হাউস, বয়লার ও গুদামঘর আছে কি না, তা যাছাই বাছাই করে উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক চালকল মালিকদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ করে চাল সংগ্রহ করার কথা। চলমান চালকল মালিকগন বলেন আমরা কষ্ট করে চাল তৈরী করে খাদ্য গুদামে দিচ্ছি। অথচ পরিত্যক্ত চালকল মালিকগণ চাল তৈরী না করেই অনিয়মিত ভাবে খাদ্যগুদাম কর্মকর্তাদের সাথে যোগসাজস করে বাহির থেকে চাল কিনে গুদাম জাত করছে। ফলে কৃষককুল যেমন সরকারের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তেমনি সরকারেরও ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, যে সব চালকলের সাথে খাদ্যগুদাম চুক্তি করেছে সেগুলোর মধ্যে কর্তিমারীর মা চালকল ও রাসেল হাংকি মিল, প্রোঃ লিয়াকত আলী, হাসনাত চালকল প্রোঃ হাসিনা খাতুন সহ ৫টি চালকল চালু রয়েছে। অপর দিকে চালকল মালিক সমিতির সভাপতির চালকলসহ বাকি ৩২টি চালকল দীর্ঘদিন থেকে পরিত্যক্ত রয়েছে। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শিকদার বলেন, এব্যাপারে আমার বলার কিছু নেই আপনারা পত্রিকায় যা পারেন লেখেন। উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাককে জিজ্ঞাসা করলে তিনি রাগাম্বিত ভাবে বলেন, আমি কোন তথ্য দিতে পারবো না। চাল সংগ্রহ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার দ্বীপঙ্কর রায়কে চালকলগুলির বেহালদশার কথা বললে তিনি বলেন এমন বেহাল অবস্থার কথা আমি তো জানিনা এবং চাল সংগ্রহের বিষয়টিও তিনি কিছু বলেননি।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here