হযরত মুসা (আ:) ও খিজির (আ:) এর ঘটনা 

0
478

সহীহ বোখারী ৭৪। হাদীস: আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, এক সময় তিনি “হুর বিন কায়স” আল্‌ল্ফাযারীর সাথে ভারত মূসা (আঃ)-এর সাথীর ব্যাপারে ঝগড়ায় লিপ্ত হন। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, তিনি ছিলেন হযরত খিযির (আঃ)। অতঃপর তাঁরা উভয়ে মীমাংসার উদ্দেশ্যে হযরত উবাই ইবনে কা’ব (রাঃ)-এর কাছে গেলেন। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) ভাকে বললেন, আমি এবং আমার এ সাথী হযরত মূসা (আঃ)-এর সে সাথীর ব্যাপারে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়েছি, যার সাক্ষাতের জন্য তিনি আল্লাহর কাছে রাস্তা তালাশ করেছিলেন। আপনি কি নবী করীম (সঃ)-কে এ ব্যাপারে কিছু আলোচনা করতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি নবী করীম (সঃ)-কে এ প্রসঙ্গে বলতে শুনেছি, এক সময় হযরত মূসা (আঃ) বনী ইসরাঈলের কিছু নেতৃস্থানীয় ব্যক্তির সাথে আলোচনায় রত ছিলেন।

Advertisement

এ সময় এক ব্যক্তি হযরত মূসা (আঃ)-কে প্রশ্ন করলেন, আপনি কি জানেন, আপনার চেয়ে অধিক জ্ঞানী কেউ আছে? উত্তরে মূসা (আঃ) বললেন, না। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা হযরত মূসা (আঃ)-এর কাছে ওহী পাঠালেন, আপনার চেয়ে অধিক জ্ঞানী ব্যক্তিও আছেন, তিনি হলেন হযরত খিযির (আঃ)। এ কথা শুনার পর হযরত মূসা (আঃ) আল্লাহ পাকের কাছে হযরত খিযির (আঃ)-এর কাছে যাওয়ার রাস্তার বিবরণ চাইলে আল্লাহ পাক তাঁর সাক্ষাতের জন্য একটি মাছকে নিদর্শন বানান। আল্লাহ হযরত মূসা (আঃ)-কে জানিয়ে দিলেন, হে মূসা! তুমি এ মাছটি যেথায় হারাবে সেথায় ফিরে যাবে। কারণ সেখানেই তুমি খিযির (আঃ)-এর সাক্ষাত লাভ করতে পারবে। অতঃপর হযরত মূসা (আঃ) তাঁর এক যুবক সাথীকে নিয়ে বর্ণিত মাছটি হারানোর স্থান তালাশে বের হন। য়ছে। আর কোন ব্যক্তিকে আল্লাহ এলেম ও হেক অতঃপর যুবক বন্ধু মূসা (আঃ)-কে বললেন, হে নবী! আমি তো মাছটির কথা ভুলে গেছি। শয়তানই আমাকে এ কথা ভুলিয়ে রেখেছে। মূসা (আঃ) বললেন, আমরা তো ঐ স্থানের তালাশেই নেমেছি। অতঃপর তাঁরা যে পথ ধরে এসেছিলেন সে স্থানে ফিরে গেলেন। সেখানে যাওয়ার পর হযরত খিযির (আঃ)-এর সাথে তাঁদের সাক্ষাত হয়। তারপর তাঁদের মধ্যে ঐ ঘটনাই ঘটল, যা পবিত্র কোরআনে সবিস্তার আলোচিত হয়েছে।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here