গাজীপুরের শ্রীপুরে স্বামীকে ছয় টুকরা করার ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ঘাতক স্ত্রী। বৃহস্পতিবার সকালে হত্যার পর লাশ ওয়ারড্রবে রেখে কারখানায় গিয়ে ডিউটি করেন জেবুন নাহার।
পরে রাত ১১টার দিকে বাসায় ফিরে বঁটি দিয়ে কেটে ছয় টুকরা করে বস্তায় ভরে ময়লার ড্রামে ফেলে দেন তিনি। শনিবার গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার তার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান, স্বামীকে বেতনের টাকা না দেওয়া নিয়ে কলহের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত রফিকুল ইসলাম (৩০) ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার উলামাকান্দা গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে। তিনি পাঁচ বছর আগে নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার বিষমপুর গ্রামের চাঁন মিয়ার মেয়ে জেবুন নাহারকে বিয়ে করেন। রফিকুল গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি এলাকার হাউ আর ইউ এবং জেবুন নাহার মেঘনা কম্পোজিট কারখানায় চাকরি করতেন। পুলিশ সুপার জানান, রফিকুল বেতন পেতেন সাত হাজার টাকা ও জেবুন নাহার ১৩ হাজার টাকা। স্ত্রী তাকে টাকা না দিয়ে শাশুড়ির কাছে রাখায় প্রায় সময় কলহ হত। ঘটনার দিন সকালে রফিকুল স্ত্রীকে থাপড় মেরে খাটে শুয়ে থাকেন। পরে জেবুন নাহার ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এরপর গামছা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ ওয়ারড্রবে রাখেন। তাদের চার বছর বয়সী মেয়ে তখন শ্যালিকার বাসায় ছিল।

