উচ্চারণ:
আয়াত ২২:? হুয়াল্লাহুল্লাজি লা-ইলাহা ইল্লাহু আলিমূল গাইবি ওয়াস শাহাদাতি হুয়ার রাহমানুর রাহিম
আয়াত ২৩: হুয়াল্লা হুল্লাজ্বি লা-ইলাহা ইল্লাহু আল মালিকূল কুদ্দুছুছ ছালামূল মুউমিনুল মুহাইমিনুল আজিজুল
জাব্বারুল মুতাকাব্বিরু সুবহানাল্লাহে আম্মা ইউশরিকূন।
আয়াত ২৪: হুয়াল্লাহুল খালিকূল বারিউ মূল মূছাব্বিরু লাহুল আছমাঊল হুছনা ইউছাব্বিহু লাহু মাফিচ্ছামাওয়াতে ওয়াল আরদে ওয়াহুয়াল আজিজুল হাকিম ।
অর্থ:?
তিনিই আল্লাহ তাআলা, তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই; তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যকে জানেন তিনি পরম দয়ালু, অসীম দাতা।
তিনিই আল্লাহ তিনি ব্যতিত কোন উপাস্য নেই। তিনিই একমাত্র মালিক, পবিত্র, শান্তি ও নিরাপত্তাদাতা, আশ্রয়দাতা, পরাক্রান্ত, প্রতাপান্বিত, মাহাত্ম্যশীল তারা যাকে অংশীদার করে আল্লাহ তাআলা তা থেকে পবিত্র।
তিনিই আল্লাহ তাআলা, স্রষ্টা, উদ্ভাবক, রূপদাতা, উত্তম নাম সমূহ তাঁরই। নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময়।
সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াতের ফজিলত?!!
হজরত মাকাল ইবনে ইয়াসার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সকালে তিন বার আউজু বিল্লাহিস সামিঈল আলিমি মিনাশশাইত্বানির রাজিম সহ ‘সুরা হাশরের’ শেষ তিন আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য আল্লাহ তাআলা ৭০ হাজার রহমতের ফেরেশতা নিয়োগ করবেন।
সে ফেরেশতাগণ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার ওপর আল্লাহর রহমত প্রেরণ করতে থাকবে। যদি ঐ দিন সে ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেন তবে সে শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করবে। আর যে ব্যক্তি সন্ধ্যার সময় এ আয়াতগুলো পাঠ করবে তাঁর জন্যও আল্লাহ তাআলা ৭০ হাজার রহমতের ফেরেশতা নিয়োগ করবেন। যারা তাঁর ওপর সকাল হওয়া পর্যন্ত রহমত প্রেরণ করতে থাকবে। আর যদি ঐ রাতে সে মৃত্যুবরণ করে তবে শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করবে।
সোবাহানআল্লাহ। আমীন।

