( ১ ) অর্থাৎ তোমরা ভুল ধারণার শিকার হয়েছ । বৈষয়িক সম্পদের এ প্রাচুর্য এবং এর মধ্যে পরস্পর থেকে অগ্রবর্তী হয়ে যাওয়াকেই তোমরা উন্নতি ও সাফল্য মনে করে নিয়েছো । অথচ এটা মোটেই উন্নতি ও সাফল্য নয় । অবশ্যই অতি শীঘ্রই তোমরা এর অশুভ পরিণতি জানতে পারবে । [ইবন কাসীর, আদওয়াউল বায়ান (২) এখানে বা ‘যদি’ শব্দের জওয়াব উহ্য রয়েছে । অর্থাৎ উদ্দেশ্য এই যে, তোমরা যদি কেয়ামতের হিসাব-নিকাশে নিশ্চিত বিশ্বাসী হতে, তবে কখনও প্রাচুর্যের বড়াই করতে না এবং উদাসীন হতে না। [সা’দী | (৩) উপরে বলা হয়েছে (d) এর অর্থ সে প্রত্যয়, যা চাক্ষুষ দর্শন থেকে অর্জিত হয়। (আদওয়াউল বায়ান) ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, রাসূলু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, খবর কোনদিন চাক্ষুষ দেখার মত নয় । মূসা আলাইহিস্ সালাম যখন তূর পর্বতে অবস্থান করছিলেন এবং তার অনুপস্থিতিতে তার সম্প্রদায় গোবৎসের পূজা করতে শুরু করেছিল, তখন আল্লাহ তা’আলা তূর পর্বতেই তাকে অবহিত করেছিলেন যে, বনী ইসরাঈলরা গোবৎসের পূজায় লিপ্ত হয়েছে ।
কিন্তু মূসা আলাইহিস সালাম এর মধ্যে এর তেমন প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়নি, যেমন ফিরে আসার পর স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করার ফলে দেখা দিয়েছিল; তিনি ক্রোধে আত্মহারা হয়ে তাওরাতের তক্তিগুলো হাত থেকে ছেড়ে দিয়েছিলেন, ফলে সেগুলো ভেঙ্গে যায়। [মুসনাদে আহমাদ: ১/২৭১ | (৪) অর্থাৎ তোমরা সবাই কেয়ামতের দিন আল্লাহ প্রদত্ত নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে যে, সেগুলোর শোকর আদায় করেছ কি না, সেগুলোতে আল্লাহর হক আদায় করেছ কি না; নাকি পাপকাজে ব্যয় করেছ? [সা’দী] এতে সকল প্রকার নেয়ামত এসে যায় ।

