স্টাফ রিপোর্টারঃ সাংবাদিক সম্মেলনের পর টাউট-বাটপার এড. মাসুদুল আলমের অত্যাচারের মাত্রা বেপরোয়াভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি আপোষের মাধ্যমে মীমাংসার কথা বলে এখনো পর্যন্ত সোলেহনামায় লিখিত সাইন না করে মাসুদুল আলমের বাবা আর.এস. দাগ ১৬৮৩৬/৩৭, তাং- ০৬-১০-২০১৮ইং দীর্ঘ তিন যুগের চলাচলের রাস্তা লোহার গেইট দিয়ে বন্ধ করে দেয় এবং ভাড়াটিয়াদের চলাচলের রাস্তাও বন্ধ করে দেয়। যার হাটহাজারী থানার জিডি নং-৩০৮৫।
এরপর রেহেনা বেগমের পিতার জায়গার উপর আর.এস. দাগ ১৬৮৯৬/৯৭, তাং-১৫-১১-২০১৮ইং তারিখে পয়ঃনিষ্কাশন ড্রেন নির্মাণ করে। যার জিডি নং-৪২৮০। এর কিছুদিন পরে রেহেনা বেগম সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অপহরণ করার হুমকিও প্রদান করে এবং গোপনে ভিডিও চিত্র ভাইরাল করবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলে ৩১-১০-২০১৮ইং জুডিয়াসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ডায়রী করি। ডায়রী নং-৮৪/২০১৮ইং। গত ১৭-০২-২০১৯ইং তারিখে বাদীর পুকুরের সকল মৎস্য প্রকাশ্য দিবালকে ধরে নিয়ে যায় মাসুদুল আলমের বাবা-মা। বাদীর ফলজ ও বনজ গাছ কেটে আগুন লাগিয়ে দেয় এবং আদালতের নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে পুকুর পাড়ে দেওয়াল তোলার হুঁশিয়ারী প্রদান করছে। আমাকে যারা সহযোগিতা করেছে তাদেরকে টাউট-বাটপার বলে সাংবাদিক সম্মেলনের প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে মামলা করবে বলেও হুমকি দিয়ে চলেছে। উল্লেখ্য যে, অত্যাচারী এড. মাসুদুল আলম (বাবলু)- রেহেনা বেগম কর্মরত দৈনিক সন্ধ্যাবাণী পত্রিকার প্রকাশক ও সকল কর্মচারীবৃন্দদের অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করে এবং দেখে নেবে বলে হুমকি প্রদর্শন করে। এর প্রেক্ষিতে বাদী ২৫-০২-২০১৯ইং তারিখে জুডিয়াসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জিডি করে। জিডি নং-৬০/১৯। এড. মাসুদুল আলমের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে বাদী কোন উপায়ন্তর না দেখে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতিকে ০১-০৭-২০১৮ইং যার রিসিভ নং-১৫৩৪ অভিযোগ দাখিল করেও কোন সুরাহ পাওয়া যায়নি। পুকুর দখল, গাছ কাটা, বাড়ি দখল, রাস্তা দখল, ভাড়া ঘর দখল সহ হয়রানি ও অত্যাচার হতে রেহাই পেতে জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা কামনা করি।

