সাংবাদিক সম্মেলন করেও আইনজীবীর স্বেচ্ছাচারিতা ও অত্যাচারের কোনো পরিবর্তন ঘটেনি

0
1260

স্টাফ রিপোর্টারঃ সাংবাদিক সম্মেলনের পর টাউট-বাটপার এড. মাসুদুল আলমের অত্যাচারের মাত্রা বেপরোয়াভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি আপোষের মাধ্যমে মীমাংসার কথা বলে এখনো পর্যন্ত সোলেহনামায় লিখিত সাইন না করে মাসুদুল আলমের বাবা আর.এস. দাগ ১৬৮৩৬/৩৭, তাং- ০৬-১০-২০১৮ইং দীর্ঘ তিন যুগের চলাচলের রাস্তা লোহার গেইট দিয়ে বন্ধ করে দেয় এবং ভাড়াটিয়াদের চলাচলের রাস্তাও বন্ধ করে দেয়। যার হাটহাজারী থানার জিডি নং-৩০৮৫।

Advertisement

 

এরপর রেহেনা বেগমের পিতার জায়গার উপর আর.এস. দাগ ১৬৮৯৬/৯৭, তাং-১৫-১১-২০১৮ইং তারিখে পয়ঃনিষ্কাশন ড্রেন নির্মাণ করে। যার জিডি নং-৪২৮০। এর কিছুদিন পরে রেহেনা বেগম সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অপহরণ করার হুমকিও প্রদান করে এবং গোপনে ভিডিও চিত্র ভাইরাল করবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলে ৩১-১০-২০১৮ইং জুডিয়াসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ডায়রী করি। ডায়রী নং-৮৪/২০১৮ইং। গত ১৭-০২-২০১৯ইং তারিখে বাদীর পুকুরের সকল মৎস্য প্রকাশ্য দিবালকে ধরে নিয়ে যায় মাসুদুল আলমের বাবা-মা। বাদীর ফলজ ও বনজ গাছ কেটে আগুন লাগিয়ে দেয় এবং আদালতের নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে পুকুর পাড়ে দেওয়াল তোলার হুঁশিয়ারী প্রদান করছে। আমাকে যারা সহযোগিতা করেছে তাদেরকে টাউট-বাটপার বলে সাংবাদিক সম্মেলনের প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে মামলা করবে বলেও হুমকি দিয়ে চলেছে। উল্লেখ্য যে, অত্যাচারী এড. মাসুদুল আলম (বাবলু)- রেহেনা বেগম কর্মরত দৈনিক সন্ধ্যাবাণী পত্রিকার প্রকাশক ও সকল কর্মচারীবৃন্দদের অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করে এবং দেখে নেবে বলে হুমকি প্রদর্শন করে। এর প্রেক্ষিতে বাদী ২৫-০২-২০১৯ইং তারিখে জুডিয়াসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জিডি করে। জিডি নং-৬০/১৯। এড. মাসুদুল আলমের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে বাদী কোন উপায়ন্তর না দেখে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতিকে ০১-০৭-২০১৮ইং যার রিসিভ নং-১৫৩৪ অভিযোগ দাখিল করেও কোন সুরাহ পাওয়া যায়নি। পুকুর দখল, গাছ কাটা, বাড়ি দখল, রাস্তা দখল, ভাড়া ঘর দখল সহ হয়রানি ও অত্যাচার হতে রেহাই পেতে জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা কামনা করি।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here