স্টাফ রিপোর্টার: সাংবাদিক মো: মান্নান তালুকদার (মাহিন) এর উপর হামলাকারী টিআই জাকির হোসেন ও এএসআই লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে ডিএমপি কমিশনার বরাবর অভিযোগ দাখিলের পর তা নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে ডিএমপির যুগ্ন-কমিশনার। খুবই দ্রুত তদন্ত কার্যক্রম শেষে এবিষয়ে শুনানী করা হবে বলে জানানো হয়েছে। জনা গেছে, গত ২৮ নভেম্বর-২০২০ তারিখ সন্ধা সাড়ে ৭ টার সময় খিলগাও ফ্লাইওভার ব্রিজে উঠার সময়, পুলিশের একটি টহল টিম তাদের পেছন থেকে হর্ন বাজালে সাংবাদিক মাহিন তাদের সাইড দেয়।
ঐ টিমের ৪-৫টি মোটরসাইকেল সামনের দিকে চলে যায় এবং পেছনে থাকা ঐ টিমেরই ১টি মোটরসাইকেল তার সামনে দিকে এসে ব্যারিকেট দিয়ে তাকে গতিরোধ করে। এসময় এসআই তাহাজ্জুৎ মাহিনকে মোটরসাইকের থেকে নামতে বলে, সে মোটর সাইকেল থেকে নামার পর, এসআই তাহাজ্জুৎ তার ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখাতে বললে তিনি লাইসেন্স বের করে দেয়। অতপর সে লাইসেন্সটি তার পকেটে ঢুকিয়ে তার পেছনে পেছনে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে ফ্লাইওভারের মাঝ বরাবর টিআই জাকিরের কাছে নিয়ে যায়।
সে টিআই জাকির হোসেন পাশে গিয়ে দাড়ানোর পর এসআই তাহাজ্জুৎ আবার তার গাড়ির কাগজপত্র চায়। তিনি গাড়ির কাগজগুলো তার হাতে দিলে, সে সবগুলো কাগজ দেখে তার মধ্যে থেকে একটি কাগজ নিজের কাছে রেখে বাকীগুলো ফেরত দেয়। এরপর কোন কথা না বলেই তার গাড়ির নামে ১ হাজার টাকা জরিমানা পূর্বক একটি মামলা দেয়। অতপর মাহিন মামলা দেয়ার কারন জানতে চাইলে এসআই তাহাজ্জুৎ বলেন, রং পাকিংয়ের জন্য মামলা দেয়া হয়েছে। বেশী কিছু জানতে চাইলে টিআই স্যারের কথা বলেন।
মাহিন টিআই জাকির হোসেনকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, যে মামলা দিয়েছে তার কাছে যান। তিনি আবার এসআই তাহাজ্জুৎ এর কাছে মামলা দেয়ার কারন জানতে চাইলে সে কোন কথা বলে না। মাহিন একাধিক বার তাকে বলে যে, আপনি আমার গতিরোধ করে আমাকে থামালেন, আমি রং পার্কিং করলাম কিভাবে। এমন সময় ৮-১০ গজ দুরে থাকা এএসআই লুৎফর রহমান ছুটে মাহিনকে সজোড়ে থাপ্পর মেরে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেয়। অতপর তিনি উঠে দাড়ালে আবার আরো ৩-৪ পুলিশ কর্মকর্তা তার থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। সেখানে তার সাথে এমন দৃশ্য দেখে লোকজন জড়ো হয়ে গেলে টিআই জাকির হোসেন তাকে বলেন, পরের দিন যেন মাহিন তার অফিসে গিয়ে দেখা করে এবং তাকে দ্রুত চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। টিআই জাকির হোসেন দাড়িয়ে থেকে সব কিছু দেখেছেন।
কোন ব্যবস্থা গ্রহন কনেনি। অপরাধ বিচিত্রার স্টাফ রিপোর্টার মাহিন বলেন, প্রায় দুই আড়াই ঘন্টা পরে আমি আমার গলায় হাত দিয়ে দেখতে পাই, আমার গলায় থাকা ১ভরি ওজনের স্বণের চেইনটি নেই। আমি তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে গিয়ে অনেক খোজাখুজি করার পরও তা খুজে পাইনি। এ বিষয়ে ডিএমপি পুলিশ কমিশনার এর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে অপরাধ বিচিত্রার স্টাফ রিপোর্টার মো: মান্নান তালুকদার (মাহিন)। এবিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

