সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে গণধোলাইয়ের স্বীকার

0
1209

তাসমিয়া জেসমিনঃ নকলের ভিড়ে আসল চেনা দায় সরকারের সৎ ইচ্ছা প্রশাসনের কড়া নজর দারি থাকা সত্বেও দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসৎ এবং অসাধু মানুষের লোভের কারণে দেশকে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজের অশুভ শক্তি থেকে বাচানো দ্বায় হয়ে পড়েছে। এর ফলে সাধারণ নিরীহ মানুষ চরম অত্যাচারের রাহু গ্রাসের মুখে পড়ে নির্যাতিত হচ্ছে। আগে ছিল রাস্তার টোকাইরা চুরি ছেঁচড়ামি করত চাঁদাবাজি করত। এখন তারা পদবী লাগিয়েছে চাঁদাবাজি করার জন্য পুলিশ, সাংবাদিক, র‌্যাব, ডাক্তার, সরকারী উর্ধতন কর্মকর্তা পরিচয় বহন করে চাঁদাবাজি করে। রাস্তার ফুতপাত থেকে শুরু করে ব্যাংক, বীমা, বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, বেকারী, মুদি, পরিবহন, স্কুল, কলেজ, আবাসিক হোটেল, হাসপাতাল, ক্লিনিকসহ সব প্রতিষ্ঠান থেকেই তারা চাঁদাবাজি করে থাকে বুক ফুলিয়ে। এসব চাঁদাবাজদের মধ্য সাংবাদিক পরিচয় বহন কারী ভূয়া সাংবাদিকের সংখ্যা এবং অত্যাচার বেশি দেখা যায়।

Advertisement

 

কিছুদিন আগে ধরা পরে রিপন নামে এক ভূয়া সাংবাদিক পতিতালয়ে এবং জানা যায় সে বিভিন্ন জায়গায় বলে বেড়াতো সে জাতীয় প্রেস ক্লাবের বড় সাংবাদিক বলে চাঁদাবাজি করে। স্মপ্রতি ভূয়া সাংবাদিকের একটি চক্র ধরা পরে নবাবপুর হোটেল কদম আবাসিকে। পাশাপাশি হোটেল স্বাগতম রীতিমত প্রতিমাসে ৪ থেকে ৫ বার তাদের চাঁদাবাজিতে দিশহারা হয়ে উঠেছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। সূত্রে জানা যায় তারা সঙ্গবদ্ধ হয়ে দীর্ঘ দিন ধরে কোনবাড়ী, গাজীপুর, টংগী, ইয়ারপোর্ট, বনানী, মহাখালী, যাত্রাবাড়ী, মিরপুর, গাবতলী প্রতিমাসে তাদের সাপ্তহিক, মাসিক মাসহারা আদায় করে থাকে। এদের মধ্যে পিটিভি বাংলা নামে একটি টিভি চ্যানেল পরিচয় বহন কারী শিশির, আবদুস ছালাম (আকাশ), মাসুদ রেজা একই মাসে ৩ বার টাকা নিয়ে যায় রমজান মাস বলে কথা ৪র্থ বার গত ৫/৬/২০১৮ ইং রাত তখন আনুমানিক ৯ থেকে ৯.৩০ হবে তখন আবাসিক হোটেল কদমে গিয়ে হাজির তাদেরতো টাকা দিতেই হবে। হোটেল কদমের মালিক পক্ষ বংশাল থানাকে জানায় তাদের ক্যাশ না থাকায় তারা হাত জোড় করে মাপ চায় এবং ঈদের পরে যোগাযোগ করতে বলাতে তাদের সাথে মারামারি বাঁধিেেয় আাহত করতে থাকলে তারা সুর চিৎকার শুরু করলে পার্শ্ববতী লোকজন এসে তাদের গণধোলাই শুরু করে এবং বংশাল থানায় স্বপর্দ করে করে ১৪৩, ৪৪৮, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫ ও ৩০৭ ধারায় মামলা নং ৯ নং দায়ের করে এবং আনুমানিক রাত ১২.১০ মিনিটে মামলা রৌজ্জ হয়। তদন্তে জানা যায় রাজধানীর মুগদা ৫৬/ক অতীশ দিপংকর রোডে জব্বর মিয়ার বাড়ীর ৫ম তলায় একটি রুম ভাড়া নিয়ে পিটিভি বাংলা অফিস বানিয়ে চাঁদাবাজি করে দীর্ঘ দিন ধরে হাতিয়ে নিচ্ছে ব্যবসায়ীদের থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা। নেই কোন সাইন বোর্ড, ব্যানার আছে শুধু বড় একটি ক্যামেরা এবং গাড়ী এই তাদের পুঁজি। এই হলো তাদের কাজ। নেই কোন শিক্ষা-দীক্ষা অথচ এরা পরিচয় দেয় তারা সাংবাদিক। সাংবাদিককে জাতীর বিবেক বলা হয়। সাংবাদিক হলো রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। কিন্তু সাংবাদিক এই মহান পেশাটাকে এক শ্রেণীর অসাদু লোক ব্যবসায় পরিণত করে আসছে। তারা পত্রিকার মালিক এসব অশিক্ষিত রাস্তার চোর ছেঁচড়া, টুকাই, অসামাজিক কাজে লিপ্ত নারীদের-সাংবাদিক কার্ড দিয়ে চাঁদাবাজী করার জন্য ছেড়ে দিয়েছে লোকালয়ে। এদের অনেক ধার। সর্বত্রতো আছেই জাতীয় প্রেসক্লাবে, এবং বিভিন্ন প্রোগ্রামে সামনের সাড়ীতে এরা অবস্থান করে। এমনও দেখা যায় অনেক সিনিয়র সাংবাদিক দাঁড়িয়ে থাকে। ঐ অসাধু পত্রিকা ব্যবসায়ীরা তাদের নোংরামী কামেয়াবী করার জন্য তাদের ব্যবহার করে ফলের নকলের ভিড়ে আসল খুজে পাওয়া কঠিন হয়ে পরে। এবং প্রকৃতদের যথাযত মুল্যায়নে বাধা সৃষ্টি হয়। তাদের উদ্দেশ্য করে বলছি আপনারা সাংবাদিকতা একটা মহান পেশা একে কলংকিত করবেন না। লোভ লালসা রপ্ত করার জন্য ক্যামেড়ার ব্যাগধারী মহিলা-পুরুষদের দিয়ে অন্যকিছু করেন। কোন সাংবাদিক চাঁদাবাজি করতে পারে না। অন্যায়, অপরাদ, চাঁদাবাজদের চিহ্নিত করে সমাজ মানুষের সামনে ভাল-মন্দ তুলে ধরে শাস্তির আওতায় আনা সংবাদ কর্মীর কাজ। শাস্তি দেওয়া বা চাঁদাবাজি নয়। প্রশাসনের যথাযত দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here