সাংবাদিকরা আজ নানাভাবে নির্যাতিত এবং হত্যার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে মাষ্টার মাইন্ডের মূল হোতারা

0
1021

এ আর জামিলঃ
বরাবরই মাস্টার মাইন্ড সন্ত্রাসীরা থাকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ধরা ছোয়ার বাহিরে। খিলগাঁও এলাকায় ওই গ্রুপের সদস্যরা বিভিন্ন অপকর্ম করে পার পেয়ে যাচ্ছে। এধরনের অপকর্মগুলোই হচ্ছে র‌্যাব, পুলিশের সোর্সদের মাধ্যমে। তারা এগুলো দেখেও দেখে না। রাজনৈতিকভাবে হোক আর আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্সগীরি করেই হোক না কেন তারা দাপিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করলে এদেরকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে না। অথচ যারা বিভিন্ন অপরাধ দমনে পুলিশসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করে আসছে তাদেরকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের ফাঁদ ফেতেছে র‌্যাবের অসাধু কর্মকর্তারাসহ খিলগাঁও ও বিভিন্ন এলাকার কিছু সন্ত্রাসী বাহিনী। তেমনি রাজনৈতিক ও জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ের ষড়ষন্ত্রের স্বীকার হয়ে র‌্যাবের অসাধু কর্মকর্তারা সম্প্রতি অনাঙ্কাকিত ঘটনা সাজিয়ে খিলগাঁওয়ের যুবলীগের নেতা সমাজ সেবক ও সাংবাদিক আব্দুল আজিজকে গ্রেফতার করেন। এ ব্যাপারে আব্দুল আজিজের ছোট ভাই মোঃ জামিল হোসেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনায়েরর সিনিয়র সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, পুলিশের মহা পরিদর্শক, র‌্যাবের মহা পরিচালক, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন দপ্তরে সুষ্ট তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। জাতির দর্পণ সাংবাদিকরা নানাভাবে নির্যাতিত হচ্ছে সাংবাদিকরা ন্যায অধিকার পাচ্ছে না। সাংবাদিকদের হত্যার হমকি এবং নানা ধরনের চক্রান্তের শিকার হতে হচ্ছে। দেশ আজ ভয়াবহ সংকটে বিরাজ করছে। যারা বেঈমানি করে তারা ভালো মানুষ সাজতে চায় তারা চিরস্থায়ী হতে পারে না। মাস্টার মাইন্ডের মূল হোতারা সাংবাদিক আব্দুল আজিজ সহ তার পরিবারকে ধবংস করার লক্ষ্যে মরিয়া হয়ে উঠেছে। সংহতি হতে হবে কোনো অন্যায় অবিচার আমার ও আপনাদের চোখের সামনে টিকতে যেন না পারে। আব্দুল আজিজ ও তার পরিবারের জায়গা জমি নিয়ে চক্রান্ত করে আসছে। যারা আব্দুল আজিজ ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে চক্রান্ত ও বিশ্বাসঘাতকতা করছে। বিশিষ্ট ব্যক্তিগনদের কাছে আাব্দুল আজিজের পরিবারের আকুল আবেদন আল্লাহর দোহাই দিয়ে বলছি এই নিরিহ অসহায় পরিবারকে দয়া করে সুন্দর ভাবে বসবাস করার আবেদন করছে এবং পুলিশ প্রশাষনের কাছে বিনীত অনুরোধ করে বলছি আপনারা দয়া করে এই অসহায় পরিবারকে বাচান। কিছু অসামাজিক মানুষের কারণে সাংবাদিক আব্দুল আজিজ ও তার পরিবার বর্তমানে খুব অসহায় ভাবে জীবন যাপন করছে ও বিপদগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। যাদের কেউ থাকেনা তাদের আল্লাহ আছে আমাদের আল্লাহই রক্ষা করবেন বলে জানায় এই বিপদগ্রস্থ পরিবারের একজন। রাজধানীর প্রানকেন্দ্র খিলগাঁও এলাকার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেই চলছে। ছাত্রলীগ নামধারী জাহাঙ্গীর হোসেন তিনি কার মাধ্যমে খিলগাঁও এসেছে তা আব্দুল আজিজ জানেনা। তবে খুব তাড়াতাড়ি খবর নেয়া হবে। জাহাঙ্গীর হোসেন এক ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে আসে ৬/৯/২০১৬ইং কে আব্দুল আজিজের কাছে আসে। আব্দুল আজিজ বলেছিল অফিস রুমে বসেন আমার কাজ আছে আমি আসতেছি। ঐ ছেলে ও মেয়ের সাথে কথা হয় সর্ব প্রথম সালাম, দ্বীপক সরকার, মনা ও রিফাত এর সাথে অফিসে আজিজ ছিলো না আজিজ এই ঘটনা পরে শুনেছিলো। তার আগেই সালাম, দ্বীপক সরকার মেয়ে ও ছেলের বিষয় জেনে নেন ও ছেলে ও মেয়েকে জিজ্ঞেস  করে এখন আমরা কি করতে পারি। মেয়ে বলল যে,আমার সাথে কয়েক বছর ধরে সর্ম্পক ছিল বিয়ে করার কথা বললেই আমাকে এড়িয়ে চলে। তারপর ছেলেকে জিজ্ঞেস করার সাথে সাথেই ছেলে উত্তর দিল আমি হিন্দু আর মেয়ে মুসলমান। এই ঘটনা সালাম ও দ্বীপক সরকার শুনলো। মেয়েকে জিজ্ঞেস করা হলো আপনার কি মতামত। মেয়ে প্রশ্নের উত্তরে বললো আমাকে মুসলমান হয়ে বিয়ে করতে হবে না হলে দুই লাখ টাকা দিতে হবে। এই বলে মেয়ে সালাম ও দ্বীপক সরকারকে বলে ও কে মারধর করেন তাহলেই ও টাকা আনবে। তারপরে আব্দুল আজিজ  অফিসে আসার পর দেখলো ঐ ছেলের চেহারায় এবং হাতে পায়ে জখম। আজিজ জিজ্ঞেস করলো কে মার ধর করেছে উত্তরে জাহাঙ্গীর হোসেন বললো দ্বীপক সরকার ও সালাম মারধর করেছে। এই বলে জাহাঙ্গীর ঘটনা স্থল থেকে চলে যায়। ঐ হিন্দু ছেলের মানিব্যাগ, মোবাইল নিয়ে যায় সালাম ও দ্বীপক সরকার। মানিব্যাগে ৬/৭ হাজার টাকা ছিলো ঐ টাকা দিয়ে সালাম, দ্বীপক সরকার ও রিফাত এবং ঐ হিন্দু ছেলে সহ তারা ইয়াবা ট্যাবলেট সেবন করে এক এ্যার্পাটমেন্টে সূত্রে জানতে পারলাম। কিছুক্ষন পরে আজিজের কাছে আসলো সালাম ও দ্বীপক সরকার ঐ হিন্দু ছেলেকে নিয়ে। আজিজ বললো যে ক্লাবে বিচার করবো ক্লাবে নিয়ে যান। আজিজ ক্লাবে যাওয়ার পরে মেয়ে ও ছেলেকে বললো আপনাদের অভিভাবককে খবর পাঠান। মেয়ের একজন অভিভাবক আসে আব্দুল আজিজের অপরিচিত। এসে বলে আমি মেয়ের বাবা হই, মেয়েকে নিয়ে চলে যায়। তারপর ছেলের অভিভাবকে আসার জন্য ফোন দিতে বলে আব্দুল আজিজ। ছেলে ফোন না দিয়ে দ্বীপক সরকারকে বলে ভাই আপনি ফোন দেন। দ্বীপক সরকার তখনই ক্লাবের বাহিরে গিয়ে ছেলের পরিবারের ফোন নাম্বার নিয়ে ফোন দিয়ে ৫ লাখ টাকা দাবী করে এবং বলে ৫ লাখ টাকা দেন তা না হলে আপনাদের ছেলেকে পাবেন না। টাকা চাওয়ার ব্যাপারে আব্দুল আজিজ কিছুই জানতো না। আজিজের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায়  চাদাবাজি ও অপহরনের কোন মামলা বা জিডি নেই। দ্বীপক সরকার ও সালাম ঐ হিন্দু ছেলের মানিব্যাগের ভিতরে এটিএম কার্ড ছিলো সেই কার্ড দিয়ে ৩৫ হাজার টাকা ঊত্তোলন করেছিল সালাম ও দ্বীপক সরকার। ঐ টাকা আব্দুল আজিজের হাতে দেয়, আব্দুল আজিজ বললো কিসের টাকা। সালাম বললো ঐ হিন্দু ছেলের এটিএম কার্ড থেকে ৩৫ হাজার টাকা ঊত্তোলন করেছে। আব্দুল আজিজ বললো টাকাটা ঐ হিন্দু ছেলের হাতে দিয়ে দাও। দ্বীপক বললো তোমার কাছেই রাখো কোন সম্যসা নাই। আজিজ টাকা পকেটে রাখলো। কিছুক্ষন পর আব্দুল আজিজের রাজনীতি যুবলীগ ক্লাব থেকে র‌্যাব ৩ এর কর্মকর্তা বিন্ধ আব্দুল আজিজ সহ আরো ৪ জনকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। র‌্যাব আসার কিছুক্ষন আগে দ্বীপক সরকার ও সালাম ঘটনা স্থল থেকে চলে যায়। পুলিশ প্রশাসন, ডিবি, র‌্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার কাছে বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি আপনারা তদন্ত করলে বিস্তারিত জানতে পারবেন কে আসল অপরাধী। (চলবে)

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here