সলিমপুর ইউনিয়নের সফল চেয়ারম্যান মো: সালাউদ্দিন আজিজ

0
683

চট্টগ্রাম সীতাকুন্ড ১০নং সলিমপুর ইউনিয়নের রূপকার আলহাজ্ব মো: সালাউদ্দিন আজিজ তিনি একজন সফল চেয়ারম্যান, জনগণের আস্থাভাজন ব্যাক্তি হওয়ায়, ভালো কাজের জন্য জনগনের ভোটে দু’দুবার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
সলিমপুরবাসী অপরাধ বিচিত্রাকে বলেন সীতাকুন্ড উপজেলার যতোগুলো ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে তাঁর মধ্যে আমাদের পরিষদের সেবার মান একটু ভিন্ন, দক্ষ ও যোগ্য চেয়ারম্যান হওয়ার কারণে আজ পরিষদে এসে আমরা সঠিক সেবাটাই পাচ্ছি। উন্নয়ন মূলক কাজের ব্যাপারে জানতে চাইলে সলিমপুর ইউনিয়নের জনগণ বলেন ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন তাই আজ দৃশ্যমান সকল ধর্মবর্ণের মানুষের সেবায় তিনি আজ অতন্ত্র প্রহরী, সরকারী ও উপজেলা কেন্দ্রিক নিজ অর্থায়নে সফলতার সহিত উন্নয়নমূলক কাজ করে গিয়েছেন। রাস্তাঘাট, ড্রেন, কালভার্ট, স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসাসহ আরো উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। তাঁর ইউনিয়নের অনেক মসজিদের পুকুর ও দিঘীর শান বাধানো ঘাট চোখে পড়ে এলাকাবাসীর কাছে জানতে চাইলে বলেন উন্নয়নমূলক কাজের অবদান রাখতে পারে শুধুই সালাউদ্দিন আজিজ চেয়ারম্যান।

Advertisement


অপরাধ বিচিত্রার প্রতিনিধির সাথে একান্ত সাক্ষাতে চেয়ারম্যান বলেন, মানুষের ভালবাসার কারণে মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আজ আমি সালাউদ্দিন আজিজ চেয়ারম্যান পিতা- মরহুম আজিজুর রহমান। তিনি ছিলেন সকলের প্রাণ প্রিয় মুখ, অনেকের মুখে শোনা যায় চেয়ারম্যান সাহেবের বাবা উদার মনের মানুষ ছিলেন। নিজ অর্থায়নে তিনিও উন্নয়নমূলক কাজ করে গিয়েছেন। ধনি গরিব সকলের পাশে নিস্বার্থভাবে দাঁড়িয়েছেন। স্কুল মসজিদ মাদ্রাসা নিজ অর্থায়নে একাধিক নির্মান করেছেন। তৎকালীন সময়ে তিনি ছিলেন ব্রিটিশ কোম্পানির টোবাকোর উচ্চপদ মর্যাদার একজন কর্মকর্তা ছিলেন এবং নীতি আদর্শের ব্যাক্তিত্ব সম্পন্ন লৌহ মানব ছিলেন। তৎকালিন সময়ে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত ছিলেন। সালাউদ্দিন আজিজ চেয়ারম্যান আরো বলেন, আল্লাহ আমার পিতাকে অর্থ সম্পদ মান যশ প্রতিপত্তি সবই দিয়েছিলেন আর মানুষের সাথে উদারতা দেখিয়েছেন ধ্বনি গরিব সকলের পাশে দাঁড়িয়েছেন ভেদাভেদে অসহায় দরিদ্র অনেক পরিবারকে আর্থিক সহযোগী করেছেন বিভিন্ন ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠাতা আর্থিক অনুদান দিয়েছেন।


আমার পিতা বড় কোন রাজনীতিবিদ ছিলেন না একজন সফল সমাজসেবক ছিলেন, তবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের আদর্শিত ছিলেন। আজ আমিও বাবার আর্দশকে ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছি। আজ আমার পিতা অনেক অর্থ সম্পদ রেখে গিয়েছে আমার ব্যাক্তিগতভাবে কোন লোভ লালসা নেই, আছে শুধু আমার ইউনিয়নের উন্নয়নের চিন্তা ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল জনগনের পাশে দাঁড়ানো। তাদের দুঃখ দুর্দশা লাগব করাই আমার কাজ।
ইউনিয়ন পরিষদ সকলের জন্য উন্মুক্ত। এখানে সেবা ছাড়া হয়রানির স্বীকার হয়েছে আমার জানা নেই। জন্ম নিবন্ধনের জন্য আমি কোন টাকা পয়সা নেইনা। সরকারী যতো রকমের ভাতা আছে সঠিকভাবে ডিস্ট্রিবিউশন করে এসেছি আর আগামীতেও করে যাবো। গ্রাম আদালতের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খুবই শক্তিশালী গ্রাম আদালত করে দিয়েছেন সরকার। এখানে সকলেই ন্যায় বিচার পেয়েছেন। বিশেষ করে সমাজের অনেক পরিবারে পারিবারিক কলহ এবং জায়গা জমি সংক্রান্ত মামলাই বেশি এগুলো গ্রাম আদালতের মাধ্যমেই নিস্পত্তি হয়।


সর্বশেষে তিনি বলেন, মাদক জঙ্গি, সন্ত্রাস, চোর, ডাকাতের জায়গা আমার ইউনিয়নে হবেনা আগেও জায়গা দেইনি আর আগামীতেও দেবো না। এসব ব্যাপারে সরকারের যেমন জিরো টলারেন্স তেমনি আমার ও জিরো টলারেন্স। আপনারা আমার ইউনিয়ন পরিদর্শন করে দেখুন এবং মূল্যায়ন করুন। কতোটুকু উন্নয়ন করতে পেরেছি। মেম্বারদের ব্যাপারে কথা হলে তিনি বলেন যার যার এলাকায় সরকারী বরাদ্দ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। যদি কেউ দুনীর্তি করে আমার কাছে কোন ছাড় নেই আর জনগনই বিচার করবে, যে যেমন কর্ম করবে তার মূল্যায়ন তেমনই হবে।
সর্বশেষ পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা হলে তিনি বলেন ছেলে মেয়ে নিয়ে পারিবারিকভাবে বেশ সুখেই আছি।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here