বরগুনা প্রতিনিধি: সাংবাদিক সংবাদ সংগ্রহ করে সত্যটি তুলে ধরবে জাতির সামনে এটিই স্বাভাবিক, সাংবাদিক জাতির বিবেক এই চিরন্তর সত্য বানীটি সকলেই জানে এবং মানে। সাংবাদিকদের কাছ থেকে জাতি ভালো কিছু প্রত্যাশা করে। সমাজের অনিয়ম দুর্নীতি আর অসংক্সগতি প্রতিনিয়তই তুলে ধরার কারনে সমাজের পরিবর্তন অনেকটা দৃশ্যমান। আজ গনমাধ্যম কর্মীরা সোচ্চার হওয়ার কারনে অপরাধের প্রবনতা দিনে দিনে কমে আসছে এটি যেমন সত্য। আবার কিছু অসাধু এবং অপসাংবাদিকতার কারনে সাংবাদিকতা পেশা নিয়ে সমাজে আজ ভিন্ন ভিন্ন মত প্রকাশ পেয়েছে। মূলধারার কিছু সাংবাদিক নেশা এবং পেশা হিসাবে সাংবাদিকতায় নিজেকে সার্বক্ষনিক নিয়োজিত রেখেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাহসিকতার সহিত সমাজের অনিয়ম দুর্নীতিবাজদের মুখোশ উম্মোচনা করার কারনে হামলা মামলা স্বীকার, এমনকি আপন প্রানটিও অকালে ঝড়ে যায়। তাদের বড় হওয়ার স্বপ্ন নেই, সাধামাটা জীবনেই তারা অভ্যস্ত। এই মহান পেশাকে অযোগ্য অদক্ষ নামধারী কিছু সাংবাদিকদের কুর্কমের কারনে কলংকিত করেছে এই মহান পেশাকে। আজ সেই তালিকায় নাম লেখালো সময় টিভির বরগুনা জেলা প্রতিনিধি এম এ আজিম। জানা যায় বরগুনা জেলা সদরের নাথ পট্টি, মল্লিকা বস্রালয়ের মালিক কাপড় ব্যবসায়ী বাশুদেব সরকারের দুই মেয়ের মধ্য ছোট মেয়ে ৯ম শ্রেণী পড়–য়া মল্লিকা রানী সরকারকে (১৪) নিজ বাসা নাথ পট্টি লেকের পার থেকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সময় টিভির বরগুনা জেলা প্রতিনিধি এম এ আজিম (২৭) পিতা-হেমায়েত উদ্দিন, পেশায় ঘড়ি মেকার ২নং মনসাতলী ইউনিয়ন নিবাসি,
৭১ টিভির বরগুনা জেলা প্রতিনিধি ইমরান হোসেন টিটু (২৫) পিতা-ইউনুছ সিকদার পেশা লঞ্চ টার্মিনালের কুলি মহাসড়ক ২নং ঘোরিচন্না ইউনিয়ন বরগুনা ও শুভ সেন (২৫) কম্পিউটার অপারেটর পিতা-শিব সংকর সেন (শিব) মহাসড়ক ২নং ঘোরিচন্না ইউনিয়ন বরগুনা। সংঘবদ্ব অপহরনকারী চক্র মিলে মেয়েটিকে অপহরন করে একটি সাদা প্রাইভেট করে উঠিয়ে নিয়ে যায়, যার গাড়ী নং-ঢাকা-মেট্রো-গ-১৭-৮২৩৪। আর উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রত্যক্ষদর্শী ভিকটিমের রেলেটিভ সঞ্জয় সরকার পিতা: আশুতোস সরকার চিকৎকার করে সকলকে জানিয়ে দেয় মল্লিকা রানী সরকারকে আজিম ওরা তুলে নিয়ে যাছে।
তখন ভিকটিমের পিতা বাশুদেব সরকার (৫২) পিতা-মৃত গোবিন্দ সরকার, হারাদন সরকার পিতা-মৃত-গোবিন্দ সরকার ও সঞ্জয় সরকার পিতা-মৃত গোবিন্দ সরকার। এরা সকলেই অপহরনকারীদের কাছ থেকে ভিকটিমকে উদ্ধারের জন্য এগিয়ে গেলে অপহরন চক্রের সদস্যরা ভিকটিমকে প্রাইভেটকারে জোরপূর্বক উঠিয়ে পালিয়ে যায়। পরে থানা পুলিশকে অবহিত করে এবং জ্যাঠা আশুতোস সরকার (৫৮) পিতা-মৃত গোবিন্দ চন্দ্র সরকার নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধিত ২০০৩ এবং ৭/৩০ ধারায় অপহরন ও উক্ত অপহরনের বরগুনা থানায় মামলা করেন, মামলা নং-৪। মামলার সূত্র ধরে পুলিশ প্রশাসন ভিকটিমকে উদ্বারে মাঠে নামে।
গোপন সংবাদের ভিওিতে পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানার পুলিশের সহযোগীতায় এস আই জাহিদের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা আবাসিক হোটেল গোল্ডেন ইন থেকে ভিকটিমকে আনুমানিক রাত্র-৩.৩০মি: সময় টিভির সাংবাদিক এম এ আজিম কে আটক করেন ও ভিকটিমকে উদ্ধার করেন।
বাকী অপহরনকারী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যায়। উদ্ধার অভিযান শেষ করে এস আই জাহিদ ও তার সঙ্গীয় ফোর্স বরগুনা থানায় নিয়ে আসে। অপহরনকারী চক্রের সদস্য আজিমকে ০৩/১০/২০২০ তাং দুপুরে তাকে কোর্টে চালান দেয় বরগুনা থানা পুলিশ। এ ব্যাপারে ভিকটিমের বাবার কাছে জানতে চাইলে তিনি অপরাধ বিচিত্রাকে বলেন প্রশাসনের বিচক্ষনতার কারনে আমার ভাইয়ের মেয়েকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরো বলেন অপহারনকারী চক্রের সদস্যদের দৃস্টান্ত মূলক শাস্তি চাই।
বরগুনা থানার ওসি তারিকুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন উদ্বার কাজে আমাদের একটি চৌকস টিম মাঠে নামে দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে মহিপুর থানার পুলিশের সহযোগীতায় গোপন সংবাদের ভিতিতে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা আবাসিক হোটেল গোল্ডেন ইন থেকে ভিকটিমকে উদ্বার করা হয় এবং অপহারনকারী চক্রের সদস্য সময় টিভির বরগুনা জেলা প্রতিনিধি এম এ আজিমকে আটক করতে সক্ষম হই।
বাকী অপহারনকারী চক্রের সদস্যরা ৭১ টিভির বরগুনা জেলা প্রতিনিধি ইমরান হোসেন টিটু ও শুভ সেন পালিয়ে যান, তাদেরকে ধরার জন্য অভিযান অব্যাহত আছে। আশা করি খুব শিঘ্রীই বাকীদের আটক করতে সক্ষম হব। অপহরনকারী চক্রের দুই সদস্য সময় টিভির বরগুনা জেলা প্রতিনিধি এম এ আজিম ও ৭১ টিভির বরগগুনা জেলা প্রতিনিধি ইমরান হোসেন টিটুর নারী কেলেংকারী, চাদাবাজী ও গাড়ীর বাড়ী মালিক ভূয়া সার্টিফিকেট সহ বিভিন্ন অপরাধ নামা নিয়ে আসছি আগামী সংখ্যায়।

