বিশেষ প্রতিনিধিঃ একটা দেশের শিক্ষিত জাতি গড়তে পারে উন্নত দেশ। একটি দেশকে ধবংশ করতে হলে সে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধবংশ করলেই ধবংশের প্রয়োজন হয়না। তেমনি কিছু সংখ্যক অসাধু শিক্ষক মেতে উঠেছে কোচিন বানিজ্যর মহ উৎসবে। রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকায় এখনো রমরমা কোচিং বানিজ্য চলছে। পরিক্ষার প্রশ্ন পত্র ফাঁস,শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মান অনুন্নত এবং সোস্যাল মিডিয়া(ফেসবুক) তোলপাড় হওয়ায় শিক্ষামন্ত্রী বিভিন্ন সেমিনারে জোড়ালো ভাবে কোচিং বানিজ্য সন্পূর্ণ রাখতে বললেও ঢাকা শহরে কিছু সংখ্যক কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকলেও সমাজকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে দক্ষিণখান এলাকায় অনেক কোচিং সেন্টার চলতে দেখাযায়। সরেজমিনে তথ্য নিয়ে দেখাযায় দক্ষিণখান গাওয়াইর মাদ্রাসা রোড তৃতিয়তলায় অবাস্থিত আইডিয়াল একাডেমি ও গাওয়াইর মাদ্রাসার সন্মুখে ইয়াসনুর কোচিং হোমেও রাত সাড়ে নয় টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পড়া লেখা চলতে দেখাযায়। এদিকে নামকরা একটি কোচিং সেন্টার গাইডলাইন সেখানেও কোচিং বানিজ্য বন্ধের দাবিতে এবং শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশকে উপেক্ষা করেও থেমে নাই। এসকল কোচিং সেন্টারে গেলে আবার কোন কোন কচিং সেন্টারের সামনে দেখা যায় আবার সিসি ক্যামেরা ।
যাতে ভিতরে প্রবেশ করলে দেখা যায় বাহিরের থেকে কে কখন আসছে। এমনকি শুক্রবারও শিক্ষার্থীদের ছাড় নেই কোন কোন কোচিং সেন্টারে ক্লাস চলতে দেখাযায়। বন্ধের দিনও চলে কোচিং বানিজ্য। এ বিষয়ে ইয়ানূর কোচিং হোমের শিক্ষক ও পরিচাকের সাথে কোচিং বিষয়ে আলোচনা করলে তিনি বলে সরকারে বড় বড় কর্মকর্তারা বিভিন্ন দুনীতি করছে আর আমরা কোচিং পরিচালনা করছে এটা আর এমনকি অপরাধ। এবং সেই সাথে মোবাইল ফোনে সাংবাদিকের সাথে খারাব আচরন করেন। কোচিং বানিজ্যর সঙ্গে জড়িত আরো কয়েক জনের সঙ্গে কথা বললে তাঁরা বলে কোচিং বন্ধ না করলে সরকার কি করবে ? এই যদি হয় একজন শিক্ষকে আচরন তাহলে কি শিখছে আপনাদের সন্তানরা ? এ কোচিং বানিজ্যর সাথে জড়িত শিক্ষকরা আবার কোন না কোন স্কুল-কলেজের সঙ্গে জড়িত। এ ধরনে কোচিং বন্ধের জন্য ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানের মাধ্যমে কোচিং বানিজ্যর সঙ্গে জড়িতদের তাৎক্ষনিকভাবে আটক করে জরিমানা অথবা জেল অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করার কিছুটা হলেও কোচিং বানিজ্য বন্ধ হবে। অভিভাবকরাও তাদের সন্তানদের কোচিং সেন্টারে তাদের সন্তানদের পড়ানোর মত হতাশা থেকে মুক্ত হবেন।তা না হলে আমাদের দেশে প্রকৃত শিক্ষা এবং শিক্ষিত জাতি হারিয়ে যাবে অচিরেই।

