শক্তিশালী মুমিন এর মর্যাদা:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “শক্তিশালী মুমিন দুর্বল মুমিনের চেয়ে অধিক উত্তম এবং আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়।
আর সবকিছুতেই কল্যাণ রয়েছে।
সুতরাং যাতে তোমার কল্যাণ রয়েছে
তা অর্জনে আগ্রহী হও এবং
আল্লাহর সাহায্য কামনা কর।
দুর্বলতা প্রদর্শন করো না।
তবে যদি তোমার কোন কাজে কিছু ক্ষতি সাধিত হয়, তখন তুমি এভাবে বলো না যে,
“যদি আমি কাজটি এভাবে করতাম
তা হলে আমার এই এই হত।”
বরং বল,
“আল্লাহ এটাই তকদীরে রেখেছিলেন।
আর তিনি যা চান তা-ই করেন।”
কেননা ‘যদি’ শব্দটি
শয়তানের কাজের পথকে উন্মুক্ত করে দেয়।”
(মুসলিম, মিশকাত হা/৫২৯৮)।
উক্ত হাদীস থেকে বুঝা গেল যে,
ঈমানদারগণ ঈমানের দিক দিয়ে সমান নয়।
তাদের মাঝে পার্থক্য রয়েছে।
তবে শক্তিশালী মুমিনগণ অধিক উত্তম এবং
আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়।
কিন্তু দুর্বল মুমিনরাও কল্যাণ থেকে বঞ্চিত নয়।
তাহলে আমাদের জানা দরকার
শক্তিশালী মুমিন কারা?
কী তাদের গুণাবলী ও বৈশিষ্ট্য?
এগুলো জেনে আমরাও যেন
সে সকল গুণাবলী অর্জন করে
আল্লাহর প্রিয়ভাজন মুমিনদের দলভুক্ত হতে পারি। আল্লাহ তাআলা তাওফিক দান করুন।
আমীন।
শক্তিশালী মুমিন এর গুণাবলী:
নিম্নে একজন শক্তিশালী মুমিনের
১৪টি অনন্য গুণাবলী সংক্ষেপে আলোচনা করা হল:
১. সুদৃঢ় ঈমান
২. দ্বীনের ইলম অর্জন করা
৩. সবর বা ধৈর্য ধারণ
৪. রাগ নিয়ন্ত্রন
৫. উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকা
৬. উদ্যমী হওয়া
৭. নিজের সংশোধনের পাশাপাশি
অন্যের সংশোধনের প্রচেষ্টা থাকা
৮. মানুষের উপকার করা
৯. সুস্বাস্থ্য
১০. মজবুত চিন্তাভাবনা ও সুনিপুণ পরিকল্পনা
১১. সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে নির্ভীক
১২. আত্মমর্যাদা ওপরিচ্ছন্ন অন্তর
১৩. শক্তিশালী মুমিনের হৃদয় হয় ভালবাসা,
দয়া ও মায়া–মমতায় পূর্ণ।
১৪. ভুল স্বীকার

