জামাল উদ্দীন স্বপন, (কুমিল্লা): লাকসাম পূর্ব ইউনিয়নের নরপাটি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় নানা সমস্যায় জর্জরিত। ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, শিক্ষক সংকট, শ্রেণী কক্ষের অভাব ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র না থাকায় বিদ্যালয়টিতে শিক্ষা ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে।
সূত্র মতে- স্বাধীনতা পূর্ব ১৯৬২ সালের ২৪ জুলাই তৎকালীন সমাজসেবক ও দানবীর মরহুম হাজী আবদুল মজিদ খান এলাকার শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার কথা চিন্তা করে নিজস্ব মালিকানাধীন জমি দান করে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর বিদ্যালয়টি সাফল্যের ধারাবাহিকতায় সুনাম ও সুখ্যাতি অর্জন করে। এরই প্রেক্ষিতে ১৯৮৪ সালের ১ ডিসেম্বর বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী এ বিদ্যালয়টিতে শিক্ষক সংকট, প্রয়োজনীয় শ্রেণী কক্ষ ও আসবাবপত্রের অভাব, মাঠ ভরাট সহ নানা সমস্যায় জর্জরিত। প্রতিষ্ঠার ৫৪ বছরেও বিদ্যালয়টিতে কম্পিউটার ল্যাব ও বিজ্ঞানাগার স্থাপিত হয়নি। বিদ্যালয়টির মূল স্থানের পশ্চিম পাশের ২য় তলা জরাজীর্ণ ভবনে ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলছে। সূত্র জানায়- বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে শিক্ষাথীর সংখ্যা প্রায় ১২’শ জন। বিদ্যালয়ে এমপিওভুক্ত ১৩জন শিক্ষক এবং ৮ জন গেষ্ট টিচার, ৪ জন পিয়ন, আয়া ৪ জনের মধ্যে ১ জন, অফিস সহকারী ১ জন রয়েছে। সর্বসাকুল্যে ২০টি শ্রেণী কক্ষের প্রয়োজন থাকলেও বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে মাত্র ১১টি শ্রেণী কক্ষ রয়েছে। শিক্ষার্থীদের সুষ্ঠুভাবে পাঠদানের জন্য ২৫ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা প্রয়োজন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মাহবুবুল আলম বলেন- বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রয়েছে। তিনি বিদ্যালয়ের বিরাজমান বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে দ্রুত সমস্যা সমূহ সমাধানের লক্ষ্যে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোঃ তাজুল ইসলাম সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি আকর্ষন এবং জনদরদী ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহবান জানান।
