রোকসানা আক্তার মজুমদারঃ
উপকূলীয় বন বিভাগ ভোলা জেলার দৌলতখান ও তজুমদ্দিন থানার রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহবুবের দুর্নীতির শুরু আছে শেষ নেই, গেছে অর্থ বছরে সরকার থেকে বরাদ্দকৃত লক্ষ লক্ষ গাছ রোপন না করে উক্ত টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে একাধিক অভিযোগ উঠেছে।
উক্ত বিষয়ে ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হারুন এর নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি চার মাস পূর্বে তদন্ত করে প্রমাণ পেয়েছেন,,উক্ত প্রমাণের বিষয়টি দুর্নীতিবাজ চতুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহাবুব বিভিন্ন ভাবে প্রভাব খাটিয়ে অলৌকিক ক্ষমতার বলে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ধামাচাপা দিয়েছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে, কিন্তু কিছু গাছ তজুমদ্দিন উপজেলার বিভিন্ন চরে রোপন করিতে বাধ্য করেছেন কর্মকর্তারা ,,
এদিকে উক্ত বিষয় খোঁজ খবর নিতে গিয়ে বাহির হয়ে আসে মাহবুবের একাধিক দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য।
১ / অবৈধ করাত কল থেকে বাৎসরিক মাশোহারা নেওয়া,
২/বাগান গুলিতে মাছ ধরা জেলেদের কাছ থেকে মাশোহারা নেওয়া।
৩/রাতের অন্ধকারে বনদস্যদের কাছে সরকারি গাছ বিক্রি করা, টেন্ডারবিহীন রাস্তার গাছ বিক্রি করে উক্ত টাকা আত্মসাৎ করা,, করাত কলের লাইসেন্স করে দিবে বলে মিল মালিকদের কাছ থেকে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা করে নেওয়া,, উক্ত রেঞ্জের সরকারি উন্নয়নমূলক বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দকৃত টাকা আত্মসাৎ করা,, উক্ত রেঞ্চের সাধারণ কর্মচারীদের সাথে দুর্ব্যবহার ও বিভিন্ন ভাবে হারানি করা,,কর্মচারীদের টাকা আত্মসাৎ করারও অভিযোগ রয়েছে।এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তাহার সহকর্মী কর্মকর্তারা বলেন আমাদের কে সরকার যে বেতন দেন তাহা দিয়ে আমাদের সংসার চলছে হিমশিম খেতে হচ্ছে অথচ মাহবুব উক্ত চাকরির সুবাদে করেছেন টাকার পাহাড় সুবাদে করেছেন- তাহার পরিবারের নামে বেনামে রয়েছে কোটি কোটি টাকা ও শত বিঘা জমি,
মাসে ২০ দিন কর্মস্থল রেঞ্জ স্টেশনের বাহিরে থাকেন তিনি।

