মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ও রাজিবপুরসহ দুই উপজেলার হাজার-হাজার পরিবার পানি বন্দি হয়ে মানবতর জীবন যাপন করছে।নৌকা দেখলেই অথই পানি অতিক্রম করে জীবনের ঝুকি নিয়ে শিশু নারী পুরুষ ছুটে আসছে নৌকার দিকে। আষাঢ়ের শুরুতেই টানা বর্ষণ ও ভারতীয় পাহাঢ়ী ঢলে দেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা কুড়িগ্রামের তিস্তা, দুধকুমর,ধরলা,জিনজিরাম, সোনাভরি ও ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে। যারফলে চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুরের শত-শত গ্রাম প্লাবিত হয়।রৌমারী ও রাজিবপুরের বাঁধের পশ্চিম পারের বদরপুর, কেচুমারী, ভেরামারী, খারুভাজ, চরনেওয়াজী, নয়ারচর, ঢাকাইয়া পাড়া, বড়বের, রৌমারীর, চরবাঘমারা, কান্দাপাড়া ফলুয়ারচর, বড়চর, কুটিরচর, খেদাইমারী, বাইশপাড়া, খনজনমারা, ঘুঘুমারী, সাহেবের আলগা, চরইটালুকান্দা, গাছবাড়ী,কাজাইকাটাসহ অর্ধশত গ্রামের হাজার পরিবার পানি বন্দি হয়ে মানবতর জীবন যাপন করছে। বাড়ি ঘরে পানি উঠায় রান্না করে খেতে খেতে পারছেনা।টিউবওয়েল গুলো তলিয়ে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানি সংকটে পড়েছে। এব্যাপারে রাজিবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান শফিউল আলম বলেন, রাজিবপুরে বন্যার ভয়াবহতায় তলিয়ে গেছে গ্রামের পর গ্রাম। বন্যার তোরে ভেঙ্গে গেছে কাচাপাকা সড়ক । বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য ৩৬ মেট্রিক টন চাল ও ত্রান শাখা াথেকে শুকনা খাবারের জন্য দেওয়া হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। এছাড়ার তার নিজস্ব তহবিল থেকে বানভাসিদেরকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। এদিকে রৌমারী উপজেলা চেয়ারম্যান মজিবর রহমান বঙ্গবাসী জানান, রৌমারী’র ৬টি ইউনিয়নে বন্যার্ত মানুষের মাঝে ৫৫ মেট্রিক টন চাউল বিতরন করা হয়েছে।তবে এলাকার চিত্র অনুযায়ী সামান্য বরাদ্দ বানভাসীদের জন্য অপ্রতুল।
