তারাগঞ্জ প্রতিনিধি: প্রভাবশালী রাজাকার আব্দুল মান্নান, গ্রাম দক্ষিণ বাহাগিলী বসুনিয়াপাড়া, থানা-কিশোরগঞ্জ জেলাঃ নীলফামারী। বাংলা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় বাংলা-নয়ই আষাঢ়, বৃহস্পতিবার ভোর অনুমান ০৫ ঘটিকার সময় তার বড় ভাই আতাহার আলী সহ একই গ্রামের মোট ০৯ জন মানুষকে খানসেনা নিয়ে এসে হত্যা করে।মোবারক আলী গত ২৯-০৬-২০২০ নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা-কিশোরগঞ্জ, জেলা প্রশাসক, নীলফামারী পুলিশ সুপার, ডি,আই,জি-রংপুর, পুলিশ মহাপরিদর্শক ঢাকা, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কার্যালয় বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন বলে সূত্রে জানা যায়। রাজাকার আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কিশোরগঞ্জ থানা কমান্ড কতৃক রাজাকার তালিকায় ক্রমিক নং ৮১ ও তার পিতা রাজাকার মৃত আবেদ হাজির মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রনালয় প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় ক্রমিক নং ৭৪২১এই কুখ্যাত রাজাকারগন বাবা ও ছেলে মিলে নিজ প্রভাবে এলাকায় রাজাকার, আলবদর-আলশামস, গঠন করিয়া অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ, চুরি-ডাকাতি, সহ বিভিন্ন স্বাধীনতা বিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয় এবং রাজাকার আব্দুল মান্নান
চুরি-ডাকাতি মামলায় জেলা কারাগার নীলফামারী ও রংপুরে জেল-হাজত খেটেছে বলে সূত্রটি জানায়। মোবারক আলী এর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে কিশোরগঞ্জ থানার এস,আই আব্দুল ওহাব এর পরিচালনায় আব্দুল মান্নান এর বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ চলিতেছে,
ইতিমধ্যে ০৪ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত হয়েছে এবং গণমাধ্যম কর্মীগন রাজাকার আব্দুল মান্নান এর সাক্ষাৎকার নিতে গেলে বিভিন্ন কৌশলে সে ব্যাপারটি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতেছে বলে এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়। রাজাকার আব্দুল মান্নান মোবারক আলীকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছে।
ওই রাতে যাহারা শাহাদাত বরণ করেছেন মোঃ শুকারু মাহমুদ, মোছাঃ মনি বেগম, মোঃ ডোডা মামুদ, মোঃ আতাহার আলী, মোঃ আজিম উদ্দিন, মোঃ এরফান আলী, মোঃ রহিম উদ্দিন ওরফে গাডরা বুড়া, ও তার নাতি মোঃ আব্দুস সালাম এই মোট ০৯ টি জীবন কুখ্যাত রাজাকার আব্দুল মান্নান ও তার পিতা রাজাকার আবেদ হাজী একরাত্রিতে কেড়ে নিয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি রাজাকার আব্দুল মান্নান এর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান করিয়া জাতিকে গ্লানিমুক্ত করিতে, চোখ রাখুন সংখ্যা চলবেই.

