জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষ মোটরসাইকেলের চাবি দিয়ে খুঁচিয়ে নষ্ট করে দিয়েছে সোহাগ খান নামে এক যুবকের দুই চোখ। এ ঘটনায় চার ভাইয়ের বিরুদ্বে মামলা দায়ের হলেও দুজন এখনও পলাতক,বাকি দুজন জামিনে বেরিয়ে এসে দিচ্ছে প্রাণনাশের হুমকি। চোখ হারানো যুবক এখন পরিবার নিয়ে আছে প্রচণ্ড আতঙ্কে। পরিবারসহ সোহাগ সংবাদ সম্মেলন করে তার চোখ তুলে নেওয়ার মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি করেছেন। দোষীদের গ্রেফতার দাবিতে সোমবার দুপুরে বরিশাল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী সোহাগ খান ও তার পরিবারের সদস্যরা। সংবাদ সম্মেলনে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করা হয়। সোহাগ নগরীর মোহাম্মদপুর এলাকার সেকান্দার আলী খানের ছেলে
সংবাদ সম্মেলনে সোহাগ জানান, ৪ ডিসেম্বর নগরীর হাটখোলা কসাইখানা এলাকায় একটি হোটেলে সকালের নাশতা করছিলেন তিনি। এ সময় তার ওপর হামলা চালিয়ে চারজন মিলে চেপে ধরে। এর মধ্যে একজন মোটরসাইকেলের চাবি দিয়ে খুঁচিয়ে দুই চোখ নষ্ট করে দেয়। স্বজনরা গুরুতর অবস্থায় প্রথমে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে নেন। সেখান থেকে তাকে রাজধানীর জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে পাঠান চিকিৎসকরা। আঘাতের কারণে সোহাগ দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেছে। এ ঘটনায় চারনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন সোহাগের ভাই মাসুম খান। এর মধ্যে দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করলেও তারা জামিনে মুক্তি পেয়ে হুমকি দিচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।
নগরীর হাটখোলা হকার্স মার্কেট এলাকায় সরকারিভাবে বরাদ্দ করা ৩ শতাংশ খাস জমি নিয়ে ওই এলাকার মোবারক সিকদার ও তার চার ছেলের সঙ্গে সোহাগ এবং তার পরিবারের বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে সোহাগের ওপর হামলা করে চোখ নষ্ট করে দেয়ার অভিযোগ করা হয়। এ ব্যাপারে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান বলেন, এ ঘটনায় ৪ ডিসেম্বর থানায় মামলা হয়। দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকিদের ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

