পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পারুলদিয়া গ্রামের মো: সাদির মিয়া ও স্ত্রী হাছিনা আক্তারের দুই ছেলে সুজন আহমেদ ও শিমুল আহমেদ। তাদের মাঝে ছোট ছেলে প্রতিবন্ধী শিমুল আহমেদের বয়স যখন ৭ বছর তখন সে টাইফয়েট জ¦রে আক্রান্ত হয়। তারপর থেকেই তার কোমরের নীচের অংশ এবং দুই হাত আস্তে আস্তে অবস হয়ে যায়। পিতা চা বিক্রেতা সাদির মিয়া তার সাদ্যমতো কিশোর ছেলের চিকিৎসা করিয়েছেন। সহায় সম্বল যা ছিল সবই তার চিকিৎসা করতে গিয়ে ভিটে-বাড়ি টুকুই অবশিষ্ট রয়েছে। প্রতিকুল অবস্থায় মাঝেই শিমুলের চিকিৎসার পাশাপাশি দুই ছেলের লেখা-পড়া করার জন্য যা যা করণীয় সবই করছেন অসহায় পিতা। বড় ছেলে ভালুকা ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। ছোট ছেলে প্রতিবন্ধী শিমুল আহমেদ পারুলদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পিএসসি পরীক্ষায়ও ভাল ফলাফর করেছিল। সে জেএসসি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করবে বলে আশাবাদি। শিমুল আহমেদ জানায়, হাতে সে তেমন জোড় না পেলেও আস্তে আস্তে সব প্রশ্নের উত্তরই দিতে পারবে। শিমুলের মা হাছিনা আক্তার জানান, শিমুলের লেখা-পড়া করে বড় হওয়ার খুবই ইচ্ছে। কিন্তু তার চলা ফেরার জন্য একজন লোক সব সময়েই সাথে থাকতে হয়। কারণ সে একদমই হাটতে পারেনা।
বিদ্যালয়েল প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো: কামরুল ইসলাম জানান, শিমুল খুবই মেধাবী ছাত্র। স্কুলে সে তার রোল সব সময়েই এক বা দুই রাখতে সক্ষম হয়েছে। আশা করছি সে জেএসসি পরীক্ষায় খুবই ভাল ফলাফল করবে।
