মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি – সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

0
1424

বিশেষ প্রতিনিধি : ২০১০-১৬ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস/বিডিএস ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদে হাবিবুর রহমান মোল্লার মৌখিক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

Advertisement

মন্ত্রী বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্তের জন্য মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক অতিরিক্ত মহা-পরিচালক (পরিকল্পনা), স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠণ করা হয়েছিলো। কমিটি কাফরুল থানা থেকে আলামত হিসেবে জব্দকৃত ৩৬ সেট প্রশ্নপত্রের সহিত ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস/বিডিএস ভর্তি পরীক্ষার মূল প্রশ্নপত্রের সাথে প্রতিটি প্রশ্ন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা হয়েছিলো। কিন্তু জব্দকৃত ৩৬ সেট প্রশ্নের সাথে মূল প্রশ্নের কোন মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাছাড়া বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত অভিযোগসমূহ পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সরকারী খাতে ওষুধ ব্যবহারের শৃঙ্খলা অপচয় ও অপব্যবহার রোধে সরকারী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চান সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিম। জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মাসিক সমন্বয় সভায় বিষয়টি নিয়ে নিয়মিতো পর্যালোচনা করা হয়। প্রতি হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটি রয়েছে, কমিটিতে পর্যালোচনার মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়। হাসপাতালের ওষুধ যাতে বাইরে যেতে না পারে এবং সহজে চেনা যায় সেজন্য সরকারী ওষুধে লাল ও সবুজ রঙের মোড়ক আবৃত করা হয়েছে। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। যার মাধ্যমে ওষুধের অপচয় ও অপব্যবহার রোধে মনিটরিং করা হয়।

এ কে এম মাঈদুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) সহ প্রকল্পের মোট ১৩ হাজার ৯০৭টি পদ সৃজন ও রাজস্ব খাতভুক্ত করার বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। মেডিকেল কলেজ সমূহে শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা বৃদ্ধি করা সম্পর্কিত গাজী ম ম আমজাদ হোসেন মিলনের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের সরকারী ও বেসরকারী মেডিকেল কলেজসমূহে এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সসমূহে মোট ১১ হাজার ১২৪ জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হতে পারে। মেডিকেল কলেজসমূহে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির আসন সংখ্যা বৃদ্ধি একটি চলমান প্রক্রিয়া। পর্যায়ক্রমে মেডিকেল কলেজগুলোতে ভর্তির আসন সংখ্যা বাড়ানো হবে।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here