মো: মুজিবুল হক কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৪নং শ্রীপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত পাখি ডাকা, ছায়া ঢাকা, সবুজ শ্যামল দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠ, প্রকৃতির লীলাভূমি নিভৃত পল্লী বসুয়ারা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৪৭ সালের ৩১ মে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম মো: রজ্জব আলী। মাতার নাম সোনাবান বিবি। তাঁর বাবা ছিলেন প্রকৃত অর্থে একজন সফল কৃষক। মা ছিলেন গৃহিণী ও সমাজসেবিকা। তাঁরা দু’জনেই ইহজগতের মায়া মমতা ত্যাগ করে পরকালে পাড়ি জমিয়েছেন। কৃষক মরহুম রজ্জব আলী এবং গৃহিণী মরহুমা সোনাবান বিবির আট পুত্র সন্তান ও এক কন্যা সন্তানের মধ্যে মো: মুজিবুল হক মুজিব সর্বকনিষ্ঠ। গ্রামের মক্তবেই তাঁর শিক্ষা জীবনের হাতেখড়ি। সেখানে পবিত্র কোরআন ও ধর্মীয় শিক্ষা লাভ করেন। গ্রামের পার্শ্বেই উত্তর পদুয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিনি ভর্তি হন। যা ১৯১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এতদ্অঞ্চলের সর্বপ্রাচীন একটি স্কুল এবং সেখানেই তিনি প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করে গ্রামের বাড়ি বসুয়ারা থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে কাশীনগর বসন্ত মেমোরিয়াল (বিএম) হাইস্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হন। এ স্কুল থেকেই তিনি কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে বিকম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। বিকম পাসের পর তিনি উচ্চ শিক্ষার জন্য ঢাকায় আসেন এবং ঢাকায় সিএ (চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্ট) ফার্মে ভর্তি হয়ে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সিএ কোর্সে লেখাপড়া করেন। স্কুল জীবনেই তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।
ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ার পর তিনি ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব দেন। ছাত্র রাজনীতি শেষে তিনি যুবলীগে যোগদান করেন। কুমিল্লা জেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন ছাড়াও তিনি কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি মূল সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন সময়ে নেতৃত্ব দেন। তিনি কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের যুব সম্পাদক, প্রচার সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বিভিন্ন সময় দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। দেশ মাতৃকার স্বাধীনতার জন্য তিনি জীবনবাজি রেখে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার-আলবদর ও আল শাম্স বাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে লিপ্ত হন। তিনি বিএলএফ অর্থাৎ মুজিব বাহিনীর সদস্য হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৯৬৬ সালের ছয় দফা, ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং একজন প্রগতিশীল নেতা হিসেবে তিনি বর্তমান সরকারের ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সাহসী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকা-ের পর তিনি স্বৈরাচারী খুনী সরকারের বিরুদ্ধে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তোলেন। তিনি ১৯৮৬ ও ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। কিন্তু ভোট কারচুপির মাধ্যমে তাকে হারিয়ে দেয়া হয়। ১৯৯৬ সালে তিনি একই আসনে পুনরায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং বিপুল ভোটের ব্যবধানে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত সংসদ সদস্য হিসেবে ৭ম সংসদের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮-২০০১ সালে তিনি মহান জাতীয় সংসদের হুইপ (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা সম্পন্ন) নিযুক্ত হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে ষড়যন্ত্রকারীরা আবার তাঁকে ভোট ডাকাতি, কেন্দ্র দখল ও ভোট কারচুপির নির্বাচনের মাধ্যমে হারিয়ে দেয়। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে তিনি ২৫৯ কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে পুনরায় বিপুল ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে তিনি মহান জাতীয় সংসদের হুইপ (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা সম্পন্ন) নিযুক্ত হন। গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১২ বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে মনোনীত করেন এবং তাঁকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। গত ২১ নভেম্বর ২০১৩ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে সর্বদলীয় সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য মনোনীত করেন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব প্রদান করেন। ২৪ নভেম্বর, ২০১৩ তিনি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এছাড়াও তিনি সরকারী ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সদস্য মনোনীত হন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মো: মুজিবুল হক কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) নির্বাচনী এলাকা থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ নিয়ে তিনি ৩ বার জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হলেন।
১২ জানুয়ারি, ২০১৪ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, তাঁকে মন্ত্রিসভার সদস্য মনোনীত করেন এবং পুনরায় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করেন। এ নিয়ে তিনি তিনবার মন্ত্রিসভার সদস্য হলেন। নবম জাতীয় সংসদে তিনি ৫টি সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নিযুক্ত হন। এগুলো হলো-(১) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি (২) সংসদ কমিটি (৩) পিটিশন কমিটি (৪) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি এবং (৫) রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। বহুল আলোচিত ১/১১ এর ভূমিকা নিয়ে অনেক বাঘা বাঘা রাজনীতিকের জীবনে কালিমা লেপন হয়েছে। মাইনাস-২ ফর্মুলা দিয়ে তথা রাজনীতি থেকে ২ নেত্রীকে মাইনাস করে অনেকে সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিত হয়েছেন। ব্যক্তি মুজিবুল হক আদর্শের ক্ষেত্রে কোন আপোষ করেননি। ২০০৮ সালে জরুরী সরকারের সময়ে মুজিবুল হক মুজিবের মতো আপোষহীন সংগ্রামী ও ত্যাগী রাজনীতিকদের দৃঢ়তা ও মনোবলের কারণেই সেদিন মাইনাস-২ ফর্মুলা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। নেত্রী শেখ হাসিনা মুজিবের সেই দিনের ভূমিকার কথা ভুলে যাননি। মুক্তির পর নেত্রী নিজেই মুজিবকে কাছে ডেকে বলেছিলেন তার আপোষহীন ভূমিকা ও বক্তব্যের কথা। মুজিবুল হক ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় সময়োচিত বক্তব্য রেখেছেন। সে দিনের বর্ধিত সভায় তৎকালীন দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পরবর্তীতে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব মো: জিল্লুর রহমান সভাপতিত্ব করছিলেন। নেত্রী ছিলেন বন্দী। বর্ধিত সভায় নেত্রীর আসনটি ছিল শূন্য। মুজিবুল হক মুজিব বলেছিলেন-ঘড় ঊষবপঃরড়হ ঘড় ফরধষড়মঁব রিঃযড়ঁঃ ঝযবরশয ঐধংরহধ সেদিন মুজিবুল হক এর সেই আপোষহীন কণ্ঠ নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিল। ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দীনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাধ্য হয়েছিল নেত্রীকে মুক্তি দিতে। শেষ পর্যন্ত নেত্রীকে নিয়ে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হয় এবং সরকার গঠন করে। কুমিল্লা তথা চৌদ্দগ্রামের মাটি ও মানুষের নেতা মুজিবুল হক মুজিব একজন পরিচ্ছন্ন ও সৎ রাজনীতিক হিসেবে ইতোমধ্যে গণমানুষের মনে প্রাণে নিজের আসন করে নিয়েছেন। মুজিব এতই পরিচ্ছন্ন ও সৎ রাজনীতিক যে, এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোন সরকার বা সংস্থার পক্ষে মামলা-মোকদ্দমা করা সম্ভব হয়নি। অধিকাংশ রাজনীতিকের জীবনে দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারী ও ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য মামলা-মোকদ্দমা দেয়া হয়। কিন্তু চৌদ্দগ্রামের মাটি ও মানুষের নেতা মুজিবুল হকের নামে এ যাবৎ কোন মামলা-মোকদ্দমা হয়নি। দুর্নীতি দমন কমিশন শত চেষ্টা করেও তার বিরুদ্ধে কোন মামলা দিতে পারেনি। এমনকি ১/১১ এর সময় জরুরী আইনের সরকারও তার বিরুদ্ধে কোন মামলা দিতে পারেননি কিংবা দুর্নীতির প্রমাণ পায়নি। আজ বসুয়ারার মুজিব চৌদ্দগ্রাম তথা কুমিল্লার মাটিতে সীমাবদ্ধ নয়। মুজিব আজ জনতার মুজিবে পরিণত হয়েছে। মুজিব আজ বসুয়ারার নয় মুজিব দেশ, জাতি ও গণমানুষের মুজিব। বসুয়ারার মুজিব আজ ঢাকার মন্ত্রী পাড়ায়। মো: মুজিবুল হক ১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তাঁর নির্বাচনী এলাকা চৌদ্দগ্রামের অবকাঠামো উন্নয়ন বিশেষ করে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মক্তব, মসজিদ, মন্দিরসহ শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট প্রভৃতির প্রভূত উন্নয়ন সাধন করেন। কাঁচা রাস্তা মেরামত এবং পাকা রাস্তা নির্মাণ ও মেরামত করেন। তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপকভাবে বিদ্যুতায়ন করেন এবং স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মক্তব, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, পুল-কালভার্ট ও হাট-বাজারসহ যাবতীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধন করেন। তাঁর অনন্য ও অসামান্য অবদানের কারণে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম আজ একটি উন্নয়নের মডেল উপজেলায় পরিণত হয়েছে।
বিদেশ ভ্রমণ
গণপ্রজাতন্ত্রী চীন আইপিইউ সম্মেলনে যোগদান সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের মিলেনিয়াম অধিবেশনে যোগদান। সেপ্টেম্বর, ২০০০ সৌদি আরব পবিত্র ওমরা পালন সেপ্টেম্বর, ২০০২ সিঙ্গাপুর চিকিৎসার্থে গমন আগস্ট ২০০৩, কুয়েত ভ্রমণের উদ্দেশ্যে গমন জুলাই ২০০৪, সংযুক্ত আরব আমিরাত ভ্রমণের উদ্দেশ্যে গমন ডিসেম্বর ২০০৫, সৌদি আরব পবিত্র ওমরা পালন সেপ্টেম্বর ২০০৬, ইংল্যান্ড (যুক্তরাজ্য) আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনে যোগদান ৫-১১ জুলাই, ২০০৯ সুইজারল্যান্ড (জেনেভা ও বার্ন) আইপিইউ-এর ১২৫তম এসেম্বলীতে যোগদান ১৬-১৯ অক্টোবর ২০১১, সিঙ্গাপুর চিকিৎসার্থে গমন ৩০ মার্চ হতে ২ এপ্রিল ২০১৩, সৌদি আরবে পবিত্র ওমরা পালন ৩ সেপ্টেম্বর হতে ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩, সিঙ্গাপুর চিকিৎসার্থে গমন ১৬ জুন হতে ২৩ জুন ২০১৪,ভারত ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী যৌথ কমিটি ও ত্রিপুরাস্থ ঈশ্বর পাঠশালার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগদানের নিমিত্তে ২৫ সেপ্টেম্বর হতে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪, সৌদি আরব পবিত্র উমরা পালন ১২ জানুয়ারি ১৬ জানুয়ারি ২০১৫।
সাংগঠনিক অবস্থান
বর্তমানে যুগ্ম আহ্বায়ক কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগ,সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, আজীবন সদস্য রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, বাংলাদেশ সদস্য, রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা লালমাই, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক বোর্ড, ঢাকা।
উল্লেখযোগ্য সমাজসেবা এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন বিশেষত রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, মসজিদ, মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং বিদ্যুতায়নে ব্যাপকভাবে অবদান রেখেছেন। স্থানীয় বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। দুঃস্থ, অক্ষম, প্রতিবন্ধী এবং বয়োজ্যেষ্ঠ ও মুক্তিযোদ্ধা নারী-পুরুষদের পুনর্বাসনে সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছেন এবং তা অব্যাহত রেখেছেন। চৌদ্দগ্রাম উপজেলাধীন ৪নং শ্রীপুর ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে তাঁর নামে ২০০৯ সালে মুজিবুল হক উচ্চ বিদ্যালয় নামে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। যেটি ইতোমধ্যে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের স্বীকৃতি লাভ করেছে। প্রতিষ্ঠার ৫ বছরের মধ্যে স্কুলটি অভাবনীয় সাফল্যের পরিচয় দিয়েছে।

