১। মিসওয়াক আল্লাহ তা’আলার সন্তুষ্টি লাভের মাধ্যম
২। মুখ কে পবিত্র ও পরিষ্কার রাখার মহৌষধ
৩। মৃত্যু ছাড়া সব রোগের শিফা
৪। চোখের জ্যোতি বাড়ায়
৫। দাঁতের মাড়ি সমুহ মজবুত কর তুলে
৬। কফ, শ্লেষ্মা কে দূর করে
৭। পেটে পানি জমতে বাধা দেয়
৮। ফিরিশতা গন খুশি হন।
৯। রসুলুল্লাহ সল্লাল্লহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর একটি মহামুল্যবান সুন্নাহ আদায় হয়
১০। নামাজের সওয়াব বাড়িয়ে দেওয়া হয়
১১। শরীর কে সুস্থ ও সবল করে তোলে
১২। স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি করে
১৩। কবরের জন্য শান্তি দায়ক
১৪। শয়তান অখুশি হয়
১৫। আরামের সাথে জান কবজ হয়
১৬। এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিসওয়াকের দরুন মৃত্যুর সময় কালিমা নসিব হয়ে ইমানদার হিসেবে মৃত্যুবরণ করার সৌভাগ্য অর্জনের সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। পরিশেষে একটি হাদিস দিয়ে শেষ করছি। এই হাদিস থেকেই বুঝা যায় মিসওয়াকের গুরুত্ত কত বেশি। “আমি যদি উম্মতের উপর (কষ্ট হবার) আশংকা না করতাম তাহলে প্রত্যেক নামাজেই মেসওয়াক করার আদেশ দিতাম। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং৮৮৭, মুসলিম শরীফ, হাদীস নং২৫২)” আল্লাহ তা’আলা আমাদের সকল কে আমলের তৌফিক দান করুন। আমিন।

