মিরপুর কাজীফরি দুই শিক্ষিকার শৃংখলা পরিপন্থি কর্মকান্ডের কারনে শিক্ষার বেহাল অবস্থা

0
1114

স্টাফ রিপোর্টারঃ ছাত্র-ছাত্রীদেরকে প্রকৃত শিক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে নয় নিজের স্বার্থ হাছিলের লক্ষ্যেই মিরপুর কাজীফরি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষিকা লড়াই করে যাচ্ছে। শিক্ষা নীতি ও বিদ্যালয়ের নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছেন। ছাত্র-ছাত্রীদেরকে অহেতুক মারধরসহ খারাপ আচার আচারন করে আসছে বলেও লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগিরা। যদিও ছাত্র-ছাত্রীদেরকে মারধর এবং উত্তেজিতভাবে তাদের সাথে কথা বলাও নিষেধ রয়েছে শিক্ষা মন্ত্রাণয়ের। এধরনের নিষেধ উপেক্ষা করে এই দুই শিক্ষিকা বেধ দিয়ে এবং ডাস্টার ছুরে মারেন শিক্ষার্থীদের গায়ে। এ ব্যাপারে তাদেরকে কার্য নির্বাহী কমিটি ও স্কুলের প্রধান শিক্ষক কয়েকদফা সচেতনামূলক এবং হুশিয়ারি বা সংশোধন হওয়ার তাগিদ দিলেও তারা তা অমান্য করে চলছে। মিরপুর কাজীফরি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী দুই শিক্ষিকার শৃংখলা পরিপন্থি কর্মকান্ডে শিক্ষা অবস্থা বেহাল। এ নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর অভিযোগও করেছেন কাজীফরি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্য নির্বাহী কমিটির সভাপতি শেখ মোঃ মামুনুল হক। ওই অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের দুইজন শিক্ষক পাঠদান পরিচালনায় অসহযোগিতা ও শৃংখলা পরিপন্থি আচারন করে আসছে। এই দুই শিক্ষকের মধ্যে নাসিমা বেগমের অহসযোগিতা ও শৃংখলা পরিপন্থি আচারনগুলো হল। শিক্ষকবৃন্দের সাথে অশ্লালীন আচারন। শ্রেনী কক্ষে সময় মত না যাওয়া ও ক্লাশ হওয়ার আগেই ক্লাশ থেকে প্রস্থান। প্রধান শিক্ষককে বিভিন্ন অসহযোগিতা করা। প্রধান শিক্ষকের নামে অপপ্রচার ও কুৎসা রটনা করা। শিক্ষার্থীদের সাথে অশ্লালীন আচারন করা। শিক্ষক বৃন্দকে হুমকি ধামকি দিয়ে নিজের ক্ষমতা জাহির করা। অন্যান্য শিক্ষকদের সময়মত ক্লাশে যেতে নিরুৎসাহিত করা। তার অশ্লালীন আচারনে একজন সহকারী শিক্ষক অন্যত্র বদলি হয়েছে এবং আর একজন বদলির জন্য আবেদন জমা দিয়েছেন যাহাতে তার হুমকির কথা উল্লেখ রয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের বেধরক পেটানো। উক্ত কারনে ইতিপূর্বে গাবতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শাস্তি মূলক বদলি করেছে কর্তৃপক্ষ। অভিভাবকদের সাথে খারাপ আচারন। শ্রেনীকক্ষে ভ্যানিটি ব্যাগ ও ধর্মীয় পুস্তকাদি রেখে অফিস কক্ষে বসে সহকর্মীদের সাথে গল্পে ব্যস্ত থাকা। দূর দুরান্ত থেকে আসা (ডেপুটেশন ও প্যারা) শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে হুমকি প্রদান করে তার অনুসারী হতে বাধ্য করে। শিক্ষার্থীদের দিয়ে বাসার বাজার করা থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজ করান। ২০-০৮-২০১৬ ইং তারিখে প্রাত্যহিক সমাবেশে শিক্ষকবৃন্দকে যেতে বাঁধা প্রদান এবং নিজে সমাবেশে অনুপস্থিত থাকা। এছাড়াও আরো বিভিন্ন অপকর্মে সাথে এই শিক্ষিকা জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। আরেকদিকে ওই স্কুলে সহকারী শিক্ষিকা কানিজ ফাতেমার বিরুদ্ধে একই অভিযোগ করেছেন কার্য নির্বাহী কমিটির সভাপতি শেখ মোঃ মামুনুল হক। এক ছাত্রী মা অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়েকে বিনা কারনে কানিজ ফাতেমা ডাস্টার ছুরে মেরে কপালে জখম করে। বিষয়টি ওই শিক্ষিকার ভয়ে তার মেয়ে বাসার কাউকে না জানিয়ে নিরবে থাকার চেষ্টা করে। পরে তার কপালের ফুলা জখম দেখা আমি তার কাছে জানতে চাইলে আমার মেয়ে কানিজ ফাতেমার এ ধরনের আচারনের কথা বলে। এরপরই আমি বিষয়টি নিয়ে কার্য নির্বাহী কমিটির সভাপতি বরাবর অভিযোগ দেই। এই দুই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আমাদের ব্যাপক অনুসন্ধান চলছে, আরো বিস্তারিত আগামী সংখ্যায়।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here