আজ ২১ মার্চ ২০১৯ইং বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একযোগে এমপিও’র দাবীতে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের উদ্যোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অভিমুখে পদযাত্রার কর্মসূচি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু করা হয়। কিন্তু পুলিশ কদম ফোয়ারার সামনে ব্যারিকেড দিয়ে বাঁধা দিলে শিক্ষকরা সেখানে অবস্থান নেন।। সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে প্রায় ১৫-২০ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
কর্মসূচিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশন দীর্ঘদিন যাবৎ নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একযোগে এমপিওভুক্তির দাবীতে নিয়মতান্ত্রিকভাবে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মানবিক আবেদন জানিয়ে আসছে। আন্দোলনের এক পর্যায়ে ৫ জানুয়ারি ২০১৮খ্রি. সংবাদ মাধ্যমের উপস্থিতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব এসে বলেন “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাদের দাবী মেনে নিয়েছেন, অনশন ভেঙ্গে আপনাদেরকে প্রতিষ্ঠানে ফিরে যেতে বলেছেন”। পরবর্তীতে চলমান অনশন কর্মসূচিতে ১১ জুলাই ২০১৮খ্রি. সকালে তৎকালীন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষাসচিব মহোদয়ের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা করা হয়। বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে অনশনরত অবস্থায় জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, রাশেদা কে চৌধুরী, তারেক জিয়া উদ্দিন এসে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাদের দাবী অবশ্যই পূরণ করবেন। আপনারা অনশন ভেঙ্গে বাড়ী ফিরে যান। আমরা সন্তুষ্ট চিত্তে বাড়ী ফিরে যাই। পরবর্তীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনলাইনে এমপিওভূক্তির জন্য আবেদন গ্রহণ করেন। কিন্তু অজানা কারনে এখনও এ বিষয় সুস্পষ্ট কোন অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। তাই শিক্ষকদের বাঁচা-মরার এই যৌক্তিক ও মানবিক আবেদন পূরণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’ই আমাদের একমাত্র অবলম্বন। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের জন্য আজ শিক্ষক কর্মচারীরা এই পদযাত্রা কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। আমরা নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত করে আমাদের বঞ্চনা-দুর্ভোগের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে পারলে, তিনি দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো একযোগে এমপিওভুক্ত করে আমাদেরকে এই অনিশ্চয়তা থেকে অবশ্যই মুক্ত করবেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত না পাওয়া পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আমাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

