মাদক মামলায় আসামীদের সাজা বহালেব্যবস্থা নিতে হবে

0
198

Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম বলেছেন, মাদক একটি বড় সমস্যা। মাদকের ছোবল থেকে আমাদের শিশু-কিশোর ও যুব সমাজকে রক্ষা করতে হবে। হেরোইন, ইয়ারা ও ফেন্সিডিলসহ যারা মাদক নিয়ে আটক হয় তাদের মধ্যে কেউ মামলা থেকে খালাস পায়, আবার কারও কারও নির্দিষ্ট মেয়াদে সাজা হয়। মাদক মামলার রায়ে যে সকল আসামীর ৫ থেকে ৭ বছর সাজা হয়, আপিলের পরও তাদের সাজা যাতে বহাল থাকে সে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং মামলার সাজা ও খালাসের রায়ের কপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও বাদীকে দিতে হবে। কাস্টমস অ্যাক্ট আইন ও ফৌজধারী আইনের মামলাগুলোর কার্যক্রম বাস্তবায়ন কতটুকু তা প্রতিমাসে প্রতিবেদন আকারে জানাতে হবে।

আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়। ১৮ বছরের নীচে যে সকল শিশু-কিশোর ড্যান্ডি (মিথাইল মেথাক্রাইলেট) ও মাদক সেবন করে তাদের বিচারের জন্য আলাদা শিশু আদালত রয়েছে। তাদেরকে সংশোধনের জন্য সমাজসেবার সহযোগিতায় গাজীপুরে শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে প্রেরণের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে। পাশাপাশি সকল ধরণের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আজ ২৪ জুন সোমবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত চোরাচালান নিরোধ আঞ্চলিক টাস্কফোর্স সভা, বিভাগীয় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা, বিভাগীয় বিনিয়োগ উন্নয়ন সহায়তা কমিটির সভা, বিভাগীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন টাস্কফোর্স সভা, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাগণের সাথে সমন্বয় সভা, বিভাগীয় রাজস্ব সম্মেলন ও জেলা প্রশাসকগণের মাসিক সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় পৃথক পৃথক সভার আয়োজন করেন। সভায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও বিভাগের জেলা প্রশাসকগণের মধ্যে ‘বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি ২০২৪-২৫’ স্বাক্ষরিত হয়। বিগত সভার কার্যক্রম ও অগ্রগতি তুলে ধরেন বিভাগীয় কমিশনারের একান্ত সচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম অনীক চৌধুরী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফখরুল ইসলাম।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ইভটিজিং, খুন ও ধর্ষনের ঘটনা অনেকটা হ্রাস পেয়েছে। ইতোপূবে কিশোর গ্যাংয়ের ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে আসা মাদক, অস্ত্রের চোরাচালান, তেল পাচার রোধ ও চোরাচালান রোধে সড়ক পথের পাশাপাশি নৌপথে টহল আরও জোরদার করতে পুলিশ, র‌্যাব, কোস্টগার্ড, বিজিবি ও নৌ-পুলিশসহসংশ্লিষ্ট সংস্থাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটতে পারবে না। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর তদারকি বাড়াতে হবে। একইসাথে রিসোর্ট ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোর প্রতিও নজর রাখতে হবে।

সভায় পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নুরেআলম মিনা বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগের কারণে বিভাগের প্রত্যেক জেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগে মাদক সেবন ও উদ্ধারের পর পুলিশ বাদী হয়ে যে সকল মামলা দায়ের করা হয় সেগুলোর রায়ের সাজা ও আপীলের বিষয়টি তদারকি করার জন্য সেগুলো তদারকি করার জন্য পুলিশের আলাদা একটি ইউনিট রয়েছে। এ বিভাগে ৮০ শতাংশ আসামীর সাজা হয় মাদকের মামলায় আর অন্যান্য বাদীর মামলায় সাজা হয় ২০ শতাংশ আসামীর। চামড়ার দাম আরও বৃদ্ধি করতে ব্যবসায়ীদেও দৃষ্টি আকর্ষণের পাশাপাশি ভারত থেকে আসা নিম্নমানের চিনি ও বিপিসি’র নি¤œমানের গ্যাস সিলিন্ডার বন্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন ডিআইজি।
তিনি বলেন, চট্টগ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্ত্রাসী বাহিনী গ্রেফতার ও অস্ত্র উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারদেরকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগের সড়ক-মহাসড়কে ফিটনেসবিহীন অনেক গাড়ি চলাচল করে। পুলিশ ও বিআরটিএ কেউ এগুলোর দায় এড়াতে পারে না। ফিটনেসবিহীন গাড়িগুলো আটক করে রাখার জন্য জেলা ও হাইওয়েতে কোন ডাম্পিং স্টেশন নেই। ডাম্পিং স্টেশন না দিলে সড়কে দুর্ঘটনা, যানজট ও বিশৃঙ্খলা লেগে থাকবে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ থানার সোর্স ও কথিত ক্যাশিয়ার শাহজাহান প্রকাশ আকাশ নামের এক ব্যক্তি পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে অবৈধ ব্যাটারী রিক্সা ও গ্রাম সিএনজি অটোরিক্সা থেকে প্রতি মাসে ১০থেকে ১৫ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করে। নিরীহ লোকজনদের ধরে থানায় নিয়ে মামলা দেয়ার ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা আদায় করে পুলিশের কথিত সোর্স আকাশ। তার চাঁদাবাজি ও অত্যাচার থেকে রক্ষা পেতে বায়েজিদ থানাধীন এলাকাবাসী সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করলেও ভূক্তভোগীরা এ পর্যন্ত কোন সুফল পায়নি। পুলিশের সোর্স আকাশের চাঁদাবাজি নিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সভায় পণ্য পরিবহণ নেতা গোলাম মোস্তফার এমন বক্তব্যের আলোকে সিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার আবদুল মান্নান মিয়া বলেন, চাঁদাবাজ বা

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here