তাসমিয়া: দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর অবষেশে কুখ্যাত মাদক ডিলার ও সিন্ডিকেটের প্রধান রুবেল ওরফে পেটকা রুবেল প্রেফতার। তার এলাকার মানুষ স্বস্থিবোধ করছে। রুবেলের নিয়ন্ত্রনে ডেমরা বাজার, সারুলিয়া, কামারগোপ, স্টাফকোয়াটার, বামৈল, হাজীনগর, ও বড়ভাঙ্গা এলাকায় কমপক্ষে ২০ জন মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে। এদের প্রত্যেকের আবার রয়েছে ২ জন করে পাইটু বা সেকেন্ডম্যান। এসব মাদক ব্যবসায়ীদের মাঝে ডেমরা কামারগোপ এলাকার মৃত শহীদুল্লার ছেলে রাজু (৩৮), সারুলিয়ার মৃত চাঁনমিয়ার ছেলে হানিফ (৩৫), বামৈলের মোখলেসের স্ত্রী শাহিনা (৪৫), ডেমরা বাজার এলাকার মৃত আবুল কাশেম এর ছেলে রাসেল ও তার স্ত্রী বেলী এবং হেলন ওরফে গাট্টি হেলন (৪৮) অনত্যম। মাদক ব্যবসার মূলহোতা রুবেল দেশের বিভিন্ন এলাকা ও টেফনাফ থেকে মাদক সংগ্রহ করে মাদক ব্যবসায়ীদের যোগান দিয়ে থাকেন এবং অনুসারি সহযোগী মাদক ব্যবসায়ীদের নির্বিঘেœ মাদক ব্যবসার নিশ্চয়তা প্রদান করতেন।
ডেমরা এলাকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী রুবেল ওরফে পেটকা রুবেল (৪২) কে গত ১২/০৯/২০১৮ইং তারিখ বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্য সহ হাতেনাতে গ্রেফতার করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর। তার বিরুদ্ধে গেন্ডারিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। এই শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীর নামে বিভিন্ন থানায় বহু মামলা রয়েছে। স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার মূল অন্তরায় মাদক। যার অপর নাম মৃত্যু। এই মরণ নেশা মাদক রুবেল তুলে দিচ্ছে কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রী ও বেকার যুবকদের হাতে। জাতির ভবিষ্যত র্কণধার ছাত্রদের সোনালী ভবিষ্যৎ কেড়ে নিয়ে বানাচ্ছে মাদক ব্যবসায়ী। আর যুব সমাজকে নেশা গ্রস্ত করে দেশের র্অথনীতিকে করছে পঙ্গু। জাতীকে করছে মেধা শূন্য। পেটের দায়ে যারা অপরাধ করে তাদের সংখ্যা না বাড়িয়ে মাদক ব্যবসার মূলহোতা রুবেলের মত একজনের গ্রেফতারে সমাজে ইতিবাচক সাড়া পড়বে বলে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মনে করেন। জানা যায় কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী রুবেল এর গ্রেফতারে ডেমরা এলাকায় মাদক দুষ্প্রাপ্য ও র্উধমূল্য হয়ে দাড়িয়েছে। মরণ নেশা মাদকের হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে যেখানে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাদককে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। দেশের সবগুলো আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যেখানে প্রতিনিয়ত সাড়াঁশী অভিযান পরিচালনা করছেন। সেখানে রুবেলের মতো কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক ব্যবসার মূলহোতা যদি আইনের ফাঁকে গলিয়ে বেড়িয়ে আসে এবং উপযুক্ত সাজাঁ ভোগ না করে প্রশাসনের নিরবতায় তবে তা ডেমরাবাসী তথা আমাদের সমাজ ব্যবস্থার জন্য হবে চরম দুঃখজনক এবং লজ্জার বিষয় বলে স্থানীয় সুশীল সমাজ জানিয়েছেন। ডেমরা র্সাকেলের পরির্দশক আনোয়ার হোসেন ভূইয়া প্রত্যেক চাকুরিজীবি ও সামাজিক মানুষকে তার নিজ নিজ অবস্থান থেকে মাদকের রিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স চ্যালেঞ্জে সফল হয়ে দেশবাসীকে মাদক মুক্ত করে সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সকলের সহযোগীতা চেয়েছেন।

