ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার বিজয় নগর উপজেলার হরষপুরের সাধারণ মানুষ শাজাহান রাজাকারের ভাই হুমায়ুন মাস্টারের কাছে সকল দিকেই জিম্মি হয়ে অত্যান্ত অমানবিক ভাবে দিন কাটাচ্ছে। যে কেউ এই রাজাকার পরিবারের বিরুদ্ধে মুখ খুললে নেমে আসে সীমাহীন অত্যাচার নীপিণর। হুমায়ুন মাস্টার ঘুষ দুনীতি, জমি মাফে জালিয়াতি একজনের জমি অন্যজনকে বুঝিয়ে দেয়া তার অবৈধ উপাজনের বড় খাত। হুমায়ুন মাস্টারের নারী কেলেংকারী রয়েছে এলাকায় মুখ রোচক প্রচারণা, হিন্দু বাড়ী বাড়ী ভাইয়ে ভাইয়ে বিরোধ লাগিয়ে ফায়দা নেয়া তার আরো একটি খাত। রাজাকার পরিবারের প্রভাবশালী সদস্য হুমায়ুন মাস্টারের অত্যাচারে গত ৩০বছরে অসংখ্য সংখ্যালঘু পরিবার দেশত্যাগ করেছে, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের প্রভাশালী দৈনিক স্যন্দন পত্রিকায় গত ডিসেম্বর মাসে এ নিয়ে একাধিক খবর প্রকাশিত হলে দুই দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
জানাযায় ৫০ এর দশকের শেষ ভাগে একেই উপজেলার বিরপাশা গ্রামের সামান্য শিক্ষিত আব্দুল মান্নান কাজে সন্ধানে হরষপুর গ্রামের লাল মিয়া সর্দারের বাড়ীতে এসে উটে, লাল মিয়া সদ্দার এই বেকার যুবককে একেই গ্রামের সৈয়দ হোসেনের জামাই ফেরত ২সন্তানের জননী জুবেদা খাতুনের সাথে আব্দুল মান্নানের ঘড় জামাই বিয়ে দেন, আব্দুল মন্নান আর জুবেদার সংসার অভাব অনটনে চললেও সে সময় রাজাকার শাহজাহান ও রাজু মিয়ার জন্ম হয়। রাজাকার শাজাহান এর ভাই হুমায়ুন মাস্টার ও হারুনের জন্মনিয়ে স্হানীয় মানুষের মধ্যে যতেস্ট কতৌহল আছে, সৈয়দ হোসেনের বাড়ীর কাজের মানুষ রুস্তম আলীর সাথে অবৈধ সম্পকের বিষয় সারা গ্রামের মানুষ জানতেন এবং এক পর্যায়ে হুমায়ুন মাস্টার ও ছোট ভাই হারুন রুস্তম আলী জন্মদাতা হিসেবে জানাজানি হলে হুমায়ুন মাস্টারের ডিএনএ টেস্ট করার দাবী উটলে হুমায়ুন মাস্টার বিষয়টি ধামাচাপা দেন। হুমায়ুন মাস্টার আজ শূন্য থেকে অবৈধ উপার্জন দিয়ে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন, এখন নিজেও জানেন না তার সব মিলে সম্পদের পরিমান কত। একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হয়ে এত সম্পদের মালিক কি ভাবে হলেন, অভিযোগ রয়েছে হুমায়ুন মাস্টার দেনদরবার শালিসে ঘুষ দুনীতি সহ এলাকায় মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। ডিসেম্বর মাসে বেশকিছু মাদক ব্যবসায়ী জুয়ারীকে স্হানীয় জনপ্রতিনিধিরা আটক করলে মাদক ব্যবসায়ী হুমায়ুন ও তা ভাতিজা রাজাকার পুত্র ইয়াবা ফজু প্রভাব ভয়ভীতি দেখিয়ে ছাড়িয়ে নেয়। রাজাকারের ভাই হুমায়ুন মাস্টার কথায় বচনে চালু, যে সময় যে সরকার আসে সে সরকারের লোক হয়ে যায়। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে বিএনপির কাছের মানুষ ছিলেন, একবার এলাকাবাসীর অভিযোগে গ্রামের স্কুল থেকে দুরে বদলী করে দিলে বিএনপির মন্তী দিয়ে গ্রামে আসার চেস্টা করে ব্যর্থ হন। বিএনপির শেষ সময় জানাজানি হয়ে যায় হুমায়ুন মাস্টার রাজাকার শাজাহানের ভাই এর পর থেকে বিএনপির ঐ মন্তীর সাখে সাক্ষাতের অনুমতি মিলে না, একদিন জেলা বিএনপির নেতারা রাজাকারের ভাই বলে অফিস থেকে বের করে দেয়। চৌতুর হুমায়ন মাস্টার বসে নেই, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে ২জন আওয়ামী লীগ নেতার হাত ধরে হয়ে যায় বেস্ট আওয়ামী লীগার। এর পর থেকে হুমায়ুন মাস্টার ফিরে থাকাতে হয়নি, হুমায়ুন মাস্টারের কান্ড দেখে অনেক মনে প্রাণে আওয়ামী লীগার দলীয় কাজে নিস্কিয় হয়ে পড়ে। বর্তমানে হরষপুর আওয়ামী লীগের ভাগ্য নিধারন করে রাজাকার ভাই হুমায়ুন মাস্টার। এমন কি হুমায়ুন মাস্টার স্কুলের পাঠদান ফাঁকি দিয়ে না গেলে স্হানীয় এমপির অনুস্টান পর্যন্ত শুরু হয়না।কোন কোন আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ুন মাস্টারের বাড়ীতে এক বেলা খাওয়ার জন্য পাগল। এলাকার প্রবাসীরা দেশে আসলে হুমায়ুন মাষ্টার তার পরিবারের সদস্যদেরকে দামী মোবাইল লেপটপসহ মূল্যবান উপহার সামগ্রী দিতে হয়। অন্যথায় এইসব প্রবাসীরা দেশে থেকে হুমায়ুন মাষ্টারকৃত বিভিন্ন ভাবে হয়রাণীর শিকার হয়। হুমায়ুন মাস্টারের ভাই রাজাকার শাহজাহান যুদ্ধ অপরাধী কারা বন্দী সৈয়দ মোঃ কায়সারের সহযোগি হিসেবে স্বাধীনতা যুদ্ধে পার্শ্ববর্তী মাধবপুর থানার চৌমহুনী, বুড্ডা এলাকার বাড়ী বাড়ী অগ্নিসংযোগ লুটপাট ও নারী ধষনের কাজে লিপ্ত ছিল এই সময় তার সাথে থাকতেন নিদারাবাদ গ্রামের রাজাকার আলতাফ। রাজাকার শাজাহানেরর সাথে পুর্ব পরিচয়ের সুবাধে যুদ্ধঅপরাধী সৈয়দ মোঃ কায়সার এরশাদের আমলে কৃষি ব্যাংকে নৈশ্য প্রহরী হিসেবে চাকুরী পাইযে দেন, রাজাকার শাজাহান বিজয়নগরের নুরপুর শাখায় থাকা অবস্হায় ব্যাংকটি ডাকাতি হয়, সেই ডাকাতির মামলার আসামীও রাজাকার শাজাহান। হুমায়ুন মাস্টার আওয়ামী লীগে যোগদিয়ে তথ্য গোপন করে রাজাকার পুত্রদের সরকারী চাকুরীর ব্যবস্হা করে দেন,রাজাকার পুত্র মামুন আশরাফ সোনালী ব্যাংক হেড অফিসের এবংইয়াবা ফজু কমিউনিটি ক্লিনিক সুনামুড়া চাকুরী করে, কর্মস্হলেও রয়েছে নানা অনিয়মের অভিযোগ। এই নিয়ে এলাকার মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃস্টি হয়েছে। হুমায়ুন মাস্টার গ্রামে কৃত্রিম বিরোধ লাগিয়ে রাখেন এবং গ্রামে দরবার শালিস হলে মোটা অংকের ঘুষ নিয়ে নামমাত্র একটি অংশ তার লাটিয়াল বাহিনীকে দিয়ে দলবল বড় ও চাংঙ্গা রাখে, হুমায়ুন মাস্টারের লাটিয়াল বাহীনির ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চায়না। হুমায়ুন মাষ্টার তার ছাত্রীকে যৌন হয়রানী করলে এলাকার মুব্বরীরা শালিস দরবার করে শেষ করে দেন। এলাকাবাসীর দাবী হুমায়ুন মাস্টার শুন্য থেকে কি ভাবে বিশাল সম্পদের মালিক হয়েছেন এবং রাজাকার শাহজাহানের কর্মকান্ড সম্পকে অনুসন্ধান সহ রাজাকারের সন্তানরা কি ভাবে এই সরকারের আমলে সরকারী চাকুরী হাতিয়ে নিয়েছে তা যথাযথ সাপেক্ষে ব্যবস্হা নেয়ার দাবী জানায়।

