মোঃ আবদুল আলীমঃ
গত ১২ মে, ১৭ ইং রাজধানীর সেগুনবাগিচা হাই স্কুলে বৈশাখী টিভি আয়োজিত ‘লাখো প্রাণের সূর’ নামক একটি বাছাই পর্বের অডিশন হয়ে গেল। অডিশনের উদ্দেশ্য ছিল চ্যানেলটির জন্য কিছু কন্ঠশিল্পি সংগ্রহ করা। সকালের দিকে দেশের দূরদূরান্ত থেকে প্রায় হাজার খানেক প্রতিযোগী এতে অংশ নেন। অভিযোগ রয়েছে প্রত্যেক প্রতিযোগীর কাছ থেকে অডিশনের আগেই দুশত টাকা করে নেয়া হয়। অনেক পারফর্মার এ প্রতিবেদককে জানান, প্রতিযোগী হিসেবে ইতিপূর্বে রেজিষ্ট্রেশনের সময় টাকার কথা বলা হয়নি। অথচ অডিশন শুরুর আগে সকলের কাছ থেকে বাধ্যতামূলক ভাবে টাকা নেয়া হয়। টাকা নেয়ার প্রমাণ হিসেবে কোন রশিদও দেয়া হয়নি। এভাবে প্রায় হাজার খানেক প্রতিযোগীর কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে বলে পারফরমারগন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা বলেন ইতিপূর্বে মাছরাঙা টিভিও একই রকমের অডিশনের আয়োজন করে অথচ সেখানে কারও কাছ থেকে এক টাকাও নেয়া হয়নি। আরও অভিযোগ রয়েছে উক্ত অডিশনে বিচারক হিসেবে যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের নাম, অভিজ্ঞতা ও পরিচয় উপস্থিত প্রতিযোগীদেরকে জানতে দেয়া হয়নি। কুমিল্লা থেকে আগত ফকরুল, বরিশাল থেকে আগত হসি, কুষ্টিয়া থেকে আগত শফি সহ অসংখ্য প্রতিযোগী এ প্রতিবেদককে জানান প্রথমবার যে প্রতিদ্ধন্দী টিকতে পারেননি তাকে দ্বিতীয়বার প্রতিযোগীতা করার জন্য পুণরায় একশত টাকা দিতে হয়েছে। এ ব্যাপারে অনুষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার সাথে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তার নাম সজিবুল ইসলাম বলে জানান। তিনি নিজেকে বৈশাখী টিভির অ্যাসিস্টেন্ট প্রডিউসার বলে পরিচয় দেন। এ ব্যাপারে বৈশাখী টিভির উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ এডিটর টিপু আলম মিলনের সাথে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন বৈশাখী টিভি এধরনের কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন করিনি। তার সাথে মুঠো ফোনে কথা শেষ করার বেশ কিছুক্ষন পর বৈশাখী টিভি থেকে রাশেদ সীমান্ত নামে প্রোগ্রাম ম্যানেজার এ প্রতিবেককে মুঠোফোনে জানান বৈশাখী টিভি গত পাঁচ বছর যাবত এধরনের প্রোগ্রাম করে আসছেন কিন্তু কোন টাকা পয়সা কোন প্রতিযোগীর কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে না। এ ব্যাপারে অপরাধ বিচিত্রার অনুসন্ধান চলছে। আগামি সংখ্যায় এ ব্যাপারে আরও বিস্তারিত থাকছে।
