বেহাল দশা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের কাঞ্চন-রূপসী সড়কের

0
840

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের কাঞ্চন-রূপসী সড়কের বনেদি এলাকা কাঞ্চন পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার পর্যন্ত রাস্তা বেহাল। এ ড়কের উভয় পাশে বড় বড় শিল্পকারখানা গড়ে ওঠায় প্রতিদিন এ সড়কে কয়েকশ’ মালবাহী বিভিন্ন যানবাহন যাতায়াত করে। উপজেলার উত্তরাঞ্চলের মানুষ উপজেলা পরিষদে আসা-যাওয়ার যোগাযোগের একমাত্র সড়ক হলো কাঞ্চন-রূপসী সড়ক। প্রতিনিয়ত এ সড়কে যাতায়াত করতে গিয়ে চালক ও স্থানীয় সাধারণ জনগণ চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।

Advertisement

এখন সড়ক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এ সড়কের কোথাও না কোথাও বিভিন্ন ধরনের মালবাহী যানবাহন সড়কের মধ্যে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে উল্টে যাচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই এ রাস্তায় ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়। রাস্তার বিভিন্ন স্থানে গর্তসহ পিচ ও ইটের সুরকি উঠে বৃষ্টির পানিতে এখন কাদায় পরিণত হয়েছে। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, শিল্পকারখানার যানবাহনসহ ঢাকায় প্রবেশের বিকল্প রাস্তা হিসেবে কাঞ্চন-রূপসী সড়কটি বেশ জনপ্রিয়। দীর্ঘদিন ধরে কোনো সংস্কার না করায় স্থানে স্থানে ভেঙে ও দেবে জনদুর্ভোগে পরিণত হয়েছে সড়কটি। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে কয়েক শতাধিক মালবাহী ট্রাকসহ চলাচল করে। তাছাড়া প্রতিদিন সিএনজি, রিকশা ও টেম্পু, মালবাহী ভ্যান দিয়ে স্থানীয় লোকজন নিয়মিত চলাচল করায় অতি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি নষ্ট হয়ে গেলেও বিগত ২ বছর ধরে সংস্কারের খবর নেই কর্তৃপক্ষের। সামান্য বৃষ্টি হলেই এ সড়কের চলাচল একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়ে। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে এ সড়কের সাধারণ মানুষ চলাচল দুস্কর হয়ে পড়েছে। স্থানীয় এলাকাবাসী যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেও কোনো সুফল পাচ্ছে না। এব্যাপারে স্থানীয় ছাত্তার জুট মিলের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, উপজেলার এ ব্যস্ততম সড়কটি দীর্ঘদিনেও কোনো সংস্কার না করায় সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে খানাখন্দে পানি জমে যায়। এতে সড়ক দেবে নাজুক অবস্থায় পরিণত হয়। এ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আসার জন্য একটিমাত্রই সড়ক। সামান্য বৃষ্টি হলেই এ সড়কে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এ কারণে এ বিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত আসতে পারছেনা। অবিলম্বে সড়কটি সংস্কার করা খুবই প্রয়োজন। কাঞ্চন পৌর মেয়র দেওয়ান আবুল বাশার বাদশা বলেন, কাঞ্চন-রূপসী সড়কটি (সওজ) সড়ক ও জনপদের। সড়ক সংস্কারের জন্য ঊর্ধ্বতন মহলকে জানানো হয়েছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা না হলে জনদুর্ভোগ আরো বাড়বে। তাছাড়া রাস্তাটিও আরো ভেঙে পড়বে। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল ফাতে মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, সড়কটি পুরোটা নতুন করে সংস্কার করার জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে। আশা করি, খুব তাড়াতাড়ি এ সড়কের সংস্কারের কাজ শুরু হবে। তাছাড়া এ সড়কের যেখানে যাতায়াতের জন্য বেশি সমস্যা সেখানে মেরামত করার হচ্ছে।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here