ঢাকা মহানগর উত্তরে সবচেয়ে স্পর্স কাতর সরকারী প্রতিস্ঠানের মধ্যে হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর, আর এই বিমান বন্দরকে ঘিরে চলছে ঘুষ বানিজ্য, চাদাবাজির প্রহসন,
ঘুষ নেওয়া দেওয়া আমদানীকারক এবংরাজস্ব কর্মকর্তাদের কাছে নিত্য দিনের সহজলভ্য বিষয়, প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা চাদা উত্তোলনের জন্য এ্যাসিস্ট্যা সুপারেনটেন্ট এস্কর্পোট কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছেন বহিরাগতদের তারা মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, স্বরজমিনে ঘুরে দেখা যায় ইউসুফ নামের বহিরাগত কামাল বাহীনির লোক সারা দিন ডেপুটি কমিশনার অফ কাস্টমস কর্মকর্তা ফাহমিদা মাহজাবিনের অফিস কক্ষের সামনে বসে থাকে এবং বিভিন্ন ফাইলের ততবির করার নাম কোরে সাধারন আমদানী রফতানী কারকদের কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহন করে কাস্টমস কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের সন্তুস্টি করে থাকে। এই কালামের দালাল চক্রের দৌরাত্য প্রত্যেকটা সেকশনে আছে , কালাম সহ তার সহোযোগিদের সর্ব মহলে দেখা যায় তাদের মধ্যে ৩য় তলায় আছে ইন্সপেক্টর ওসুপারনটেন্টদের কাজ করে দেয় রিনা, রাজু, গনি, ফারুক, রতন, রমজান, এদের মতো বহিরাগত আরো অনেকে আছে যারা কালামের নিয়ন্ত্রে পরিচালিত হয়ে থাকে, এদের মধ্যে কুরিয়ার গেটে মনির উল্যেখযোগ্য কারন সে প্রতি পার্সেল বাবদ ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা না হলে মাল ছাড়েনা জার ভাগ কালামসহ সব কর্মকর্তা পায়, কালাম ও তার সহোযোগিরা কুরিয়ারে প্রতি ডকুমেন্টস হতে এবং গার্মেন্টসএ্যাসেসমেন্ট পেপার হতে অতিরিক্ত ৫০ টাকা, গার্মেন্টস ই এস পি রিলিজ করতে ৫০ টাকা , কুরিয়ার ডকুমেন্টসর জন্য ৭০/১০০ টাকা কাকড়া রফতানিতে ৮০ টাকা, সবজি ডকুমেন্টসএর জন্য ৩০ টাকা এই ভাবে প্রত্যেকটি ডকুমেন্টসের জন্য ২০০/২৫০/৫০০/৭০০ করে ডকুমেন্টসের রকম বঝে টাকা নিয়ে থাকে এই বাহীনি। এই ভাবে বছরের পর বছর লক্ষ লক্ষ টাকা চাদাবাজি করে চলেছে চিহ্নিত কিছু বহিরাগত দালাল চক্র এবং সি এন্ড এফ মালিকরা পর্যন্ত এদের কাছে জিম্মি হয়ে আছে, কিন্তু এতো ঘটনা ও দূর্নীতি হচ্ছে কি কারনে কাস্টমস কতৃপক্ষ নিরব তা বোধোগম্য নয়, সাধারন আমদানি ও রপ্তানিকরকদের আবেদন সরকার যেন তরায় এদের আইনি বিরুদ্ধে আইনি ব্যাবস্হা গ্রহন করে।

