বাংলাদেশে বছরে যত মানুষের মৃত্যু হচ্ছে,পরিবেশ দূষণজনিত নানা রোগের কারণে

0
921

বাংলাদেশে বছরে যত মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, তাদের ২৮ শতাংশই মারা যাচ্ছেন পরিবেশ দূষণজনিত নানা রোগের কারণে। আর শহরাঞ্চলে নানা দূষণের কারণে বছরে আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত শহরাঞ্চলে পরিবেশবান্ধব টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এ অবস্থায় কার্যকর নীতি ও আইনের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ ঠেকানোর তাগিদ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

Advertisement

গত ৪০ বছরে নগরায়ন এবং শিল্পায়নের কারণে রাজধানী ঢাকা ৭৫ শতাংশ জলাভূমি হারিয়েছে। বিপরীতে নানা ধরনের দূষণের শিকার ঢাকা, যার বেশিরভাগই হচ্ছে আশপাশের এলাকার ইট ভাটার কারণে। এসব তথ্যের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের বিভিন্ন শহর এলাকার বাসিন্দারা, সবচেয়ে বেশি বায়ু দূষনের শিকার হচ্ছে। এমনকি ২০১৫ সালে পরিবেশ দূষণজনিত রোগের কারণে বাংলাদেশের শহরাঞ্চলে ৮০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে তথ্য দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর রাজশ্রী পারালকর বলেন, ‘শহরাঞ্চলে পরিবেশ দূষণের কড়া মাশুল গুনতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। যা দেশের উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনে ঝুঁকি তৈরি করছে। এ অবস্থায় পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের জন্য সঠিক নীতিমালা গ্রহণ জরুরি।’বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিল্পায়ন ও নগরায়নের কারণে শহরাঞ্চলে নানা দূষণে- বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে বাংলাদেশের।অনুষ্ঠানে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, ‘ভালো নীতি গ্রহণের মাধ্যমে দূষণ কমাতে চায় সরকার।’ আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে আমরা নানা দূষণের শিকার। ইটভাটাসহ বেশ কিছু বিষয়ে বাস্তবসম্মত নীতি গ্রহণ করছি আমরা।  যা পরিবেশকে দূষণের হাত থেকে বাঁচাবে বলে আমরা আশা করছি।’ বাংলাদেশে বছরে যত মানুষের মৃত্যু হচ্ছে,পরিবেশ দূষণজনিত নানা রোগের কারণে বাংলাদেশে বছরে যত মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, তাদের ২৮ শতাংশই মারা যাচ্ছেন পরিবেশ দূষণজনিত নানা রোগের কারণে। আর শহরাঞ্চলে নানা দূষণের কারণে বছরে আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত শহরাঞ্চলে পরিবেশবান্ধব টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এ অবস্থায় কার্যকর নীতি ও আইনের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ ঠেকানোর তাগিদ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। গত ৪০ বছরে নগরায়ন এবং শিল্পায়নের কারণে রাজধানী ঢাকা ৭৫ শতাংশ জলাভূমি হারিয়েছে। বিপরীতে নানা ধরনের দূষণের শিকার ঢাকা, যার বেশিরভাগই হচ্ছে আশপাশের এলাকার ইট ভাটার কারণে। এসব তথ্যের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের বিভিন্ন শহর এলাকার বাসিন্দারা, সবচেয়ে বেশি বায়ু দূষনের শিকার হচ্ছে। এমনকি ২০১৫ সালে পরিবেশ দূষণজনিত রোগের কারণে বাংলাদেশের শহরাঞ্চলে ৮০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে তথ্য দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর রাজশ্রী পারালকর বলেন, ‘শহরাঞ্চলে পরিবেশ দূষণের কড়া মাশুল গুনতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। যা দেশের উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনে ঝুঁকি তৈরি করছে। এ অবস্থায় পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের জন্য সঠিক নীতিমালা গ্রহণ জরুরি।’বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিল্পায়ন ও নগরায়নের কারণে শহরাঞ্চলে নানা দূষণে- বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে বাংলাদেশের। অনুষ্ঠানে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, ‘ভালো নীতি গ্রহণের মাধ্যমে দূষণ কমাতে চায় সরকার।’ আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে আমরা নানা দূষণের শিকার। ইটভাটাসহ বেশ কিছু বিষয়ে বাস্তবসম্মত নীতি গ্রহণ করছি আমরা।  যা পরিবেশকে দূষণের হাত থেকে বাঁচাবে বলে আমরা আশা করছি।’ বাংলাদেশে বছরে যত মানুষের মৃত্যু হচ্ছে,পরিবেশ দূষণজনিত নানা রোগের কারণে। বাংলাদেশে বছরে যত মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, তাদের ২৮ শতাংশই মারা যাচ্ছেন পরিবেশ দূষণজনিত নানা রোগের কারণে। আর শহরাঞ্চলে নানা দূষণের কারণে বছরে আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত শহরাঞ্চলে পরিবেশবান্ধব টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এ অবস্থায় কার্যকর নীতি ও আইনের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ ঠেকানোর তাগিদ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। গত ৪০ বছরে নগরায়ন এবং শিল্পায়নের কারণে রাজধানী ঢাকা ৭৫ শতাংশ জলাভূমি হারিয়েছে। বিপরীতে নানা ধরনের দূষণের শিকার ঢাকা, যার বেশিরভাগই হচ্ছে আশপাশের এলাকার ইট ভাটার কারণে। এসব তথ্যের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের বিভিন্ন শহর এলাকার বাসিন্দারা, সবচেয়ে বেশি বায়ু দূষনের শিকার হচ্ছে। এমনকি ২০১৫ সালে পরিবেশ দূষণজনিত রোগের কারণে বাংলাদেশের শহরাঞ্চলে ৮০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে তথ্য দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর রাজশ্রী পারালকর বলেন, ‘শহরাঞ্চলে পরিবেশ দূষণের কড়া মাশুল গুনতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। যা দেশের উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনে ঝুঁকি তৈরি করছে। এ অবস্থায় পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের জন্য সঠিক নীতিমালা গ্রহণ জরুরি।’বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিল্পায়ন ও নগরায়নের কারণে শহরাঞ্চলে নানা দূষণে- বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে বাংলাদেশের। অনুষ্ঠানে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, ‘ভালো নীতি গ্রহণের মাধ্যমে দূষণ কমাতে চায় সরকার।’ আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে আমরা নানা দূষণের শিকার। ইটভাটাসহ বেশ কিছু বিষয়ে বাস্তবসম্মত নীতি গ্রহণ করছি আমরা।  যা পরিবেশকে দূষণের হাত থেকে বাঁচাবে বলে আমরা আশা করছি।’

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here