বরগুনা জেলা প্রতিনিধি :
বরগুনার পিটিআই এলাকায় ব্যাংকার শামীম ও তার স্ত্রী পিটিআই ইন্সটেক্টর বিথী নামক এক দম্পতির বিরুদ্ধে তুচ্ছ ঘটনায় শিশুকে মারধোরের অভিযোগ উঠেছে। জানা যায় সাইদুর রহমান নামের এক প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক পিটিআই এলাকায় একটি নতুন বসত বাড়ি স্থাপন করেন এবং তার বাড়ীর কাজ চলমান থাকায় প্রতিদিনের মতো তার ০৮ বছরের ছেলে আবদুল্লাহ আল সাহাদ কে নিয়ে ২৪ মে সকাল বেলা বাড়ির কাজ দেখার উদ্দেশ্য রহনা হয়।

পথে মধ্যে প্রতিবেশি পিটিআই ইন্সটেক্টর বিথী আক্তারের ছেলে আবদুল্লাহ আল সাহাদকে একটি ঠিল মারে এবং সাহাদ ক্ষিপ্ত হয়ে বিথী আক্তারের ছেলেকে একটি চড় মেরে বাসায় যেতে বলেন। কিছুক্ষণ পরে সাইদুর রহমানের নির্মাণাধীন বাসার সামনে হাজির হন বিথী আক্তার ও তার স্বামী ব্যাংকার শামীম এবং শামীমের বন্ধু বান্ধব। নির্মাণাধীন বাড়ীর সামনে এসে উচ্চ বাচ্চ স্বরে গালাগালি শুরু করলে এক প্রকার থামতে বলেন সাইদুর রহমান নিজের ছেলের বিচার করবে বলে ও আশ্বাস দেন তাদের কে কিন্তু কোন ভাবে মানতে রাজি নয় পিটিআই ইন্সটেক্টর বিথী আক্তার ও তার স্বামী শামীম। তারা সাহাদ কে মারার উদ্দেশ্যে অগ্রসর হলে এক প্রকার থামানোর চেষ্টা করেন সাহাদ এর বাবা সাইদুর রহমান। থামাতে গেলে সাইদুর রহমান কে মারেন শামীম ও বিথী।

সাহাদ এগুলো দেখে নিজের বাবার ফোন বের করে ভিডিও করতে শুরু করেন এবং তাতে ক্ষিপ্ত হয়ে ১০ বছরের শিশু সাহাদ কে মারধর শুরু করেন পিটিআই ইন্সটেক্টর বিথী ও তার স্বামী শামীম ও তার আত্মীয় সত্তার ও আলামিন। চার পাঁচ জন মিলে মারতে মারতে অজ্ঞান করে ফেলে ১০ বছরের শিশু সাহাদ কে। পরে এলাকাবাসী এসে তাদের উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। গুরুতর অবস্থায় ভর্তি করলে ডাক্তারা তাত্ক্ষণিক সাহাদকে অক্সিজেন লাগিয়ে বেডে পাঠায়। বর্তমানে বাবা ও ছেলে দু’জনই বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এই ব্যাপারে সাইদুর রহমান বলেন বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়ার সময় তার কাছে চাঁদা দাবী করেছিলেন সত্তারের ছেলে। সেই চাঁদার টাকা না দেওয়ায় বিভিন্ন সময় গালাগালি করেতেন সত্তার ও তার ছেলে এবং শামীম। এই ব্যাপারে পিটিআই ইন্সটেক্টর এর কাছে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

