অবি ডেস্ক: সম্প্রতি হিন্দুস্তানের ফোর্ট উইলিয়ামের চিফ্ অব্ স্টাফের সাথে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশন প্রধানের বৈঠকের প্রকাশিত সংবাদে বিস্ময় প্রকাশ করে নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দীন এক বিবৃতিতে বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ডিভিশন। এই ডিভিশন প্রধানের ভূমিকা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার নেতৃত্বদানে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের সম্মুখ প্রতিপক্ষ ভারত ও মায়ানমারের কাছ থেকে আমাদের সকল প্রতিরক্ষা গোপনীয়তা রক্ষা অপরিহার্য।
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার শপথে বলিয়ান প্রতিরক্ষা বিভাগ ও এর অধীন বিমান, নৌ ও সেনাবাহিনীর উপর দেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অটুট রাখতে সম্মুখ প্রতিপক্ষদের সম্পর্কে সর্বদা সজাগ থাকা অপরিহার্য। আধিপত্যবাদী ও সম্প্রসারণবাদী ভারতের কাছ থেকে এবং একটি অমানবিক জাতি মায়ানমারের কাছ থেকে আমাদের সকল প্রতিরক্ষা গোপনীয়তা রক্ষা করা প্রতিরক্ষা বাহিনীসমূহ এবং রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। ভারতের সাথে যৌথ মহড়ার পরিকল্পনা আমাদের জন্য আত্মঘাতী। দেশের প্রতিরক্ষা গোপনীয়তা ও রণকৌশল (ডকট্রিন) ফাঁস হলে আমাদের জন্য হবে আত্মঘাতী।
নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দীন আরও বলেন, রক্ষণশীল রণকৌশল আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পূর্বশর্ত। এমতাবস্থায় ফোর্ট উইলিয়ামের বৈঠক স্বাধীনতা প্রিয় দেশবাসীর মধ্যে শঙ্কার উদ্বেগ করেছে। দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর রণকৌশল (ডকট্রিন) নির্ধারণের ক্ষেত্রে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জহুর লাল নেহেরুর এশিয়ার বিশাল অঞ্চল জুড়ে হিন্দুস্তান কায়েমের স্বপ্ন (নেহেরু ডকট্রিন) মাথায় রাখতে হবে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সম্মুখ শত্রু বিবেচনায় ভারত এবং মায়ানমার সম্পর্কে প্রতিরক্ষা বাহিনীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

