প্রধানমন্ত্রী ও জাতির জনকের ব্যানার ভাংচুর করে জাহাঙ্গীরের রিক্সার গ্যারেজ দখলের চেষ্টার অভিযোগ

1
2047

প্রধানমন্ত্রী ও জাতির জনকের ব্যানার ভাংচুর করে জাহাঙ্গীরের রিক্সার গ্যারেজ দখলের চেষ্টার অভিযোগ। যতদিন আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকবে ততদিন প্রকাশ্যে চাদাবাজি করব, পত্রিকায় কত লিখতে পারে লিখুক, আমাকে কিছু করার ক্ষমতা থানার ওসিরও নেই আদা মামুন এমন বক্তব্যই রাখছেন প্রকাশ্যে। কি বিচিত্র দেশ, থানার ওসি এবং আইও আসলেই এ চাদাবাজির বিষয়ে কল্পনা করতেও যেন ভয় পান।
যে কোন মুহুর্তেই হতে পারে খুনাখুনি ওয়াহিদুল হাসান মিল্টনের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি

Advertisement

জয়াউর রহমান ঃ সদা হাস্যজ্জল সদালাপি, ক্যারিয়ার গঠনে সতর্ক, কোন অপরাধের কালিমা যেন তাকে স্পর্ষ করতে না পারে এমন ভাবেই চলেন ওয়াহিদুল হাসান মিল্টন। কিন্তু এতসব চেষ্টা থাকার পরেও তিনি রাজনীতি ঠিক রাখতে গিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার চাদাবাজিকে সাটিফিকেট দিয়ে হালাল করার চেষ্টা করে নিজেই জডিয়ে পড়েছেন নিজের অজান্তে অপরাধ জগতের সাথে। ইচ্ছায় হোক আর অনিচ্ছায়ই হোক ওয়াহিদুল হাসান মিল্টন এর সাটিফিকেট নিয়ে বীরদর্পে সন্ত্রাসী চাদাবাজির এক নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে খিলগাওয়ে। এলাকার অনেকেই প্রশংসা করেন এই কমিশনারের। স্থানীয় সাংবাদিদের কাছেও তিনি খুবই প্রিয়। কিন্তু সবই ম্লান হয়ে গেছে সন্ত্রাসি, চাদাবাজদের  চাদার টাকা ভাগাভাগির সাটিফিকেট দিয়ে। অপরাধ বিচিত্রায় অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের এক কিস্তি প্রকাশের পর কমিশনার মিল্টন বিষয়টি নিয়ে মৌখিকভাবে প্রতিবাদ জানানোর জন্য অপরাধ বিচিত্রার কতৃপক্ষের সাথে বসলেও লিখিত কোন প্রতিবাদ পত্র দেননি। তার কারনও রহস্যজনক। নিজের প্যাডে তার বাহিনীর কাজী সম্রাট, কাজী রুবেল কে লিখিত দেন সিপাইবাগ নতুন রাস্তার রিক্সার গ্যারেজ থেকে চাঁদা তুলতে। ওই জমি সরকারী হলেও তিনি সরকারী নিয়মনীতি ভঙ্গ করে কাগজ পত্র না থাকা সন্ত্রাসী বাহিনী ও চাঁদাবাজদেরকে চাঁদা উত্তোলন করতে লিখিত দেন। এছাড়াও তিনি মৌখিকভাবে তার প্যাডে লেখা কাজী সম্রাট ও কাজী রুবেলকে নিদের্শ দেন থানা পুলিশের অসৎ কর্মকর্তাসহ স্থানীয় কিছু মাস্তানদের ভাগবাটোয়ারা করতে। তার ওই লিখিত প্যাডের নিদের্শ মতই ওই চাঁদাবাজরা চাঁদা আদায় করে আসছে। এর চেয়ে বড় প্রমান কমিশনার নিজেই বলেছেন খিলগাওঁ এলাকার অনেক রিক্সার গ্যারেজ মালিকরা সব সময় টাকা নিয়ে তার কার্যালয় আসেন তবে তিনি ওই টাকা নেন না। তাহলে এত টাকা কই যায় প্রশ্ন সাধারন মানুষের। সূত্র জানায় ওই এলাকার প্রতিটি অবৈধ রিক্সার গ্যারেজ থেকে প্রতি মাসে ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা করে চাঁদা আনেন কমিশনারের অলিখিত নিয়োগকৃত চাঁদাবাজরা। ঠিকঠাকমত চাহিদার টাকা না পাইলে নেমে আসে রিক্সার গ্যারেজ মালিকদের উপর নির্যাতন। নিয়ন্ত্রন করেন নিজের লোকেরাসহ এলাকার স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা। সম্প্রতি খিলগাঁও ১ নং ওয়ার্ড কমিশনারের নিয়ন্ত্রনে সিপাইবাগ নতুন রাস্তায় রিক্সার গ্যারেজ দখল করতে গিয়ে তার বাহিনীরা লোকেরা প্রধানমন্ত্রী ও জাতীর জনকের ছবি ভাংচুর করে পুকুরের পানিতে ফেলে দেন। সবাই জানে থানা পুলিশের সোর্স থাকে কিন্তু বর্তমানে খিলগাঁয়ের এই কমিশনারের নিয়ন্ত্রনে কয়েকজন সোর্স রয়েছে। সব কৌশল পরিবর্তন করে বর্তমানে তিনি ডিজিটাল ভাবে চাঁদাবাজি করে আসছে ওই এলাকায়। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে সংবাদ করলেও তার অপকর্ম থেকে সরেন নি বরং তার বাহিনীর লোকজন আরো বেপরোয়া হয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করে যাচ্ছে। গত বর্ষ ২১, সংখ্যা ১৩, তারিখ ২৯ শে আগস্ট ওয়াহিদুল হাসান মিল্টন কমিশনারের চাঁদাবাজি ও সিপাইবাগ নতুন রাস্তায় জাহাঙ্গীর নামের জনৈক রিক্সার গ্যারেজ মালিকের গ্যারেজ ভাংচুর করে ৬০ টি রিক্সা নিয়ে যাওয়াসহ ওই জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ প্রকাশ করা হলে তিনি ও তার বাহিনী আরো বেপরোয়া হয়ে আবারো হামলা চালিয়ে পূর্বে ভাংচুর কৃত টিনগুলো নিয়ে যান। শুধু তাই নয়, কমিশনারের বাহিনী ওই গ্যারেজ থাকা প্রধানমন্ত্রী ও জাতীর জনকের ছবিসহ জাহাঙ্গীরের একটি ব্যানার ভাংচুর করে পানিতে ফেলে দেয়। ক্ষীপ্ত কমিশনারের ভাই ট্রপি বিভিন্ন স্থানে খোজে বেরাচ্ছে এই প্রতিবেদকে। এমনকি প্রকাশ্য বলে বেড়াচ্ছে, চাঁদাবাজির স্টাইল ও টাকার অংকটা আরো বেরে যাবে এই বাহিনীর। অনেক আগ থেকেই এ বাহিনীর প্রতিটি লোক ও কমিশনারের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, ছিনতাইকারী অভিযোগ রয়েছে। খিলগাঁও এলাকার সিপাইবাগ চৌরাস্তা থেকে শুরু করে তিলপাপাড়া, শান্তিপুর এলাকায় দেদরাচ্ছে মাদক ব্যবসা করে আসছে মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। আর এই সিন্ডিকেটের অনেকেই জড়িত রয়েছে জমি দখল বাণিজ্যের সাথে এমনটাই জানান ভুক্তোভোগিরা। এ সিন্ডিকেটগুলো নিয়ন্ত্রন করেন কমিশনারের সহোদর ছোট ভাই ট্রপি। জানা গেছে, ওয়াহিদুল হাসান মিল্টনের সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান লিংকন। তার বিরুদ্ধে রয়েছেন অস্ত্র মামলা ও হত্যা মামলা। সূত্র জানায়, লিংকন অস্ত্র ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন। বর্তমানে তিনি পুলিশের খাতায় পলাতক হলে বাস্তবে তার সব ধরনের অপকর্ম অব্যাহত রয়েছে কমিশনারের আর্শিবাদে। এছাড়াও তার বাহিনীতে রয়েছে, সাহাদাত হোসেন সাদু, বাপ্পী, সম্রাট, সোর্স লিটন, কাজী রুবেল, সামসুল, সেন্টু, জাহিদ, কাজী মামুন, ইভু, আদা মামুন, ইউনুছ, কাজী শহিদুল্লাহ ওরফে সুদের ব্যবসায়ী শহিদুল্লাহ সহ আরো অনেকেই। এদের বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় মাদক ব্যবসা, জমিদখল, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের অভিযোগে একাধিক মামলা ও জিডি রয়েছে। অভিযোগ, তারাই নিয়ন্ত্রণ করছে এলাকার মাদক ব্যবসা, নারী ব্যবসা, দখলবাজি, চাঁদাবাজিসহ অপরাধের সব ক্ষেত্র। ফুটপাতের দোকান থেকে চাঁদাবাজি, জমি দখলের মধ্যস্থতা, এমনকি সিপাইবাগ, খিলগাঁও কাঁচামালের আড়ৎ থেকেও এরা চাঁদাবাজি করছে। বিভিন্ন সমস্যা মধ্যস্থতা করার সময় সাধারন মানুষকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেয়ার হুমকিও দেয় তারা। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ওয়াহিদুল হাসান মিল্টন ১ নং ওয়ার্ডে সকল অপরাধ ও অপরাধীদের দায়িত্ব তারই আপন ভাই ট্রপিকে বুঝিয়ে দেন। ওই এলাকার সব সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ন্ত্রন করেন ট্রপি। আরেকদিকে ট্রপির সহযৌগি ছিলেন, সন্ত্রাসী লিংকন ও সোওয়ার্দী। একটি হত্যা মামলায় জেলে রয়েছে সোওয়ার্দী। তার বাহিনীর সম্রাট, সোর্স লিটন, জাহিদ, মামুন, ইভু, এবং আরো ১৫/১৬ সন্ত্রাসী মিলে সিপাইবাগ নতুন রাস্তায় জাহাঙ্গীর এর রিক্সার গ্যারেজ ভাংচুর করে ৬০ টি রিক্সা ও ভ্যান গাড়ী নিয়ে যায়। এগুলো নিয়েই তারা ক্ষ্যান্ত হন নি উক্ত ব্যাপারে থানা পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ না করতে হুমকি দামকি দিয়ে যান। এমনকি ওই জমি ছেড়ে চলে যেতে বলে সন্ত্রাসীরা। এ ব্যাপারে জাহাঙ্গীর জানান, দীর্ঘ ৩৫ বছর আগে আমাকে এখানের ১০ কাঠা জমি সুনীল ও সোনাইল বাবু বুঝি দিয়ে গেছেন। এই জায়গাটা ঝিল ছিল। পনেরো বছর আগ থেকে এই ঝিল বালী, মাটি ফেলে ভরাট করি। এরপর ভরাট করে একটি রিক্সার গ্যারেজ দেই। পরবর্তীতে খুব সুখে শান্তিতে বসবাস করে আসছি। হঠাৎ কিছু দিন ধরে উক্ত সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন অযুহাতে চাঁদা নিত। সূত্র জানায়, প্রতি মাসে ওই এলাকার দুই রিক্সার গ্যারেজ থেকে এই সন্ত্রাসীরা দেড় লক্ষ টাকা চাঁদা নিত। এর অর্ধেক যেত ট্রপির মাধ্যমে কমিশনারের পকেটে। এরপর কমিশনার বিএনপির নেতা সন্ত্রাসী সম্রাটকে জমি মালিক সাজিয়ে হামলা করে। সব চেয়ে বড় চাঞ্চল্যকর তথ্য হচ্ছে কমিশনারই তার বাহিনীর তিনজনকে প্যাডে লিখিত দেন চাঁদাবাজি ও তা ভাগবাটোয়ার করতে। এলাকাবাসীর অভিযোগ জাহাঙ্গীরের রিক্সার গ্যারেজে হামলা করান কমিশনার আর তারই ইন্ধনে এ ঘটনা ঘটছে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করছে কমিশনার ওয়াহিদুল হাসান মিল্টন। তিনি জানান, আমি ঘটনা শুনেছি। তবে যারা হামলা করছে তারা এ জমির মালিক বলে দাবী করে আসছে। অন্যদিকে ফোনে জানান, এই জমিটা সরকারী গনপূর্তের অধিনে।
হযরত খাজা মঈন উদ্দিন চিশতির মাজার ঃ সিপাইবাগ ক্লাবের মোড় এলাকা অবস্থিত উক্ত সন্ত্রাসীদের পরিচালিত হযরত খাজা মঈন উদ্দিন চিশতির ঔরশ শরীফ নামে একটি ভ্রাম্যমান দরবার শরীফ। এখানে চলে রাত দিন মাদক সেবন ও ভাসমান পতিতার উৎপাত। এই দরবারে সদস্য যারা তারাই এগুলো পরিচালনা করেন বলে অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী। উক্ত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজরা পরিচালনা করেন এই দরবার শরীফ। অভিযোগ রয়েছে, এই দরবারে প্রতিদিন করে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা উত্তোলন করা হয়। আর উত্তোলন কৃত এই টাকা  যায় কমিশনার ও তার বাহিনীর পকেটে।
খিলগাঁও থানার ওসি’র বক্তব্য ঃ এ বিষয়ে খিলগাঁও থানা’র অফিসার ইনচার্জ কাজী মাইনুল ইসলাম, পিপিএম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সিপাইবাগ নতুন রাস্তা এলাকার রিক্সার গ্যারেজ থেকে চাঁদাবাজি ও ভাংচুরের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তবে ভাংচুরের দিন ভুক্তভোগি জাহাঙ্গির থানায় মামলা করতে গেলে থানার কর্তব্যরত অফিসার মামলা নেন নি। ওই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানার ডিউটি অফিসার মামলা না নিয়ে একটি জিডি নেন। যার জিডি নং ৪৭৪, তারিখ-০৭/০৮/২০১৬ ইং। উক্ত জিডি খিলগাঁও থানার এসআই জাহিদুর রহমানকে তদন্তের দায়িত্ব দেন অফিসার ইনচার্জ। এদিকে ওসি নিজেই এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে এ প্রতিবেদককে জানান। তবে ওই জিডি এখন পর্যন্ত কোন তদন্ত করা হয়নি। তাই জিডি তদন্ত না করার কারনে উক্ত সন্ত্রাসীরা গত ০১/০৯/২০১৬ ইং তারিখ রাত ১০:০০ ঘটিকার সময় সিপাইবাগ নতুন রাস্তার জাহাঙ্গীরের রিক্সার গ্যারেজে প্রধানমন্ত্রী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ব্যানার ভাংচুর করে পুকুরের পানিতে পেলে দেয়। এ ব্যাপারে একাধিক বার থানার ওসি ও জিডি তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহিদকে জানানোর পরেও তারা কোন ব্যবস্থা নেননি বলে জানান ভুক্তভোগি জাহাঙ্গীর।  তবে এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহিদুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগি জাহাঙ্গীরকে কোর্টে মামলা করার পরামর্শ দিয়েছি। আদা মামুন আওয়ামী লীগ করে বিদায় আমি তেমন কিছু করতে পারবো না। অনেক বাধা আসে। উক্ত জমিটা সরকারী বলেও জানান এসআই জাহিদ।
কমিশনারের বাহিনীর সংক্ষিপ্ত বিবরনঃ
ট্রপি ঃ খিলগাঁও ১ ওয়ার্ড কমিশনার ওয়াহিদুল হাসান মিল্টনের আপন সহোদর ছোট ভাই ট্রপি। তিনি পুরো ১ নং ওয়ার্ডে অপরাধ স্পট ও সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ন্ত্রন করেন বলে অভিযোগ করেছে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সূত্র জানায়, সংবাদ প্রকাশের পর ক্ষুদ্ধ চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী ট্রপি প্রতিবেদকে খুঁজে বেড়াচ্ছে বিভিন্ন স্থানে।
লিংকন ঃ ওয়ার্ড কমিশনারের ব্যক্তিগত সহযোগি হিসাবে ওই এলাকায় বেশ পরিচিত ছিলেন তিনি। বর্তমানে অস্ত্র ও হত্যা মামলাসহ কয়েকটি মামলা পলাতক রয়েছেন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, লিংকন অস্ত্র ব্যবসা, অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রর্দশন করে চাঁদাবাজি ও মাদক স্পট নিয়ন্ত্রন করতেন তিনি। বর্তমানেও তিনি পলাতক থেকে এসব অপকর্ম পরিচালনা করে আসছেন। তিনি পুলিশের খাতায় পলাতক থাকলেও প্রকাশ্য এলাকায় এসে মাঝে মাঝে বিভিন্ন স্পট থেকে চাঁদা উত্তোলনের টাকা নিয়ে যান। এবং পরিবার ও কমিশনার সাথে দেখা করে যান বলে জানান এলাকাবাসী। তারই আরেক সহযোগি কিছু দিন আগে জেলে গেছেন।
সাহাদাত হোসেন সাদু ঃ ১ নং ওয়ার্ড কমিশনার ওহিদুল হাসান মিল্টনের আরেক সহযোগি। সি ব্লক কলোনী এলাকায় রয়েছে তার একাধিক মাদক স্পট। ওই স্থানে সরকারী জমি দখল করে দো-তলা একটি ভবন নির্মান করেছেন সাদু। যাহা রেলওয়ে কলোনীর দেয়াল ভেঙ্গে গড়ে তুলা হয় বলে জানা গেছে। ওই ভবনে একটি ক্লাব করেছেন সাদু। তার ওই ক্লাবে প্রতিদিন জুয়ার আসর ও ইয়াবা, মদ, বিহারের আড্ডা বসে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন। এ অভিযোগের ব্যাপারে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি কিছূ জানেন না বলে জানান।
বাপ্পী ঃ ইয়াবা ও মাদকের ডিলার হিসাবে এলাকায় পরিচিত। পুলিশের সোর্স হিসাবে সাধারন মানুষের কাছে পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করে আসছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সামসুল ঃ র‌্যাব-পুলিশের তালিকা ভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও কয়েকটি মামলার আসামী।
লিটন ওরফে সোর্স লিটন ঃ খিলগাঁও টেম্পু স্ট্যান্ডে প্রতিটি টেম্পু থেকে চাঁদা উত্তোলন করেন লিটন ওরফে পুলিশ ও ১ নং ওয়ার্ড কমিশনারের সোর্স লিটন। ওই এলাকায় তার পরিচয় সোর্স ও মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে। সম্প্রতি কমিশনারই তাকে সিপাইবাগ টেম্পু স্ট্যান্ডে চাঁদা উত্তোলন করার দায়িত্ দেন বলে অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী।
সেন্টু ঃ ইয়াবার ডিলার হিসাবে থানায় রয়েছে কয়েকটি মামলা।
জাহিদ ঃ সন্ত্রাসীদের সহযোগি হিসাবে পরিচিত
সম্রাট ঃ বিএনপির ছেলে হয়ে তাপঠের সাথে করছে বিভিন্ন অপকর্ম। তিনি ওহিদুল কমিশনারের চাঁদাবাজির মূল হিসাবে পরিচিত। আগে যদি তিনি বিএনপির নেতা ছিলেন বর্তমানে আওয়ামী-লীগের সাথে আতাত করে চালাচ্ছে বিভিন্ন অপকর্ম। তার বিরুদ্ধে থানায় কয়েকটি মামলা রয়েছে।
ইভু ঃ মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে সিপাইবাগ রয়েছে তার বেশ নাম। সম্প্রতি পুলিশ ও র‌্যাবের উপর হামলা করারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এছাড়াও কাজী মামুন, আদা মামুন, ইউনুছ কাজী ওই এলাকায় বিভিন্ন স্পটে মাদক বিক্রি করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। একটি সূত্র জানায়, সিপাইবাগ গোল চত্তর থেকে ঈদগাঁও মসজিদ ও কুমিল্লা হোটেল এলাকায় এদের ছত্রছায়া রমরমা মাদক ব্যবসা চলছে। খিলগাঁও এলাকার সাধারন মানুষ এদের কাছে জিম্মি থাকে সব সময়। বর্তমানে এ সন্ত্রাসী বাহিনীরা পুলিশের চোঁখ থেকে একটু আড়ালে রাত যাপন করে আসছে। জানা গেছে, ওই এলাকার মাজেদা ও মিনারা নামের দুই রমনীর ঘরে গিয়ে এরা রাত যাপন করে। আমাদের ব্যাপক অনুসন্ধান চলছে, আরো বিস্তারিত আগামী সংখ্যায়।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here