একই সঙ্গে নিহত ব্যক্তিদের পরিবার, বন্ধু এবং বাংলাদেশি জনগণের প্রতি সহানুভূতি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ বছরের শুরুতে নীলয় চক্রবর্তী, ওয়াশিকুর রহমান, অনন্ত বিজয় দাশ এবং অভিজিৎ রায়কে হত্যার মতো ঘটনাগুলো সহিংস চরমপন্থা রুখতে দুই দেশের সরকারের যৌথ প্রচেষ্টার গুরুত্বকে তুলে ধরে। যে সব বাংলাদেশি এ ধরনের পৈশাচিক কর্মকাণ্ড প্রত্যাখ্যান করে যুক্তরাষ্ট্র তাঁদের পাশে আছে। একই সঙ্গে মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য দেশটি কাজ যাবে বলে উল্লেখ করে।
