পৃথিবীর আকাশে দেখা দেবে সুপারমুন

0
1001

২০১৮ সালের শুরুতেই পৃথিবীর আকাশে দেখা দেবে সুপারমুন। তবে এবারের চাঁদটির কয়েকটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যার ভিত্তিতে একে ‘নেকড়ে চাঁদ’ বলা হচ্ছে। আমেরিকার আদিবাসী রেড ইন্ডিয়ানরা বছরের প্রথম সুপারমুনকে ‘নেকড়ে চাঁদ’ ডাকত। কারণ ওই সময় এত আলো হয় যে,

Advertisement

নেকড়েরা ডেরা থেকে বেরিয়ে ডাকতে শুরু করে। নতুন বছরের প্রথম নেকড়ে চাঁদটি দেখা যাবে গ্রিনিচ সময় ১ জানুয়ারি দিবাগত রাত ২টা ২৪ মিনিটে। বাংলাদেশে তখন ২ জানুয়ারি সকাল ৮টা ২৪ মিনিট। সে সময় বাংলাদেশে চাঁদ উপভোগ করা না গেলেও সেদিন রাত এবং এরপর কয়েক দিনই তা দেখা যাবে। পৃথিবীর বহু শিল্পীই নেকড়ে চাঁদের দৃশ্য ছবিতে তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে জ্যাক লন্ডনের হোয়াইট ফ্যাঙ বইয়ের প্রচ্ছদ একটি। বহুল পঠিত বইটির প্রচ্ছদে একটি নেকড়েকে চাঁদরাতে ডাকতে দেখা যায়। তবে বিজ্ঞানীরা বলেন, চাঁদ ওঠার সঙ্গে নেকড়ের ডাকার সরাসরি সম্পর্ক নেই। নেকড়ে নিশাচর প্রাণী। ডাক ছেড়ে সঙ্গীদের নিজের উপস্থিতি জানান দেয়। বিপদে পড়লেও ডাকে, যেন অন্যরা এসে তাকে সাহায্য করে। বছরের শুরুতে এ সময় নেকড়েরা ক্ষুধার্ত থাকে এবং নিজের ডেরা ছেড়ে বেড়িয়ে ডাকাডাকি করে। নেকড়ের ডাক কখনো উচ্চে ওঠে, কখনো নিচে নামে, কখনো একই লয়ে চলতে থাকে। অনেককেই ব্যাপারটি মানুষের সুর-সৃজন প্রক্রিয়ার কথা মনে করিয়ে দেবে। যারা নেকড়ের ডাক শুনেছেন, তাঁরা ভুলতেও পারেন না, হিসাবও মেলাতে পারেন না। এবারের নেকড়ে চাঁদের আকার হবে পূর্ণ চাঁদের সাত শতাংশ বেশি। অন্যদিকে পূর্ণ চাঁদ ছোট চাঁদের তুলনায় ১২ থেকে ১৪ শতাংশ বড় হয়।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here